Freelancing in Bangladesh. এজন্যই প্রচুর ছেলে/মেয়ে ফ্রীল্যন্সিং এর দিকে ঝুকছে। কিন্তু সাধারনত এতে কিছু সম্যসার সৃস্টি হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেকেই ফ্রীল্যন্সিং করছে এবং ভাল আয় করছে , আর এটা এখন সবার ই জানা । আর প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে ছেলে-মেয়ে ফ্রীল্যন্সিং এর দিকে ঝুকছে। আমরা তাদেরকে শুভেচ্ছা জানাই। কেনই বা আসবে না তারা! আমাদের দেশে দেখা যায় যে , অনেকে অনার্স শেষ করে বেকার বা তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছে না । আর অন্য দিকে যে ছেলে/মেয়েটি ফ্রীল্যন্সিং করছে সে মাসে ২০,০০০ থেকে লহ্মাধিক টাকা আয় করছে ,কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে অনার্স শেষে অনভিজ্ঞ একটি ছেলে/মেয়ের একটি ১০,০০০ টাকার চাকুরী পাওয়াও কঠিন।
এজন্যই প্রচুর ছেলে/মেয়ে ফ্রীল্যন্সিং এর দিকে ঝুকছে। কিন্তু সাধারনত এতে কিছু সম্যসার সৃস্টি হচ্ছে।

** তারা ফ্রীল্যন্সিং মার্কেটে টিকে থাকার মত যোগ্যতা নিয়ে আসছে না, তাই দ্রুত ঝড়ে পড়ছে ।
** যার ফলে তারা ভাল কাজ দিতে পারছে না বিদেশী বায়ারদের , এজন্য বাংলাদেশী ফ্রীল্যন্সারদের দুর্নাম হচ্ছে।
** তারা প্রতিটি কাজের প্রকৃত সম্মানি পাচ্ছে না এবং মার্কেট ডাউন করছে
আপনাদের ভাবার কোন কারন নেই যে, আমি আবার নতুনদের বিরোধী কিনা ? অবশ্যই না !!!!!
নিচের লেখাগুলো এর থেকে বের হবার উপায় হতে পারে ঃ
আমাদের দেশে বাবা-মারা আমরা যাই করি না কেন দ্রুত রেজাল্ট চায় । কিন্তু একটি নতুন ছেলে মেয়ে যে এই সেক্টরে নতুন তার জন্য ভাল রেজাল্ট দ্রুত
হ্যাঁ এহ্মেত্রে ,কিছুটা বুদ্ধি করে কাজ করলে টিকে যাওয়া সম্মব। আপনি ধরুন ওয়েব ডেভেলাপার হতে চাচ্ছেন , খুবই ভাল কথা । কারন এর ভবিষৎ উজ্জল । কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যে, আপনি প্রাথমিক অবস্থায় কাজ পাওয়াটা খুবই কঠিন সাধ্য ব্যাপার। কারন বায়ার আপনার প্রোফাইল টা দেখেতো কাজ দিবে ।কিন্তু প্রোফাইল তো……………………
এমত অবস্থায় আপনি কি করবেন বিডের পর বিড করছেন কাজ পাচ্ছেন না । হ্যাঁ আপনি নিচের কাজগুলো করতে পারেন …
** যেসকল কাজ করে দ্রুত আয় করা যায় (যেমনঃ ফেসবুক লাইক/টুইটার/ইউটিউব এর কাজ) । এর সুবিধা হচ্ছে আপনি যখন এই কাজ গুলো করবেন দেখবেন আপনি আপনার মেইন কাজের জন্য অনেক সোর্স পাবেন

আপনার কম্পিউটার এর প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যার যা না হলেই নয়। Some important software for your PC

আপনার কম্পিউটার এর প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যার যা না হলেই নয়।

১) KM Player: KM Player এ সব ধরনের ভিডিও চলে। অন্য Player এ যে ভিডিও চলে না তা এই Player এ খুব ভালো চলে।

২) Adobe Flash Player : YouTube ভিডিও দেখার জন্য এই সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হয়। এটা ছাড়া আপনি YouTube এ ভিডিও দেখতে পারবেন না।

৩) Internet Download Manager: ইন্টারনেট থেকে যেকোনো ভিডিও, অডিও বা অন্য কোন উপাত্ত ডাউনলোড এর জন্য Internet Download Manager এর কোন বিকল্প নেই। খুব সহজে আপনি এটা দিয়ে ডাউনলোড করতে পারবেন।

৪) Google Chrome বা Mozilla Firefox : ইন্টারনেট এর জগতে জাদের নাম সবচেয়ে জনপ্রিয় তা হল Google Chrome এবং Mozilla Firefox । এ দুটো হল ব্রাউজার যা দিয়ে আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ব্রাউজার হল Mozilla Firefox । এর স্পীড অনেক ভালো।

৫) Avro Keyboard: যা আপনাকে বাংলা লিখতে সর্বদা সাহায্য করবে। বাংলা লিখার জন্য এর চেয়ে আর কোন ভাল সফটওয়্যার নেই। আপনি আপনার পিসি তে এই সফটওয়্যার তা বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। Avro Spell Checker সফটওয়্যার টা আপনার লেখাতে কোন বানান ভুল আছে কিনা সেটা দেখতে সাহায্য করবে।

৬) Adobe Reader: এই সফটওয়্যারটি আপনাকে PDF ফাইল পড়তে ও লিখতে সাহায্য করবে। আপনি Acrobat Reader ও ব্যবহার করতে পারেন PDF ফাইল পড়ার জন্য।

৭) Skype : সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যম হিসাবে Skype এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। এখানে আপনি চ্যাট, অডিও কল, ভিডিও কল বা আপনার কম্পিউটার এর পর্দা ও শেয়ার করতে পারবেন।

৮) Avast : Avast হল আপনার কম্পিউটার এর সবচেয়ে উপকারি সফটওয়্যার যা আপনাকে ভাইরাস থেকে চিন্তা মুক্ত রাখবে। এটা আপনি আপনার কম্পিউটার এ ফ্রী ব্যবহার করতে পারবেন।

আইফোন ৬ এর সম্পর্কে কিছু ধারনা।

Name : Maher Bappy
আইফোন ৬ এর সম্পর্কে কিছু ধারনা।
‘আইফোন ৬’ দেখতে কেমন হবে, তা নিয়ে আইফোনপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয়ে গেছে জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে নতুন আইফোনের ডিজাইনার স্যাম বেকেট কয়েক দিন আগে ইউটিউবে প্রকাশ করলেন একটি ‘কনসেপ্ট ভিডিও’। এতে দেখানো হয়েছে ‘আইফোন ৬’ আসলে দেখতে কেমন হবে? আগের ‘আইফোন ৫এস’-এর মতো দেখতে হলেও একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, এর হোমস্ক্রিনে আছে ‘আইওএস৮’ এবং ‘হেলথবুক অ্যাপ’। ভিডিওতে দেখা গেছে, এতে আছে ৪.৭ ডিসপ্লে, ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেল, ৪৬৮ পিপিআই, ১০ মেগাপিক্সেল সেন্সর এবং এটি আগের মডেল থেকে ৯ শতাংশ পাতলা।
আশা করি ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

অ্যালগরিদম কি? অ্যালগরিদম সম্পর্কে বিস্তারিত । What is an Algorithom?

অ্যালগরিদম কি? অ্যালগরিদম সম্পর্কে বিস্তারিত ।

ইরাজ ইলাহি

কোন সমস্যা সমাধান এর জন্য যে সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসরন করতে হয় তাকে বলা হয় অ্যালগরিদম । অ্যালগরিদম এর প্রতিটি ধাপ এমন ভাবে রচনা করতে হয়,যাতে সম্ভাব্য কম সময়ে প্রদত্ত কোন সমস্যার সহজ সমাধান পাওয়া যায়।অ্যালগরিদম কে অনেকেই রান্নার রেসিপি র সাথে তুলনা করে থাকে। রেসিপিতে যেমন রান্নার প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ভাবে লেখা থাকে,অ্যালগরিদমও তেমনি। ভাল রান্নার জন্য রেসিপির কোন ধাপ আগে পরে করার উপায় নেই,বাদ দেয়ারও সুযোগ নেই। অ্যালগরিদম এর বেলায়ও প্রতিটি ধাপ নির্ধারিত ক্রমে অনুসরন করতে হয়। অ্যালগরিদমকে কোন প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখলে তা প্রোগ্রামে পরিণত হয়।

অ্যালগরিদম লেখার নিয়ম

অ্যালগরিদম লেখার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। প্রথমে সমস্যা অর্থাৎ প্রোগ্রামের বিষয় নির্ধারণ করতে হয় এবং বিষয়টির একটি শিরোনাম দিতে হয়। এরপর বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করে তা সমাধান এর একটা পথ বের করতে হয়। বড় আকারের সমস্যার বেলায় একাধিক ছোট অংশে বিভক্ত করে সমাধানের পথ নির্দেশ বের করা হয়। অ্যালগরিদম এর প্রতিটি ধাপ সাবধানতার সাথে নির্ধারণ করতে হয়। একটি ভাল অ্যালগরিদম এর চারটি শর্ত রয়েছে । শর্ত গুলো হল-

  1. অ্যালগরিদমকে সহজবোধ্য হতে হবে।
  2. কোন ধাপই জটিল হবে না , স্পষ্ট হতে হবে।
  3. সসীম সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান করতে হবে।
  4. একে ব্যাপক ভাবে প্রয়োগ করার সম্ভাবনা থাকতে হবে।


কম্পিউটিং

কম্পিউটিং আলগোরিদিম প্রক্রিয়া তৈরি করার জন্য এটি একটি লক্ষ্য ভিত্তিক কার্যকলাপ। কম্পিউটিং হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার সিস্টেমের উন্নয়ন, নির্মাণ, এবং নকশা তৈরি করতে সাহায্য করে। কম্পিউটিং এর এরিয়া গুলো কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার বিজ্ঞান, তথ্য সিস্টেম ও তথ্য প্রযুক্তি ইত্যাদি । কম্পিউটিং ছাড়া আমরা কোন সমস্যা ভালোভাবে সমাধান করতে পারবো না। তাই কম্পিউটিং জানা খুব জুরুরী।
টেলিযোগাযোগ একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যেটা বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। এখনকার টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি বিভিন্ন রকমের সংকেত যেমন বেকন, অপটিক্যাল, স্মোক সংকেত ইত্যাদি ব্যবহার করে। বর্তমান সময়ে টেলিযোগাযোগ ছাড়া কোন কিছু কল্পনা করা যায়না।
একটি সমস্যা সমাধান করার জন্য, প্রযুক্তি একটি প্রতিষ্ঠানের পদ্ধতি তৈরি, পরিবর্তন ও ব্যবহার করতে সাহায্য করে। বর্তমান সময়ে , প্রযুক্তি সমাজ ও তার আশপাশের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে। এখন প্রযুক্তির মাধ্যমে খুব সহজে যেকোনো ইনফর্মেশন খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

মোঃ আতিকুর রহমান
Mobinmama0001@gmail.com

আইফোনে ২জি, ৩জি, ওয়াই-ফাই ইত্যাদি প্রযুক্তি অনাহাসে ব্যবহার করা যায়

বিজ্ঞান যে সব ক্ষেত্রে অনেক মূল্যবান অবদান রেখেছে, আইফোন তার মধ্যে অনেক উল্লেখযোগ্য। অন্যান্য স্মার্টফোনের মত আইফোন সেলুলার ফোন এবং ওয়েব ব্রাউজার দ্বারা গঠিত। আইফোন বলতে বুঝায় অ্যাপল কোম্পানি দ্বারা নির্মিত একটি আধুনিক ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত স্মার্টফোন যেটি প্রথম বাজারজাতকরণ শুরু হয় ২৯ জুন ২০০৭ তারিখে। বর্তমানে আইফোনের ৫ম জেনারেশন আইফোন ৪এস বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, যা ৪ অক্টোবর ২০১১-তে অবমুক্ত করা হয়।

আইফোনে ২জি, ৩জি, ওয়াই-ফাই ইত্যাদি প্রযুক্তি অনাহাসে ব্যবহার করা যায়। অ্যাপল আইফোনে আই.ও.এস অপারেটিং সিস্টেম ও ব্যবহার করা যায়। আইফোনে ব্যবসায়, বিনোদন, খেলাধূলা এবং ভ্রমণ বিষয়ক অনেক অ্যাপস ব্যবহার করা যায়।

আইফোনকে ভিডিও ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি ক্যামেরা ফোন, বহনযোগ্য মিডিয়া প্লেয়ার, ইন্টারনেট মাধ্যম, ভিজুয়্যাল ভয়েস মেইল ক্লাইন্টসহ ওয়াইফাই ও থ্রিজি কানেকটর হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আইফোনের পর্দাটি মাল্টি টাচস্ক্রীণ প্রকৃতির। যেখানে একটি ভার্চুয়াল কিবোর্ডের সুবিধা রয়েছে। অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যারগুলো আইফোনের জন্য অ্যাপলের বিশেষ অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোডের সুবিধা আছে। এইসকল অ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে আইফোনকে খেলাধুলা, জিপিএস নেভিগেশন, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র দেখার কাজে সহজেই ব্যবহার করা যায়।

 

কম্পিউটার দৈনন্দিন বিজ্ঞানের একটি অভূতপূর্ব আবিষ্কার

কম্পিউটার দৈনন্দিন বিজ্ঞানের একটি অভূতপূর্ব আবিষ্কার যেটির দ্বারা আমরা অনেক অসাধ্য কাজ সাধন করতে পারি। এটি এমন একটি ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র যেটির দ্বারা গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ করা যায়। কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগের কাজও করা যায়, যেটি অফিস আদালতের কাজে খুবই জনপ্রিয়। এটি এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যেটি ব্যবসায় এবং বাসায় বিভিন্ন দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি অনেক কাজে ব্যবহার করা হয় যেমন-ভিডিও গেম, ব্যবসায়িক কাগজপত্র সংরক্ষণ, স্প্রেডসীট প্রোগ্রাম তৈরী এবং বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যোগাযোগের জন্য এটি খুব উপকারী। এটি ইমেইল আদান প্রদান এবং বিভিন্ন দরকারী বার্তা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। চার্লস ব্যাবেজ প্রথমে কম্পিউটারের ধারণা তৈরী করে, এজন্য তাকে আমরা কম্পিউটারের জনক বলে থাকি। একটি কম্পিউটারের পাঁচটি অংশ থাকে।

অন্য কথায় বলা যায় যে কম্পিউটার একটি বিশ্লেষণমূলক যন্ত্র যেটি ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে কোন উপাত্তকে গ্রহণ করে কেন্দ্রিয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের মাধ্যমে উপাত্তকে প্রক্রিয়াকরণ করে আউটপুটি ইউনিটের মাধ্যমে উপাত্তর ফলাফল প্রকাশ করে। এটি মানুষের জীবনকে অনেক গতিময় করে তুলেছে, কারণ এটি মানুষের অনেক কাজ করতে পারে।

IP এড্রেস হ্যাকিং

IP এড্রেস হ্যাকিং

Do not use this article for any harmful purpose. Just take the lesson that your IP address can get hacked, and one method is described. If you find this article to be harmful, please report and we will take it off.
আইপি ঠিকানা কি?
সাধারনত আইপি ঠিকানা বলতে বুঝায় IP Address = Internet Protocol Address. এটা সাধারনত Unique নম্বর ভিত্তিক হয়ে থাকে । আইপি ঠিকানা বলতে কোন কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল এর থাকে নেটওয়ার্ক এ সংযুক্ত করার জন্য । একটি আইপি ঠিকানার দুইটি অংশ থাকেঃ
১. Host or network interface identification
২. Location Addressing
Read more at Wikipedia: en.wikipedia.org/wiki/IP_address
কি ভাবে পাবেন এই আইপি ঠিকানা ?
অনেক উপায়ে আইপি ঠিকানা পেতে পারেন বেসিক কিছু পদ্বতিঃ
1. পিএইচপি নোটিফিকেশন স্ক্রিপ্ট দিয়ে
2. ব্লগ এবং ওয়েবসাইট
3. Read Notify এর মাধ্যমে
4. গুগল এবং ইয়াহু এর চ্যাট সেশন হাইজ্যেকিং এর মাধ্যমে
PHP Notify Script:
এটা মোটামুটি আইপি হ্যাকিং এর সহজ পদ্বতি, এবং অনেকটা ফিশিং ফিশিং লাগে ।
1. এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড পিএইচপি Notify স্ক্রিপ্ট ডাউনলোড করে নিন
2. এটার ভিতর দুইটি ফাইল পাবেন একটি IP.html এবং index.php ফাইল দুটি কোন একটি ওয়েব হোস্টিং এ আপলোড করে নিন। আপনার আগের কোন হোস্টিং এ্যাকাউন্ট থাকলে তাতে না করে অন্য নতুন একটি এ্যাকাউন্ট খুলে নিন । আপনি এই হোস্টিং ঠিকানাটি ব্যাবহার করতে পারেনঃ http://my3gb.com । এখানে সাইন আপ করে ইমেল ভেরিফিকেশন সম্পান্ন করে লগইন করুন, তারপর ফাইল দুটি আপলোড করুন ।
3. যে ভাবেই হোক আপনার ভিক্টিম কে index.php এর ঠিকানাটা দিন । index.php এর ঠিকানা পেতে index.php এর উপর ক্লিক করুন নতুন একটা উইন্ডো খুলবে এখন এড্রেস বার থেকে লিঙ্কটি কপি করুন। এবং ভিক্টিম কে সেন্ড করুন।

4. এখন ওইব্যাক্তি যদি লিঙ্কটা ওপেন করে তাহলে কিছুই দেখতে পারবে না কিন্তু পিছনে পিছনে তার আইপি ঠিকানাটা আপনি পেয়ে গেলেন!!!!!!

বর্তমানের অতি দ্রত পরিবর্তনশীল টেকনোলজীর মধ্যে টেলি কমিউনিকেশন একটি অন্যতম ধারা।

বর্তমানের অতি দ্রত পরিবর্তনশীল টেকনোলজীর মধ্যে টেলি কমিউনিকেশন একটি অন্যতম ধারা। স্মার্টফোনের ব্যাপক উন্নতি এবং এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় মোবাইল ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিগনিত হয়েছে। আর এই সুযোগে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন , লিভারেজ এন্টারপ্রাইজ তথ্য, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিকাশ, ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম এর সাথে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মাইক্রোসফট এবং গুগল- উভয়েই এইসব উন্নয়নে প্রভাবিত ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মোবাইল অপারেটরদের তাদের নেটওয়ার্ক ওঠানামা , প্রয়োজনীয় ব্যবহারক্ষমতা এবং তথ্য কেন্দ্র ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার অফারের মাধ্যমে সব চেয়ে বেশী ব্যবসায়ীকভাবে লাভবান হচ্ছে।

স্মার্টফোন এবং মোবাইল এর মাধ্যমে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার পাশাপাশি নতুন ডিভাইস – যেমন মোবাইল ইন্টারনেট ডিভাইস ( Mids) ও 4 জি নেটওয়ার্ক, নেটবুক এবং smartbooks এর সেবার মান আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা উচ্চতর মোবাইল ভয়েস মানের জন্য কত টাকা দিতে ইচ্ছুক তা এখনো পরিষ্কার না , অথবা যথেষ্ট পরিমাণ ব্যান্ডউইথ ঘনবসতিপূর্ণ মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য বরাদ্দ করা ঠিক হবে কি না তাও এখন পর্যন্ত বিশ্লেষকরা নির্ধারণ করতে পারেন নাই। তথাপিও এইচডি ভয়েস এর ব্যাপারে টেলিফোন কোম্পানীগুলোর টেকনোলজীক্যাল দিন গুলো উন্নতি করারই সম্ভাবনা বেশি , যা ব্যবসার জন্য আইপি ভিত্তিক এবং ওয়েব ভিত্তিক কলিং এর ক্ষেত্রে বেশ কিছু কোম্পানির বিনিয়োগ তা প্রমান করে।

 

Name : Tareq Shikde

নিয়ে নিন একটি পাইওনিয়ার মাষ্টার কার্ড

নিয়ে নিন একটি পাইওনিয়ার মাষ্টার কার্ড

সিরাজুম মুনীর গালিব

বেশকিছু ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসে পেমেনেটের জন্য প্রধান উপায় পেপাল। কিন্তু পেপাল যে আমাদের দেশে নেই তা প্রায় সবাই জানেন। তরপরও ভুয়া তথ্য দিয়ে পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলে অনেকেই লেনদেন করেন। কিন্তু এটা বেশ ঝুকিপূর্ন। তবে যেসব সাইটে পেপাল থাকে সেগুলোতে সাধারণত মাষ্টার কার্ডেরও সাপোর্ট থাকে। মাষ্টার কার্ড ব্যবহার করে পেপাল এর ঝুকিপূর্ন ব্যবহার এড়াতে পারেন। আর এজন্য পাইওনিয়ার ফ্রিল্যান্সারদের জন্যই আলাদা কার্ডের ব্যবস্থা করে দেয়। আজকের পোষ্টে কিভাবে এই মাষ্টার কার্ডের জন্য আবেদন করবেন সেটা আলোচনা করা হবে। তার আগে জেনে নিন এই কার্ডে কি কি সুবিধা রয়েছে।

* যেকোন মাষ্টার কার্ড থেকে পেমেন্ট গ্রহন।

* অনলাইন এবং মাষ্টার কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট নেয় এমন দোকান থেকে কেনাকাটা।

* একটি ইউএস ভারচুয়াল ব্যাংক যুক্ত থাকায় যেকোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকেও সরাসরি কার্ডে পেমেন্ট গ্রহন।

* মাষ্টার কার্ড সাপোর্ট করে এমন এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলোন।

সুবিধা দেখে নিশ্চই একটি মাষ্টার কার্ড নেয়ার কথা ভাবছেন। কিন্তু এতোসব সুবিধার পেছনে কি পরিমাণ খরচ হতে পারে সেটাও জেনে নিন। প্রথমত কার্ড নিতে কোন টাকার প্রয়োজন নেই। কিন্তু অ্যক্টিভেশন ফি ২৯.৩৫ ডলার। এই পরিমাণ টাকা প্রতি বছর কেটে নেয়া হবে। আবার প্রতিবার এটিএম বুথ থেকে যেকোন আমাউন্টের টাকা তুলতে ৩ ডলার খরচ হবে। তবে আপনি যদি কারো রেফারেল লিংক এর মাধ্যমে আবেদন করেন তাহলে প্রথম ১০০ ডলার লোড করার পর ২৫ ডলার বোনাস আপনি এবং যার রেফারেলের মাধ্যমে আবেদন করবেন তিনিও ২৫ ডলার বোনাস পাবেন। তবে বোনাসের টাকা ক্যাশ তুলতে পারবেন না বরং শুধুমাত্র কেনাকাটার জন্যই এই বোনাস। আবেদন করার জন্য আমার রেফারেল লিংক দিচ্ছি।

প্রথমে http://share.payoneer-affiliates.com/a/clk/2CFPpk এ গিয়ে প্রাথমিক আবেদন করুন। আবেদন করার সময় ভোটার আইডি কার্ড দেখে করুন। ভোটার আইডি কার্ডে যে নাম এবং জন্ম তারিখ আছে ঠিক সেটাই দিন। প্রাথমিক আবেদনের ২-৩ দিনের মধ্যে আপনার আবেদন গৃহীত হলে ইমেইলের মাধ্যমে একটি লিংক দেয়া হবে। এই লিংকে গিয়ে আপনার ভোটার আইডি কার্ড স্ক্যান করে আপলোড করুন। অবশ্যই উভয় পৃষ্ঠা স্ক্যান করে একটি ছবিতে পরিণত করে নেবেন। তারপর আপনার পরিচয় ভেরিফাই করে একটি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ঐ ইমেইলেই কার্ডের ডেলিভারির তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে। এজন্য সাধারণত এক মাসে সময় নেয়। কিন্তু আমারটা আসতে ২ মাস সময় লেগেছে। আমার ধারনা কার্ডটি সময়মতই পোস্ট অফিসে এসেছে। কিন্তু পোস্ট অফিসে এসে একমাস পড়ে থাকলেও কিছু করার নেই। তাই ডেলিভারীর তারিখ পার হওয়ার পর পোস্ট অফিসে নিয়মিত খোজ রাখুন। যাই হোক কার্ড হাতে পাওয়ার পর পাইওনিয়ার অ্যাকাউন্টে লগিন করে কার্ড অ্যাক্টিভ করুন। এজন্য ৪ড্দিজিটের একটি পিন নির্বাচন করুন। আর কার্ডের নাম্বার চাইলে নাম্বার কোথায় পাবেন? কার্ডের উপর দেখূন বড় বড় করে সোনালী কালারে একটি নাম্বার আছে। এটাই আপনার কার্ডের নাম্বার। তো অ্যক্টিভ করার পর অনেকেই যেটা করেন সোজা এটিএম বুথে গিয়ে কার্ড টেস্ট করেন। সাবধান কিছু কিছু এটিএম মেশিন টাকা লোড না করে কার্ড ঢুকালে সাথে সাথে কার্ড সিজ করে দিতে পারে। আবার অনেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে কার্ডের তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলেন। এক্ষেত্রে দেখে নিন ওয়েবসাইট কোন চার্জ করবে কিনা বা কত করবে। আজ এ পর্যন্তই। আল্লাহ হাফেজ।

email: galib1992ict@gmail.com