আমি আজকে SQL নিয়ে আলোচনা করব

শুরুতেই সবার জ়ন্য রইল আমার সালাম । আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আজকে SQL নিয়ে আলোচনা করব
SQL মানে হচ্চে Structured Query Language ।এটি একটি শক্তিশালী Data Manipulation ও Definition Language । রিলেশনাল ডাটাবেস access করার জন্য SQL একটি হাতিয়ার ।
SQL এর বিভিন্ন অংশঃ
১I ডি ডি এল
২l ডি এম এল
৩l ইন্টিগ্রিটি
৪l ভিও ডেফিনিশন
৫l ইমবেডেড
৬l ডাইনামিক
৭l অতরাইজেশন
আজকে আমি আপনাদেরকে SQL নিয়ে কিছু ধারনা দিয়েছ।
এখন কিভাবে Create Statement কমাণ্ড ধারা রিলেশনাল ডাটাবেস সাদারণত ডাটাবেসের টেবিল তৈরি করা হয় ।
উদাহরণ – client_master নামক একটি টেবিল তৈরি করা যাক ।
Column name – data type – size
Client_no – varchar 2 – 6
আপনাদের বিদায় জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আশা করি আমি আপনাদেরকে SQL নিয়ে ধারনা দিতে পেরেছি।

resource:
MySQL
http://salearningschool.com/searchResult.php?queryStr=mysql&submit=Search+Database

contact: rahat.odesk.01@gmail.com

প্রথম দিকে যখন কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখা হয় তখন এসব ডাটা টাইপ সহ আরো কিছু বিষয় ইম্পর্টেন্ট মনে হয় না কিন্তু আসলেই বিষয় গুলো অনেক ইমপর্টেন্ট। Importance of Data Types

প্রথম দিকে যখন কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখা হয় তখন এসব ডাটা টাইপ সহ আরো কিছু বিষয় ইম্পর্টেন্ট মনে হয় না কিন্তু আসলেই বিষয় গুলো অনেক ইমপর্টেন্ট। আপনি যখন একটি ডাটাবেজের টেবিল তৈরি করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে ডাটা টাইপ নির্ধারন করে দিতে হবে। ধরুন আপনি একটি টেবিল তৈরি করবেন আর টেবিলের একটি ফিল্ড থাকবে ইমেইল এড্রেস ষ্টোর করার জন্য। আপনি টেবিল তৈরি করার সময় প্রথম ফিল্ডটি ইন্টেজার বলে দিলেন। ফলে আপনি যখন ঐ ফিল্ডে ইমেল এড্রেস ষ্টোর করবেন কিন্তু কোন ইমেইল এড্রেস ষ্টোর হবেনা কারন ইন্টেজার টাইপ ডাটা শুধু মাত্র নাম্বার সাপোর্ট করে কিন্তু রিয়েল অথবা টেক্সট টাইপ ডাটা ষ্টোর করতে পারেনা। তাই ফলাফল “0” দেখাবে। আশা করি ডাটা টাইপ এর প্রয়োজনিয়তা নবীনদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে। পরবর্তী পর্বে আমরা যখন টেবিল নিয়ে কাজ করা হবে তখন একই সাথে ডাটা টাইপ এর উদাহরন দেওয়া হবে। ডাটা টাইপের পূর্বের টিউটোরিয়াল পর্বে ইন্টেজার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে আরো কিছু ডাটা টাইপ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

String Type : টেক্স টাইপ ডাটা ষ্টোর করার জন্য এই ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। String টাইপ ডাটা ৪ প্রকার। যথা-

1. Fixed String – সব সময় একটি নিদিষ্ট পরিমানের ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহৃতহয়। যেমনঃ বিভিন্ন কোড ষ্টোর করার কাজে।
2. Variable String – বিভিন্ন মানের বিভিন্ন সাইজের ডাটা ষ্টোর করার জন্য। যেমনঃ নাম, ঠিকানা, পদাবী ইত্যাদি ধরনের ডাটা
3. Char String – টেক্সট ধরনের ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয়। Char String টাইপ মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে। –
a. VarChar String – টেক্স টাইপ ডাটা ষ্টোর করে সাথে Variable String এর মত করে কাজ করে।
b. Char String – শুধুমাত্র টেক্সধরনের ডাটা ষ্টোর করে তবে সাথে Fixed String এর গুনাবলীও থাকে
4. Binary String – নন টেক্সট ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Binary String টাইপ ডাটাও ২ ধরনের হয়ে থাকে। –
a. Binary – নিদিষ্ট পরিমানের জন্য
b. VarBinary – VarBinary Variable পরমানের জন্য
Large Storage Type : বড় ধরনের ফাইল অথবা ডকুমেন্ট ষ্টোর করার কাজে Large Storage Type ব্যবহার করা হয়। Large Storage Type ২ প্রকার। –

BLOB Type – বড় ধরনের বাইনানি ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করে হয় এবং এটি নন টেক্সট। BLOB সাধারনত ৪ প্রকারের হয়ে থাকে। –
TinyBlob – Tainy Blob সর্বচ্চ ২৫৬ বাইট ডাটা জমা রাখতে পারবে।
Blob – Blob সর্বচ্চ ৬৪ কিলো বাইট ডাটা জমা করতে পারবে।
MediumBlob – সর্বচ্চ ১৬ মেগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর/জমা করে রাখতে পারবে MediumBlob
LongBlob – LongBlob এর ধারন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ইহা ৪ গিগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর করতে পারে।
Text Type – বড় ধরনের ডকুমেন্ট, আর্টিকেল ইত্যাদি ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
TinyText – সর্বচ্চ ২৫৬ বাইট ডাটা জমা রাখতে পারবে।
Text – সর্বচ্চ ৬৪ কিলো বাইট ডাটা জমা করতে পারবে।
MediumText – সর্বচ্চ ১৬ মেগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর/জমা করে রাখতে পারবে MediumText
LongText – LongText এর ধারন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ইহা ৪ গিগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর করতে পারে।
Date and time Type: Date and time ধরনের ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয়। ইহা চার প্রকার।–

Date – শুধু মাত্র তারিখ ষ্টোর করার ক্ষেত্রে Date ব্যবহার করা হয়। এর রেঞ্জ হচ্ছে ১০০০ – ৯৯৯৯ পর্যন্ত।
Time – সময় শুধু মাত্র Time ষ্টোর করতে পারে। এর রেঞ্জ + ৮৩৯:৫৯:৫৯ থেকে -৮৩৯:৫৯:৫৯ পর্যন্ত।
DateTime – সময় এবং তারিখ কম্বিনেশন করে রাখার কাজে ব্যবহৃত হয় DateTime.
TimeStamp – ইভেন্ট লগিন এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় TimeStamp. যখন কোন RowEffect হয় তখন TimeStamp আটোমেটিক সময় আপডেট করে।
Bit Values Type : বাইনারি বিট (0 , 1) টাইপ ডাটা ষ্টোর করার জন্য Bit Values ব্যবহার করা হয়।

BOOLEAN Types : sql এ মূলত বুলিয়েন টাইপ নেই। তবে Boolean Type হিসেবে TinyInteger ব্যবহার করা হয়। সাধারনত True এর জন্য Integer ‘1’ এবং False এর জন্য Integer ‘0’ ব্যবহার করা হয়ে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি Bit values Type ব্যবহার করা হয়।

database search Sql টিউটোরিয়াল, পর্ব – ৫ (ডাটা টাইপ)Enumeration Type : বিষেশ কিছু ক্ষত্রে এই Enumeration ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ কিছু নির্বাচিত ডাটা সেট করা থকবে ঐ নির্বাচিত ডাটা ছাড়া অন্য কোন ডাটা ষ্টোর করবেনা। উদাহরন হিসেবে বলা যায়। লিঙ্গ (পুরুষ / মহিলা) নির্বাচন করা। একটি বিষয় অবশ্যই আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে আপনি যদি Enumeration ব্যবহার করে থাকনে এবং পূর্বে থেকে সেট করা ডাটা ছাড়া অন্য কোন ডাটা ষ্টোর করার জন্য রিকোয়েষ্ট করেন তাহলে আপনি কোন Error পাবেনা কিন্তু ওয়ার্নিং পাবেন। এতে করে আপনি এই লজিকাল Error ধরতে পারবেনা না। ধরুন আপনি Sex এর টেক্সট বক্স Enumeration করে দিলেন এবং উক্ত sex কলামে নিদিষ্ট ডাটা হিসেবে ‘Male’ এবং ‘Female’ সেট করে দিলেন। এখন কেউ যদি Male / Femail ছড়া অন্য কোন ডাটা ষ্টোর করতে যায় তাহলে কোন ডাটা ষ্টোর হবেনা। Enumeration ২ ভাবে সেট করা যায় – ENUM অথবা SET কী ওয়ার্ড ব্যবহার করে।ধরুন আপনি একটি টেবিল তৈরি করবেন আর টেবিলের একটি ফিল্ড থাকবে ইমেইল এড্রেস ষ্টোর করার জন্য। আপনি টেবিল তৈরি করার সময় প্রথম ফিল্ডটি ইন্টেজার বলে দিলেন। ফলে আপনি যখন ঐ ফিল্ডে ইমেল এড্রেস ষ্টোর করবেন কিন্তু কোন ইমেইল এড্রেস ষ্টোর হবেনা কারন ইন্টেজার টাইপ ডাটা শুধু মাত্র নাম্বার সাপোর্ট করে কিন্তু রিয়েল অথবা টেক্সট টাইপ ডাটা ষ্টোর করতে পারেনা। তাই ফলাফল “0” দেখাবে। আশা করি ডাটা টাইপ এর প্রয়োজনিয়তা নবীনদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে। পরবর্তী পর্বে আমরা যখন টেবিল নিয়ে কাজ করা হবে তখন একই সাথে ডাটা টাইপ এর উদাহরন দেওয়া হবে। ডাটা টাইপের পূর্বের টিউটোরিয়াল পর্বে ইন্টেজার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে আরো কিছু ডাটা টাইপ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

String Type : টেক্স টাইপ ডাটা ষ্টোর করার জন্য এই ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। String টাইপ ডাটা ৪ প্রকার। যথা-

1. Fixed String – সব সময় একটি নিদিষ্ট পরিমানের ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহৃতহয়। যেমনঃ বিভিন্ন কোড ষ্টোর করার কাজে।
2. Variable String – বিভিন্ন মানের বিভিন্ন সাইজের ডাটা ষ্টোর করার জন্য। যেমনঃ নাম, ঠিকানা, পদাবী ইত্যাদি ধরনের ডাটা
3. Char String – টেক্সট ধরনের ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয়। Char String টাইপ মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে। –
a. VarChar String – টেক্স টাইপ ডাটা ষ্টোর করে সাথে Variable String এর মত করে কাজ করে।
b. Char String – শুধুমাত্র টেক্সধরনের ডাটা ষ্টোর করে তবে সাথে Fixed String এর গুনাবলীও থাকে
4. Binary String – নন টেক্সট ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Binary String টাইপ ডাটাও ২ ধরনের হয়ে থাকে। –
a. Binary – নিদিষ্ট পরিমানের জন্য
b. VarBinary – VarBinary Variable পরমানের জন্য
Large Storage Type : বড় ধরনের ফাইল অথবা ডকুমেন্ট ষ্টোর করার কাজে Large Storage Type ব্যবহার করা হয়। Large Storage Type ২ প্রকার। –

BLOB Type – বড় ধরনের বাইনানি ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করে হয় এবং এটি নন টেক্সট। BLOB সাধারনত ৪ প্রকারের হয়ে থাকে। –
TinyBlob – Tainy Blob সর্বচ্চ ২৫৬ বাইট ডাটা জমা রাখতে পারবে।
Blob – Blob সর্বচ্চ ৬৪ কিলো বাইট ডাটা জমা করতে পারবে।
MediumBlob – সর্বচ্চ ১৬ মেগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর/জমা করে রাখতে পারবে MediumBlob
LongBlob – LongBlob এর ধারন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ইহা ৪ গিগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর করতে পারে।
Text Type – বড় ধরনের ডকুমেন্ট, আর্টিকেল ইত্যাদি ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
TinyText – সর্বচ্চ ২৫৬ বাইট ডাটা জমা রাখতে পারবে।
Text – সর্বচ্চ ৬৪ কিলো বাইট ডাটা জমা করতে পারবে।
MediumText – সর্বচ্চ ১৬ মেগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর/জমা করে রাখতে পারবে MediumText
LongText – LongText এর ধারন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ইহা ৪ গিগা বাইট পর্যন্ত ডাটা ষ্টোর করতে পারে।
Date and time Type: Date and time ধরনের ডাটা ষ্টোর করার কাজে ব্যবহার করা হয়। ইহা চার প্রকার।–

Date – শুধু মাত্র তারিখ ষ্টোর করার ক্ষেত্রে Date ব্যবহার করা হয়। এর রেঞ্জ হচ্ছে ১০০০ – ৯৯৯৯ পর্যন্ত।
Time – সময় শুধু মাত্র Time ষ্টোর করতে পারে। এর রেঞ্জ + ৮৩৯:৫৯:৫৯ থেকে -৮৩৯:৫৯:৫৯ পর্যন্ত।
DateTime – সময় এবং তারিখ কম্বিনেশন করে রাখার কাজে ব্যবহৃত হয় DateTime.
TimeStamp – ইভেন্ট লগিন এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় TimeStamp. যখন কোন RowEffect হয় তখন TimeStamp আটোমেটিক সময় আপডেট করে।
Bit Values Type : বাইনারি বিট (0 , 1) টাইপ ডাটা ষ্টোর করার জন্য Bit Values ব্যবহার করা হয়।

BOOLEAN Types : sql এ মূলত বুলিয়েন টাইপ নেই। তবে Boolean Type হিসেবে TinyInteger ব্যবহার করা হয়। সাধারনত True এর জন্য Integer ‘1’ এবং False এর জন্য Integer ‘0’ ব্যবহার করা হয়ে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি Bit values Type ব্যবহার করা হয়।

database search Sql টিউটোরিয়াল, পর্ব – ৫ (ডাটা টাইপ)Enumeration Type : বিষেশ কিছু ক্ষত্রে এই Enumeration ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ কিছু নির্বাচিত ডাটা সেট করা থকবে ঐ নির্বাচিত ডাটা ছাড়া অন্য কোন ডাটা ষ্টোর করবেনা। উদাহরন হিসেবে বলা যায়। লিঙ্গ (পুরুষ / মহিলা) নির্বাচন করা। একটি বিষয় অবশ্যই আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে আপনি যদি Enumeration ব্যবহার করে থাকনে এবং পূর্বে থেকে সেট করা ডাটা ছাড়া অন্য কোন ডাটা ষ্টোর করার জন্য রিকোয়েষ্ট করেন তাহলে আপনি কোন Error পাবেনা কিন্তু ওয়ার্নিং পাবেন। এতে করে আপনি এই লজিকাল Error ধরতে পারবেনা না। ধরুন আপনি Sex এর টেক্সট বক্স Enumeration করে দিলেন এবং উক্ত sex কলামে নিদিষ্ট ডাটা হিসেবে ‘Male’ এবং ‘Female’ সেট করে দিলেন। এখন কেউ যদি Male / Femail ছড়া অন্য কোন ডাটা ষ্টোর করতে যায় তাহলে কোন ডাটা ষ্টোর হবেনা। Enumeration ২ ভাবে সেট করা যায় – ENUM অথবা SET কী ওয়ার্ড ব্যবহার করে।
resource:MySQL

http://salearningschool.com/searchResult.php?queryStr=mysql&submit=Search+Database

contact: shahriarxfactor@gmail.com

.নেট ইন্টারনেটের ডোমেন নাম সিস্টেম ব্যবহৃত একটি জেনেরিক টপ লেভেল ডোমেইন

.নেট ইন্টারনেটের ডোমেন নাম সিস্টেম ব্যবহৃত একটি জেনেরিক টপ লেভেল ডোমেইন। এটি যে কোন ওয়েব সাইটের ঠিকারা তৈরীর কাজে লাগে। এটি বিভিন্ন সংগঠন এবং বিভিন্ন অবকাঠামো কোম্পানীতে প্রযুক্তির কাজে ইন্টারনেট সেবার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে অনেক জনপ্রিয় এবং .নেটের বিকল্প হিসেবে .কম ব্যবহার করা হয়। .নেট হচ্ছে অরিজিনাল টপ লেভেল ডোমেইন, যেটি তৈরী হয় ১৯৮৫ সালের জানুয়ারী মাসে। এটি ইন্টারনেট প্রযুক্তির কাজে অনেক গুরুত্বপূর্ ভূমিকা পালন করে, কেননা এটি ছাড়া উন্নতমানের ওয়েব সাইট তৈরী করা প্রায় অম্ভব হয়ে পড়ে।

এ্যাপাচি ওয়েবসার্ভার: মৌলিক কনফিগারেশন

এ্যাপাচি ওয়েবসার্ভার: মৌলিক কনফিগারেশন:
Faruk Hosen

গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) টুলস :

এ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার কনফিগার করার জন্য কিছু গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস টুলস আছে কিন্তু তারা বেশিরভাগই মৌলিক বা মধ্যবর্তী স্তরে কনফিগারেশন করে। উন্নত কনফিগারেশন জন্য কনফিগারেশন ফাইল পরিবর্তন করতে হবে। কিছু গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস টুলস হল: Comanche , TkApache , LinuxConf , WebMin , ApacheConf , user_manage। তাদের মধ্যে, Webmin হল ব্রাউজার ভিত্তিক এবং অন্যদের চেয়ে ভাল পছন্দ হতে পারে।

বেসিক এ্যাপাচি কনফিগারেশন হল নিম্নরূপ:
এ্যাপাচির তিনটি কনফিগারেশন ফাইল আছে:
httpd.conf
access.conf
srm.conf

httpd.conf ফাইলটি হল মূল ফাইল এবং আপনি অন্যান্য ফাইলগুলো ভুলে যেতে পারেন।
একটি মৌলিক কনফিগারেশন ফাইল নিম্নরূপ হতে পারে :
সারভারঃ www.justetc.net
হোস্ট নাম ……
ওয়েবসাইট URL 192.168.0.1:80
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের 192.168.0.1
এবং পোর্ট 80
ইউজারঃ nobody
এ্যাপাচি সার্ভারের সঙ্গে সংযোগের জন্য ইউজারঃ nobody
ডিফল্ট গ্রুপঃ nobody
সার্ভার এডমিনঃ admin@justetc.net
ServerRoot /usr/locale/apacheঃ এ্যাপাচি প্রধান ওয়ার্কিং ফোল্ডার, যেখানে এ্যাপাচি তার অপরিহার্য ফাইলগুলো রাখে।
ErrorLog logs/error_logঃ এরর ট্র্যাক করে রাখার জন্য
TransferLog logs/access_logঃ এক্সেস চেক করার জন্য, যা ওয়েবসাইট মন্থর করতে পারে।
DocumentRoot /home/www/justetcঃ আপনি আপনার নিজের ইউজার তৈরি এবং ওয়েব পেজ অ্যাক্সেস করতে ব্যাবহার করতে পারেন।

http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=638

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: সংক্ষিপ্ত ধারণা (Introduction to Computer Networks)

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: সংক্ষিপ্ত ধারণা

Rahim Ullah

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তত্ত্বের উপর একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা পেতে, নিচে দেওয়া লিঙ্ক গুলো চেক করুন। ঐগুলো কি আপনার জানা প্রয়োজন? যদি আপনি একটি নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে কাজ করতে চান, এই বিষয় পরিচিতি/সংক্ষিপ্ত বিবরণ আবস্যই আপনাকে সাহায্য করবে। আপনি যদি Cisco এর মত কোম্পানীর জন্য নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, রাউটিং প্রোটোকল, রাউটার এর জন্য অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার সুইচিং, ল্যান এবং ওয়ান ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার [এই কাজের জন্যও বাস্তব বুদ্ধি প্রয়োজন] ইত্যাদি কাজ করতে চান, এই বিষয় একটি গভীর ধারনার প্রয়োজন।

• শিখুন টপিক
• শিখুন টপিক নেভিগেশন আলোচনা
• শিখুন টপিক নেভিগেশন পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড
• কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নেভিগেশন বিভিন্ন রিসোর্স
• আপনার প্রোটোকল পরীক্ষার জন্য নেটওয়ার্ক সিমিউলেটর সফটওয়্যার

http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=1022

আপনার প্রথম ব্ল্যাকবেরী অ্যাপ্লিকেশন (Your First Blackberry Application)

আপনার প্রথম ব্ল্যাকবেরী অ্যাপ্লিকেশন

ধারণা: আপনার ব্ল্যাকবেরী ওয়েব সাইট থেকে J2SE, JDE, ব্ল্যাকবেরি ডিভাইস সিমিউলেটর ইনস্টল করতে হবে। JDE এ আপনি ব্ল্যাকবেরী অ্যাপ্লিকেশন লিখতে পারেন। আপনি যখন JDE এ আপনার অ্যাপ্লিকেশন চালাবেন, তখন অ্যাপ্লিকেশনটি একটি সিমিউলেটেড ব্ল্যাকবেরী ডিভাইসের মধ্যে চলবে। যখন আপনি আপনার ডেভেলপমেন্ট সম্পন্ন করবেন, তখন আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি একটি রিয়েল ব্ল্যাকবেরী ডিভাইস এ স্থাপন করতে পারবেন।

http://salearningschool.com

PHP: (পিএইচপি শেখার জন্য সেরা ৬টি সাইট)

PHP: (পিএইচপি শেখার জন্য সেরা ৬টি সাইট)
এখানে আমার দেখা এবং বিস্তারিত আলোচনা করে এমন ৬টি সাইট এর ঠিকানা আপনাদের শেয়ার করবো।

১. http://W3schools.com
w3schools হচ্ছে ইন্টারনেট-এ অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সহজ একটি সাইট। ওয়েব ডেভেলপিং শেখার জন্য আমার পছন্দের ১ নং সাইট এটি। এটি বিশ্বের সব ব্যবহারকারীদের জন্য উম্মুক্ত এবং ফ্রী। আমি নিজেও এর থেকে শিখতে সাচ্ছন্দ বোধ করি। বেসিক ও এ্যাডভান্স দুই বিভাগে বিস্তারিত টিউটোরিয়াল পাবেন এখানে। আর শুধু পিএইচপি- না, ওয়েব সাইট ডিজাইনার হিসাবে গড়ে উঠতে যা যা শিখতে লাগে তার সব কিছুই ফ্রী শিখতে পারবেন এখানে ধেকে। উল্লেখ্য, আপনি সম্পূর্ন শিখার পরে স্কীল টেষ্ট দিতে পারবেন। তবে, তাদের থেকে সার্টিফিকেট নিতে হলে সর্বনিম্ন হলেও ৯৫ ডলার গুনতে হবে। নিচের ইমেজটি ক্লিক করে সাইটটির পিএইপি পেজে প্রবেশ করতে পারবেন।

 

২. http://Php.net:
শুধু মাত্র পিএইচপি শিখার জন্য অন্যতম উতকৃষ্ট সাইট। একদম বিগেনার পর্যায় থেকে যারা পিএইচপি শিখতে আগ্রহী তারা এই সাইটি ফলো করতে পারেন নিচের ইমেজটিকে ক্লিক করে।

 

৩. http://About.com
এ্যাবাউট.কম, এই সাইটে এমন কোন বিষয় নাই যে তা নিয়ে টিউটোনিয়াল লিখা হয় নাই। সারা বিশ্বের অনেক প্রসিদ্ধ লেখকরা এখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখেন। পিএইপি-ও তার মধ্যে অন্যতম। এখানে পিএইচপি এর এ্যাডভান্স বিষয়াবলী নিয়ে বিস্তারিত টিউটোরিয়াল আলোচনা করা হয়।

 

৪. http://Tizag.com
পিএইচপি নিয়ে যারা গবেষনা করতে ইচ্ছুক তারা এই সাইটটিকে ফলো করতে পারেন। এখানে ব্যবহারিক বিষয়গুলো এতটাই সুক্ষভাবে বুঝানো হয়েছে যে, আপনি অন্তত্য এক মাসের মধ্যেই পিএইচপি তে ভাল জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

 

৫. http://Quackit.com
বেসিক ও এ্যাডভান্স দুই ক্যাটাগরিতে বিভক্ত এই সাইটটি থেকেও সহজে পিএইচপি শিখতে পারবেন। সাইটি ভিজিট করুন নিচের থেকে।

 

৬. http://Freewebmasterhelp.com
নাম দেখেই বুঝা যাচ্ছে এটিও ফ্রী সাইট। সাইটিতে প্রতিটি বিষয় বিস্তারিত বর্ননা করা আছে। যে কেউ সহজেই বুঝতে সক্ষম হবে ইংরেজীতে সামান্য জ্ঞান তাকলেই।
এই হল আমার পছন্দের ৬টি পিএইচপি শিখার সাইট। তবে, সাইটগুলো থেকেই যে আপনি সব শিখতে পারবেন তা নয়। কারন পিএইচপি এমন একটি স্ক্রীপট যার কোন শেখার শেষ নাই। আমরা আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনের জন্য যতটুকু না হলেই নয় তা আমাদের জানতে হবে। আর জানার বাহিরেও যদি কোন প্রয়োজন আসে তবে সাচ করেই তার স্ক্রীপট পাওয়া সম্ভব।
তাই, নিজে শিখুন এবং অন্যকেও উতসাহিত করুন পিএইচপি শিখতে।

MySQL এর ডাটাবেজ কে সুরক্ষিত করা

MySQL এর ডাটাবেজ কে সুরক্ষিত করা
————————————————-
MySQL ইন্সটলেশনের পর আমাদের টেস্ট ডাটাবেজ, সংশ্লিষ্ট ইউজার এবং তাদের পারমিশন অপসারন করতে হবে । পদ্ধতিটি নিচে ব্যখ্যা করা হলঃ

— DROP DATABASE test;

— SELECT db.Host, db.Db, db.User, db.Select_priv -> FROM db WHERE (db.DB =

“vworksDB”);

— SELECT db.User, db.Host, db.Db -> FROM db -> WHERE (db.Db LIKE ‘test%’);

— DELETE FROM db

-> WHERE (db.Db LIKE ‘test%’);

—

mysql> DELETE FROM db

-> WHERE (db.Host = “%”);

mysql> DELETE FROM db

-> WHERE (db.User = “”);

— SELECT user.Host, user.User

-> FROM user

-> WHERE ((user.Host = “%”) OR (user.User = “”));

—

DELETE FROM user -> WHERE ((user.Host = “%”) OR (user.User = “”)); —

FLUSH PRIVILEGES; —

Reference: http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=598

MySQL বিষয় গুলো: MySQL শুরু

MySQL বিষয় গুলো: MySQL শুরু
মোঃ আনিসুর রহমান ইমন
https://www.facebook.com/casperemon

Mysql Resources:
প্রথমে আপনাকে MySQL এর সর্বশেষ ভার্শন অথবা স্থিথিশিল ভার্শন টি সংগ্রহ করতে হবে।
এখন সর্বশেষ ভার্শন ৫.৬.১৬ । Mysql এর দুটি ভিন্ন সংস্করন আছে । একটি হল community server[ফ্রী] এবং অন্যটি enterprise server[বাণিজ্যিক]
MySQL ডাউনলোড করা:
আপনি নিচের লিঙ্ক থেকে MySQL ডাউনলোড করতে পারেনঃ
http://dev.mysql.com/downloads/installer/5.6.html

Mysql নিয়ে কাজ করা:
ইন্সটল করার পর আপনি Mysql সার্ভার এর সাথে কমান্ড লাইন এর মাধ্যমে কাজ করতে পারেন। কমান্ড লাইন ব্যাবহার করার জন্য অবশ্যই আপনাকে এ বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে। কিন্ত আপনি চাইলে GUI IDE ও ব্যাবহার করতে পারেন। GUI টুলস আপনি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেনঃ
http://dev.mysql.com/downloads/gui-tools/5.0.html

 

GUI দুই প্রকার:
MySQL সার্ভার চালাতেঃ ব্যাকআপ, রিস্টোর, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপারে ব্যাবহার হয়।
উন্নয়নে: ডাটাবেস তৈরিতে এবং ডাটাবেসের টেবিল, কিওরিস, সঞ্চয় প্রক্রিয়া, ট্রিগার ইত্যাদি।

অ্যাপ্লিকেশান উন্নয়ন:
আপনি এমন অ্যাপ্লিকেশান তৈরি করতে পারেন যেগুলো ব্যাকএন্ডে MySQL ডাটাবেস ব্যাবহার করে। আপনি MySQL ডাটাবেসের সাথে কাজ করার জন্য PHP, Perl, Java, .net এই ভাষা গুলো ব্যাবহার করতে পারেন। সাধারণত, কাজ করার জন্য এগুলোর সাথে ড্রাইভার দেয়া থাকে। অথবা আপনি নিচের লিঙ্ক থেকে Java, PHP, Perl এবং সাদৃশ্যপূর্ণ অন্যান্য ভাষার জন্য ড্রাইভার ডাউনলোড করে নিতে পারেনঃ

http://dev.mysql.com/downloads/connector/

Source of this article: http://www.salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=606

PHP হল web development এর একটি বৃহত্তর অংশ

Nazmul Hasan

PHP হল web development এর একটি বৃহত্তর অংশ। এটির আর একটি বড় পরিচয় হল এটি ওপেন cms এর একটি codding works. বর্তমানে PHP দিয়েই দূত গতিতে আগাচ্ছে এবং এটির ব্যাবহার ও বাড়ছে। wordpress হল website কে যেকোন পরিবর্তন যোগ্য করার জন্য ব্যাবহার করা হয়। আর এই বড় কাজটি করে PHP ।
আপনি যখন একটি ওয়েব সইট এর জন্য কোডিং করবেন তখন ওয়েব স্‌ইটের মধ্যে কোন image আনতে হলে লিখতে হচ্ছে

{

<img src=”your image location”/>

}

 

কিন্তু এটি PHP তে wordpress এ করতে হলে লিকতে হচ্ছে

{

 

<img src=”<? php eco get_template_directory(); ?>/your image location”/>

 

} ।
সুতরাং এটি একটি গুরুত্ব পূর্ন বিষয়।

2. http://salearningschool.com/index.php?table=Articles&categoryID=16&category=PHP