ফিল্যান্সিং হচ্ছে ঘরে বসে ইন্টারনেটি কোন টাকা বিনিয়োগ না করে কোন দেশী বা বিদেশী ব্যক্তি বা কোম্পানীকে স্বাধীনভাবে কাজ করে দেয়াকে বুঝায়

১) ফিল্যান্সিং হচ্ছে ঘরে বসে ইন্টারনেটি কোন টাকা বিনিয়োগ না করে কোন দেশী বা বিদেশী ব্যক্তি বা কোম্পানীকে স্বাধীনভাবে কাজ করে দেয়াকে বুঝায়। ফিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়।যে কেউ ইচ্ছে করলে ফ্রিলান্সিং এ কাজ করতে পারে। ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার.কম, গুরু.কম, ই-ল্যান্স.গেম ইত্যাদি ওয়েব সাইটকে আমরা ফ্রিল্যান্সিং সাইট হিসেবে ধরতে পারি কেননা এব সাইটে কাজ করার জন্য কোন অর্থ বিনিয়োগের দরকরা হয় না, দরকার হয় শুধু দক্ষতার। যে কেউ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে কাজে বিড করে কাজ করতে পারে।

সুতরাং বলা যায় যে, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ঘসে নিজের স্বাধীন মত স্বল্প মেয়াদে কোন কাজ প্রদানকারীর অধীনে কাজ করা যায়। যেখানে নিজে স্বাধীনতা থাকে এবং কাজের জন্য কাজ প্রদানকারীকে কাজের জন্য কোন ধরনের জবাবদিহি করতে হয় না। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা এই সাইটে কাজ করে মাসে ৩০০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা উপার্জন করা যায়।

 

মোবাইলে পড়ুন PDF ফাইল: How to read PDF files in Mobile Devices.

নাম: মুতাসিম বিল্লাহ সুমন
ইমেইল: sumon47@ymail.com

মোবাইলে পড়ুন PDF ফাইল:

আমরা অনেকেই PDF ফাইলের সাথে খুবই পরিচিত। আমরা সাধারণত আমাদের কম্পিউটারে এই ফাইলগুলো পড়ে থাকি। এই ফরম্যাটের ফাইল গুলো পড়তে হলে আপনারা জানেন যে, কম্পিউটারে পূর্ব থেকেই Adobe Reader সফটওয়ার ইন্সটল করা থাকতে হয়। কিন্তু এই ফাইলগুলো যদি আপনাকে মোবাইলে পড়তে বলা হয় আপনি কি পারবেন? হয়তো পারবেন না এবং হয়তো ভাবছেন এটা সম্ভব নয়। কিন্তু এটা সম্ভব এবং কিভাবে সম্ভব আমি আজ আপনাদের সেটি জানাবো।

এই কাজটি আপনি খুব সহজে করতে পারবেন Adobe PDF Reader 2012 এর Java ভার্সন ব্যবহার করে। ভাবছেন কোথা থেকে আপনি এই সফটওয়ারটি সংগ্রহ করবেন? চিন্তার কোনও কারণ নেই। আপনার মোবাইলের ব্রাউজার ব্যবহার করে নিচের লিংকটিতে চলে যান এবং মূল্যবান এই সফটওয়ারটি ফ্রিতে ডাউন লোড করে নিন। আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করেও সফটওয়ারটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

http://phoneky.com/java-software/?p=view-item&v=9&st=4&id=a9a24899

এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করে আপনি আপনার মোবাইলে খুব সহজে PDF ফরম্যাটের ফাইল গুলো পড়তে পারবেন। আরও সুবিধা এই যে, এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করে আপনি অনলাইন ও অফলাইন দুই অবস্থায় কাজ করতে পারবেন।

আশাকরি এই তথ্যটি আপনাদের অনেক কাজে লাগবে। আজ এই পর্যন্ত। আগামীতে আপনাদের জন্য আরও নতুন তথ্য নিয়ে আমি হাজির হবো।

জাভা – আন্ড্রয়েড প্রোগ্রামিং এর ভাষা। Java and Android Programming.

জাভা – আন্দ্রয়েড প্রোগ্রামিং এর ভাষা।

নাম – ওয়াসী হক।

আন্দ্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করা সবার শখ। আন্দ্রয়েড অ্যাপ বানানোর জন্য যেই ল্যাঙ্গুয়েজটা জানা দরকার, সেইটা হল জাভা। এক্সএমএল ও জাভার সমন্বয়ে আন্দ্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করা হয়। জাভাতে কোডিং বেশ সহজ, কিছু সাধারণ জিনিস মনে রাখতে হয়।

১) এক লাইন কোড লেখার পর অবশ্যই অবশ্যই “;” দিতে ভুলবেন না। নতুন কোডার দের বেশি ভাগ এরর সেমি – কলন না দেওয়ার জন্য হয়।

২) বেশি “মেথড” নিয়ে কাজ করার সময় চেষ্টা করবেন সব ব্র্যাকেট (), {}, [] স্ক্রীনের মধ্যে রাখতে। নতুন অবস্থায় আমি যা ভুল করতাম তা অনেক সময় ব্র্যাকেট ক্লোজ না করার এরর হত।

আমি যেই টিপস গুলো দিলাম, কোন প্রোগ্রামের এই টিপস গুলো আপনাকে দেবে না। একজন কোডার হিশেবে প্রথম প্রথম যেই সমস্যায় আমি পড়তাম, সেইগুলো সমাধান করার চেষ্টা করলাম।

সফটওয়্যার কি? এটি কিভাবে কাজ করে?

কম্পিউটার সফটওয়্যার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম হয়। সফ্টওয়্যার পরিষ্কারভাবে বর্ণিত নির্দেশাবলী দাড়া গঠিত যেটা হার্ডওয়্যারকে কোন কাজ করার জন্য নির্দেশ করে। সফটওয়্যার কম্পিউটার মেমরির মধ্যে সংরক্ষিত হয় এবং স্পর্শ করা যায় না। সফটওয়্যার সাধারণত মানুষের ব্যবহার করার জন্য সহজ এবং আরো দক্ষ যে উচ্চ পর্যায়ের প্রোগ্রামিং ভাষা দাড়া তৈরী করা হয়। যে সব সমস্যা একজন মানুষের করতে অনেক সময় লাগে, সেটা কম্পিউটার সফটওয়্যার দিয়া খুব সহজে এবং কম সময়ে করা যায়। সাধারণত মানুষের দাড়া কোন কাজ করলে যে পরিমান টাকা খরচ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে , কম্পিউটার সফটওয়্যার এর দাড়া একই কাজ করলে অনেক কম খরচ হবে।

‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’ ওয়েব নামে পরিচিত। ওয়েব একটি সিস্টেম যেটা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ডকুমেন্টকে ব্যবহার করতে সাহায্য করে। একটি ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে, এক লেখা, চিত্র, ভিডিও, এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া যে ওয়েব পেজে দেখানো যায়।

মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট একটা পথ যেটা অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার যেমন ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহায়ক, এন্টারপ্রাইজ ডিজিটাল সহায়ক বা মোবাইল ফোন হিসেবে কম ক্ষমতা হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস এর জন্য উন্নত হয়।এই অ্যাপ্লিকেশনের বিভিন্ন মোবাইল সফটওয়্যার ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্মের থেকে গ্রাহকদের দ্বারা ডাউনলোড করা, উৎপাদন সময় ফোনে প্রাক ইনস্টল করা যাবে। এখনকার সময় প্রায় সকল লোক মোবাইল এপ্লিকেশন তার মোবাইল এ মোবাইল এপ্লিকেশন ব্যবহার করে।

 

পেনড্রাইভের অটোপ্লে বা অটোরান বন্ধ করুন. How to stop autorun for pen drives.

পেনড্রাইভের অটোপ্লে বা অটোরান বন্ধ করুনঃ

পেনড্রাইভের মাধ্যমে কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়ায়। যখন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ড লাগানো হয় তখন অনেক সময় পেনড্রাইভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায় যাকে বলা হয় অটোরান আর যদি মেমরি কার্ডে বা পেনড্রাইভে ভাইরাস থাকে তখনই তা কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।এবং কম্পিউটারের কাজকে ধীরগতি করে দেয়।
আর এই পেনড্রাইভের অটোপ্লে বা অটোরান বন্ধ করার জন্য যেটা করতে হবে, তা হলঃ

• Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করে বক্সে gpedit.msc লিখে Enter বা ok-তে ক্লিক করতে হবে।
• তার পর যে উইন্ডোটি আসবে সেখান থেকে User configuration-এর বাম পাশের (+)-এ ক্লিক করতে হবে।
• তারপর Administrative Templates-এর বাম পাশের (+)-এ ক্লিক করতে হবে ।
• তারপর System-এ ক্লিক করলে দেখা যাবে যে ডান পাশের উইন্ডোতে Turn off Autoplay নামে একটি লেখা এসেছে।
• সেখানে ডবল ক্লিক করতে হবে এবং Enable নির্বাচন করে করতে হবে এবং Turn off Autoplay on অংশে All drives নির্বাচন করে ok করে বেরিয়ে আসতে হবে।

এখন কাজ শেষ, দেখুনত এখন আপনার পেনড্রাইভ অটোপ্লে বা অটোরান হয় কি না । তবে মনে রাখতে হবে যে পেনড্রাইভ কখনো ডবল ক্লিক করে খুলা যাবে না। প্রয়োজনে মাই কম্পিউটার ওপেন করে ফোল্ডার অপশনের সাহায্যে পেনড্রাইভ নির্বাচন করে খুলতে হবে তবে Ant virus দিয়ে স্ক্যান করে খোলা অনেক ভাল।

আউটসোর্সিং : Outsourcing stuff

আউটসোর্সিং : Outsourcing stuff

রিফাত জামিল ইউসুফজাই
——————————

বাংলাদেশে এই মূহুর্তে আউটসোর্সিং অত্যন্ত জনপ্রিয়, হাজারো তরুণ চাকুরী নামের সোনার হরিণের পিছনে না ছুটে ঘরে বসেই আয় করছেন এবং ভালভাবেই জীবন চালাচ্ছেন। অনেক তরুণ স্বপ্ন দেখেন এই আউটসোর্সিং এর জগতে পা রাখার, কিন্তু তারা হয়তো ঠিক জানেন না ঠিক কি ভাবে শুরু করতে হবে। আজকের এই লেখাতে আমরা জানবো কি করে শুরু করবেন আপনার আউটসোর্সিং ক্যারিয়ার।

আউটসোর্সিং কি?

সোজা বাংলায় চুক্তিভিত্তিক কাজ। কেউ কোন একটা কাজ করাতে চান, তার বাজেট জানান, কতদিনের মধ্যে করতে হবে সেটা বলে দেন। ইনি হলেন ক্লায়েন্ট। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা বলেন, কত টাকায় করে দিতে পারবেন সেটা জানান। ইনি হলেন ওয়ার্কার। ক্লায়েন্ট এক বা একাধিক ওয়ার্কার নিয়োগ দেন।

কোন বিষয়ে কাজ

ডেটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে জটিল প্রোগ্রাম তৈরী করা – নানা রকম কাজ পাওয়া যায়। কাজ দু’ভাবে করা হয় ঘন্টাভিত্তিক অথবা ফিক্সড রেট। আর এই সব কাজ পাওয়ার জন্য আছে বিভিন্ন মাধ্যম বা সাইট। যেমন –

ছোট-খাট কাজের জন্য www.microworkers.com অথবা www.fiverr.com

মাইক্রোওয়ার্কার্স এ সাধারণত পিটিসি ইত্যাদি সাইটে সাইনআপ, ব্লগ বা ফোরামে কমেন্ট ইত্যাদি কাজ পাওয়া যায়। পেমেন্ট হয় ১০ সেন্ট থেকে দেড়-দুই ডলার। ফিভারে যে কোন কাজেরই মিনিমাম পেমেন্ট ৫ ডলার।

যারা কোনদিনও আউটসোর্সিং করেন নাই তাদের জন্য উপরের দুইটি সাইট হলো হাতেখড়ি’র জন্য। তবে সত্যিকারের বড় এবং জীবন চালানোর মতো কাজ পেতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ইল্যান্স এবং ওডেস্ক এর সদস্য হতে হবে। ইল্যান্সের ওয়েব সাইটে দেখা যায় একজন বাংলাদেশী ওয়ার্কার ২০১২ সালে আউটসোর্সিং এর কাজ করে ১৮ হাজার ডলার উপার্জন করেছেন। এই দুই সাইটের ঠিকানা হলো

www.elance.com এবং www.odesk.com

এই দুই সাইটে আপনাকে প্রথমে সাইনআপ করতে হবে। এরপর একটা প্রোফাইল তেরী করতে হবে। আপনি যে সব বিষয়ে দক্ষ সেসব বিষয়ে নানা রকম টেষ্ট আছে। সেগুলো দিয়ে এবং পাশ করে নিজেকে তৈরী করতে হবে আউটসোর্সিং কাজের জন্য। তবে ডেটা এন্ট্রি কাজের জন্য আলাদা করে কোন টেষ্ট নেই। তবে আপনি বেসিক ইংরেজী এবং ইংরেজী স্পেলিং এই দু’টো টেষ্ট দিয়ে রাখলে ভাল করবেন।

তবে শুরু হোক আপনার পথ চলা।

বাংলাদেশের কম্পিউটার ও যোগাযোগ খাতে বিপ্লব

বাংলাদেশের কম্পিউটার ও যোগাযোগ খাতে বিপ্লব
বর্তমানে বাংলাদেশে কম্পিউটার ও যোগাযোগ খাতে অনেক উন্নয়ন সাধন হয়ছে। এখন প্রায় প্রতিটি ঘরে কম্পিউটার রয়েছে। মানুষের মধধে কম্পিউটার বিষয়ক সচেতনতাও বেড়েছে। সহজলোভ্য ইন্টারনেট মানুষের জীবনকে আরও সহজ করে দিয়েছে। অনেকেই এখন ইন্তেরনেতের মাধ্যমে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করছে। অনেকেই এখন কম্পিউটারে টাইপিং, আর্টিকেল লেখা ইত্যাদি কাজ শিখসে এবং সেগুলো বাস্তব জিবনে কাজে লাগাচ্ছে। এছারাও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার বিষয়ক বিভিন্ন করছ চালু করেছে যার ফলে মানুষ কম্পিউটারকে কিভাবে পুরোপুরি ভাবে উন্নয়ন এর কাজে ব্যাবহার করা যায় তা যানছে।

 

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং এটা কার জন্য উপযোগী? What is freelancing? Who should/can do it?

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং এটা কার জন্য উপযোগী?

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং শব্দটি এতটাই জনপ্রিয় যে আমরা সবাই কম-বেশি এটা সম্পর্কে জানি এবং সবাই ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয় করতে আগ্রহী। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ফ্রিল্যান্সিং কি এবং এটা কাদের জন্য উপযোগী।

ফ্রিল্যান্সিং কি?
এক কথায়, ফ্রিল্যান্সিং হল স্বাধীনভাবে কাজের মাধ্যমে আয় করা। অন্যভাবে আমরা বলতে পারি, কেউ স্বাধীনভাবে কোনো বায়ার অথবা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কাজের মাধ্যমে আয় করা। এখানে যে কাজ দিবে তাকে বায়ার অথবা ক্লায়েন্ট এবং যে কাজ করবে তাকে ফ্রিল্যান্সার বলে। আর এই সমস্ত পদ্ধতিকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং।

ফ্রিল্যান্সিং কাদের জন্য?
ফ্রিল্যান্সিং সবার জন্য উপযোগী কিন্তু আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট চালানো সম্পর্কে সাধারণ দক্ষতা থাকতে হবে। কিন্তু আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং থেকে ভাল পরিমান আয় করতে অবশ্যই কাজ জানতে হবে।

আপনি কাজ জানলে নিম্নলিখিত সাইটে কাজের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।
1. www.freelancer.com
2. www.odesk.com
3. www.rentacoder.com
4. www.elance.com
5. www.joomlancers.com

এটা প্রথম প্রকাশ করা হয় এখানেঃ http://www.wrongdhonu.com/2012/08/concept-about-freelancing.html

লেখকঃ মোস্তাফিজুর ফিরোজ।
ওয়েবসাইটঃ www.firoz.me

সফল হতে হলে ফ্রীল্যানসিং এ? How to be successful in freelancing?

সফল হতে হলে ফ্রীল্যানসিং এ
ফ্রীল্যানসার বা মুক্তপেশাজীবী হওয়াটা আজকের তরুনদের কাছে সবচেয়ে বড় স্বপ্নের বিষয়। কিন্তু আসলেই কি তারা সফল হতে পারছে ? উত্তরটা সহজ, না। কিন্তু এত সম্ভাবনাময় এই পেশায় বাংলাদেশের তরুনদের কেন এই অসহায় অবস্থা ? কারনটাও খুব সহজ। আমাদের দেশের তরুণরা রাতারাতি ধনী হতে চায়। কাজের চেয়ে টাকা বেশি পেতে চায়। সেজন্য নানান প্রতিষ্ঠান বা সাইট এর লোভনীয় প্রচারণার ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারিত হছেন। পিটিসি, অনলাইন সার্ভের মত অনেক সাইট এ তারা অনেক টাকা আয় করছেন কিন্তু সেটা আর তোলা হছে না। এভাবে ফ্রীল্যানসিং হয় না। ব্যাপারটা সহজ। যারা নিউটনের শক্তির নিত্যতা সূত্র জানেন তারা সহজে বুঝতে পারবেন। আপনি কাজ করবেন না কিন্তু টাকা নেবেন সেটা হতে পারে না। শুধু ক্লিক করে টাকা আয় করা যায় না। ফ্রীল্যানসিং যদি করতেই হয় তাহলে যোগ্যতা তৈরি করুন। অনলাইন মার্কেট প্লেসে (ফ্রীল্যানসার, ওডেস্ক, ইল্যান্স) এ কাজ করুন। টাকা লাগে না। যারা নতুন ডাটা এন্ট্রি, আর্টিকেল রাইটিং, ফেশবুক মার্কেটিং এর কাজ করতে পারেন। সাথে সাথে নানা কাজে নিজের যোগ্যতা বাড়ান। অনলাইন এ সবকিছুর টিওটোরিয়াল পাওয়া যায়। গুগলে সার্চ দিয়ে শিখে নিতে পারেন। সত্যি সত্যি টাকা আয় করতে পারবেন, সময় নষ্ট হবে না, আর সর্বোপরি নিজের দক্ষতা বাড়বে। তাহলে দেরি কেন শুরু করে দেন এখুনি।

মেহেদী হাসান
Email: shahmehedi99@gmail.com

 

কি এই প্রোগ্রামিং ???? What is Programming?

…………….কি এই প্রোগ্রামিং ????

My name Shamsuddin Ahmed
My Email : kbshams13@gmail.com

আমাদের মাঝেই সবকিছুই সমস্যাপূর্ণ । এই দরলাম আমি বাজার থেকে ডিম কিনে এনে নিজে খাতায় কষে কষে হিসেব করছি, উফফ ! কি ঝামেলা তাই না ? যদি এই ঝামেলাটা মিটিয়ে খুব কম সময়ে করে ফেলা যেতো তবে কতই না ভালো হতো ?
বাস্তবিক অর্থে বর্তমানে আমাদের এই বড় বড় কাজগুলো অল্প অল্প সময়ে করা জাচ্ছে এই কম্পিউটার ব্যাবহার করে, ওমা! এ কি করে সম্ভপ ?
আসলে এখানে অসম্ভপের কোন কথা নয়। কম্পিউটার এমন ই এক আহাম্মক ! আপনি তাকে যে নির্দেশ দিবেন তাই সে করে ফেলবে। কি দারুন তাই না ? আপনার কাজ কম্পিউটার আহাম্মক এর মত করে দিচ্ছে ! তবে এর জন্নে আপনাকে কম্পিউটার এর ভাষায় নির্দেশ দিতে হবে। কম্পিউটার এর ভাষা আবার কোনটা ? না আমি মানবো না ! আমি বাংলাতে দেব নির্দেশ । তবে আপনাকে সুন্দর একটা উদারন দেই শুনেন, “ আপনি যদি এক চাইনিজ কে বাংলাতে(যে বাংলা জানে না) জিজ্ঞাসা করেন আপনার বাড়ি কথায় তবে সে কি কিছু বুজবে ? নিচ্চই না। তেমনি করে কম্পিউটার তার ভাষা ছাড়া অন্ন কার ভাষায় নির্দেশ দিলে বুজবে নাহ । আর কম্পিউটার কে নির্দেশ দেবার জন্নে অনেক ভাষা রয়েছে যেগুলুকে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়। অনেক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে যেমন ঃ C,C++,JAVA,Paython……….

 

আপনি যদি নবিন হন তবে আমি আপনা কে Paython শেখার জন্য পরামশ দেব এতা সব দিক দিয়েই অনেক শক্তিশালী । আপনি কি জানেন ? আজ যদি আপনি একবার ভাল করে নির্দেশ দিতে শিখে জান তবেই হয়েছে, কম্পিউটার কে বলবেন কম্পিউটার আমার সামনে তুমি নষ্ট হয়ে জাও! ব্যাস আপনার সামনেই নস্ট হয়ে যাবে !! কি মজা না ?

 

যাই হোক এতক্ষণ যা যা বললাম তাছিল প্রোগ্রামিং জিনিস টা কি ? এখন বলছি আপনি এর দারা কি কি করতে পারবেন
১. আপনি আপনার কম্পিউটার কে নিজের মত গরে তুলতে পারবেন ।
২. যদি পরিশ্রম করেন তবে অবশ্যই একদিন খুব ভালো মানের প্রোগ্রামার হতে পারবেন ।
আরো যে কতো কাজ করা জায় তা ব্লে শেস করা যাবে নাহ ।
তবে আপনি শুরু টা জেইভাবে করতে পারেন।
১.আপনি অবশ্যই কম্পিউটার নিয়ে খুব ঘাটাঘাটি করতে হবে ।
২.এলগরিদম অর্থাৎ সাজানো ভাবে কাজ করতে শেখেন। এটাই সবথেকে গুরুত্তপূর্ণ ।
৩. এরপর বিভিন্ন বই পরেন প্রোগ্রামিং এর উপরে ।
ইনশা আল্লাহ আপনাকে কেও রুখতে পারবেনা যদি আপনার ইচ্ছা শক্তি অটুট থাকে । আজ আল্লাহ হাফেয ।