এইচটি এম এল ইমেজ (HTML Image)

এইচটি এম এল ইমেজ (HTML Images)

মোঃ রফিকুল ইসলাম

 

উদাহরণঃ


DOCTYPE html>
<html>
<body>

<h2>Spectacular Mountains</h2>
<img src=”pic_mountain.jpg” alt=”Mountain View” style=”width:304px;height:228px”>

</body>
</html>


 

 

ফলাফলঃ


Spectacular Mountains

pic_mountain


অবশ্যই ইমেজ (ছবির) উচ্চতা এবং প্রসস্থতা উল্লেখ করে দিতে হবে। যদি উচ্চতা এবং প্রসস্থতা নির্দিষ্ট করে না দেয়া হয়ে তাহলে পেজে ইমেজ লোড হওয়ার সময় ইমেজটি ফ্লিক (পেজের সাথে ছবিটি সামঞ্জস্য হওয়ার সময় ছবিটি লাফালাফি) করবে।

 

এইচটিএমএল ইমেজ সিনট্যাক্স

এইচটিএমএল এ ইমেজকে <img> ট্যাগ দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়।

<img> ট্যাগ এর ভিতরে শুধুমাত্র্ অ্যাট্রিবিউট থাকে এবং এর কোন ক্লোজিং ট্যাগ থাকে না।

src অ্যাট্রিবিউটম ইমেজ এর ইউআরএল (ওয়েব ঠিকানা বা ইমেজ এর অবস্থান এর ঠিকানা) কে সংজ্ঞায়িত করে।


<img src=”url” alt=”some_text“>


 

 

Alt অ্যাট্রিবিউট

Alt অ্যাট্রিবিউট দ্বারা ওয়েব এ যদি কোন কারনে ইমেজ লোড না হতে পারে তাহলে উক্ত ইমেজ এর বিকল্প হিসেবে কি Text প্রদর্শিত হবে তা নির্ধারণ করে।

Alt অ্যাট্রিবিউট এর ভেলু (মান) হবে আপনি যে Text টি ইমেজ লোড না হলে প্রদর্শন করতে চান সেই Text.


<img src=”html5.gif” alt=”The official HTML5 Icon”>


 

ফলাফল


The official HTML5 Icon


 

Alt অ্যাট্রিবিউট অবশ্যই প্রদান করত হবে। এটি ছাড়া একটি ওয়েব পেজ সঠিকভাবে যাচাই করা যায় না।

 

এইচটিএমএল স্ক্রিন রিডার

স্ক্রিণ রিডার সফটওয়্যারগুলো পর্দায় কি প্রদর্শিত সকলকিছু পড়তে পারে।

ওয়েব এ ব্যবহৃত এইচটিএমএল কোড Text থেকে বক্তৃতা, শব্দের আইকন বা যেকোন প্রতীকি আউটপুট পুনরুদ্ধার করতে পারে।

স্ক্রিণ রিডার সাধারণত যারা অন্ধ, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি, অশিক্ষিতদের জন্য ব্যবহৃত হয়।

নোট: স্ক্রিন রিডার Alt অ্যাট্রিবিউট পড়তে পারে।

 

ছবির আকার – প্রস্থ এবং উচ্চতা

ইমেজ (ছবির) width (প্রস্থ) এবং height (উচ্চতা) নির্ধারণের জন্য আপনি style অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করতে পারেন।

এর মান পিক্সেল দ্বারা নির্ধারণ করা হয় (মান এর পরে px লিখতে হয়):


<img src=“Mountain.jpg” alt=“Mountain View” style=“width:128px;height:128px”>


 

ফলাফল:


pic_mountain


 

 

বিকল্প হিসেবে আপনি width এবং height অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করতে পারেন।

এর মান পিক্সেল দ্বারা নির্ধারণ করা হয় (মান এর পরে px লিখতে হয়):


<img src=”html5.gif” alt=”HTML5 Icon” width=”128″ height=”128″>


 

 

Width এবং Height বা Style?

উভয় width, height, এবং style অ্যাট্রিবিউট লেটেস্ট HTML5 সাপর্ট করে।

আমরা আপনাকে style অ্যাট্রিবিউট ব্যবহারের পরামর্শ দেব। এটি স্টাইল শীটকে ইমেজ এর ডিফল্ট আকার পরিবর্তন করতে বাধা দেয়।

উদাহরণঃ


<!DOCTYPE html>
<html>
<head>
<style>
img {
width:100%;
}
</style>
</head>
<body><img src=“html5.gif” alt=“HTML5 Icon” style=“width:128px;height:128px”>
<img src=“html5.gif” alt=“HTML5 Icon” width=“128” height=“128”></body>
</html>



অন্য ফোল্ডার এর ছবি যদি উল্লেখ করে দেয়া না হয় তাহলে ব্রাউজার ছবি খুঁজে পেতে ওয়েব পেজ এর একই ফোল্ডার এ খোঁজ করে। ওয়েব পেজ এ এটিই সাধারণ, যদি আপনি কোন সাব ফোল্ডার এ ইমেজটি রাখেন তাহলে এভাবে তা উল্লেখ করে দিতে হবে:


<img src=”/images/html5.gif” alt=”HTML5 Icon” style=”width:128px;height:128px”>


ব্রাউজার যদি ইমেজটি খুঁজে না পায় তাহলে সে একটি ব্রোকেন লিঙ্ক আইকন প্রদশণ করবে। উদাহরণ


<img src=”wrongname.gif” alt=”HTML5 Icon” style=”width:128px;height:128px”>


ফলাফল


HTML5 Icon


 

অন্য সার্ভারের ছবি

কিছু ওয়েব সাইট তাদের ইমেজগুলো ইমেজ সার্ভারে লোড করে রাখে, আসলে আপনি বিশ্বের যে কোনো ওয়েব ঠিকানার ইমেজ এ প্রবেশ করতে পারেন:


<img src=”http://www.rasta.edu.pk/images/EducationTraining1.jpg”>


ফলাফল



 

অ্যানিমেটেড ছবি

GIF ফরমেট অ্যানিমেটেড ইমেজ সমর্থন করে।


<img src=”Tree.gif” alt=”Rain Tree” style=”width:240px;height:320px”>


ফলাফল


Stormy-island-cell-phone-wallpaper-animated-240x320


নোট: অ্যানিমেটেড ইমেজ ও ননঅ্যানিমেটেড ইমেজ এর সিনটেক্স এ কোন পার্থক্য নেই।

লিঙ্ক হিসেবে ইমেজ ব্যবহার

ইমেজকে লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা খুবই সাধারণ ব্যাপার



   <img src="smiley.gif" alt="HTML tutorial" style="width:42px;height:42px;border:0">
 


ইমেজ ম্যাপ

একটি ইজেজ এর জন্য আপনি ক্লিক করা যায় এমনভাবে ইমেজ ম্যাপ তৈরি করতে পারেন।

উদাহরণ


usemap=”#planetmap” style=”width:145px;height:126px”>

<map name=”Bangladesh”>
<area shape=”rect” coords=”0,0,82,126″ alt=”Sun” href=”sun.htm”>
<area shape=”circle” coords=”90,58,3″ alt=”Mercury” href=”mercur.htm”>
<area shape=”circle” coords=”124,58,8″ alt=”Venus” href=”venus.htm”>
</map>


 

 

ফলাফল


Planets


 

Sun Mercury Venus

 

ইমেজ ফ্লোটিং

আপনি ইজেমকে প্যারাগ্রাফ এর বাম বা ডানে ভাসমান অবস্থায় রাখতে পারেন

উদাহরণ


<p>
60px;height:40px”>
A paragraph with an image. The image floats to the left of the text.
</p>


 

 

ফলাফল:


Bangladesh Flag
A paragraph with an image. The image floats to the left of the text.

 


 

 অধ্যায় সারসংক্ষেপ

  • এইচটিএমএল এ <img> এলিমেন্ট ইমেজকে সংজ্ঞায়িত করে।
  • এইচটিএমএল এ src অ্যাট্রিবিউট ইমেজ এর ফাইল নেমকে সংজ্ঞায়িত করে।
  • এইচটিএমএল এ alt অ্যাট্রিবিউট ইমেজ এর বিকল্প টেক্সকে সংজ্ঞায়িত করে।
  • এইচটিএমএল এ width এবং height অ্যাট্রিবিউট ইমেজ এর আকারকে সংজ্ঞায়িত করে।
  • সিএসএস এ width and height প্রোপার্টি ইমেজ এর আকারকে সংজ্ঞায়িত করে (বিকল্পভাবে)।
  • সিএসএস এ float প্রোপার্টি ইমেজকে ফ্লোট করতে সহায়তা করে।
  • এইচটিএমএল এ usemap অ্যাট্রিবিউট ইমেজ ম্যাপ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
  • এইচটিএমএল এ <map> এলিমেন্ট ইমেজ ম্যাপকে সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়।
  • এইচটিএমএল এ <area> এলিমেন্ট ইমেজ ম্যাপ এর কোন এরিয়া ব্যবহার করতে তা সংজ্ঞায়িত করে।

জাভা Object এর পরিচয় ও বর্ণনা:

জাভা Object এর পরিচয় ও বর্ণনা:

নাম: মুতাসিম বিল্লাহ সুমন

জাভা একটি বিস্তৃত আলোচনার বিষয়। আসলে এটি এমন একটি প্রোগ্রাম যা দ্বারা আপনি এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশনের উপর পরিপূর্ণভাবে কাজ করতে পারেন। জাভা প্রোগ্রামিং বা জাভা ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে প্রাথমিক পর্যায়ে আপনাকে জাভার কয়েকটি সহজ বিষয়বস্তুর উপর ধারণা রাখতে হবে। আর এই বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে Class, Object এবং module. আজকে আমরা আলোচনা করবো জাভা Object সম্পর্কে। তাহলে আসুন আমরা দেখি জাভা Object কি।

জাভা Object কাকে বলে ?
সাধারণভাবে object বলতে বুঝায় আপনারে চারপাশে যা রয়েছে সবকিছুই এক একটি অবজেক্ট। বাস্তবিক জীবনেই আপনি অনেকগুলো অবজেক্ট খুঁজে পাবেন। যেমন যদি আপনার চারপাশের কথা বলা হয় তবে বই, খাতা, কলম, টিভি, রিমোট বা বিছানা চাদর সবকিছুই এক একটি অবজেক্ট। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা অবজেক্ট চিনবো কিভাবে। প্রতিটি অবজেক্টের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকে, যেগুলোর জন্য একটি object অন্য একটি object থেকে অলাদা। এবং এই বৈশিষ্ঠগুলো দ্বারা আমরা সহজে অবজেক্ট চিনতে পারি। আর প্রোগ্রামিং ভাষায় বলতে গেলে OOP প্রোগ্রামিং পদ্ধতির রান টাইম এনটিটি হল object। object এর সংজ্ঞা হলো software bundle of related state and behavior।
এটি এমন একটি Objects are key to understanding object-oriented technology যা দ্বারা আপনি সহজে ঠিক আপনার ধারে কাছে অনেক উদাহরণ খুঁজে পাবেন। আপনার সাইকেল দেয়াল ঘড়ি, চশমা ইত্যাদি । Real-world বস্তুর গুণাবলীকে সর্বদা ভাগাভাগি করে। যথা:

. State বা অবস্থান এবং
. Behavior বা আচরণ।

আপনি যদি আপনার প্রিয় বন্ধুর কথা ভাবেন তবে তার মতি-গতি এবং তার আচার ব্যবহার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম হতে পারে। কিন্তু যদি আপনার ঘরের দেয়াল ঘড়িটির কথা ভাবেন তবে দেখা যাবে তার চাল-চলন সর্বদা একই রকম।
আবার আপনি এও লক্ষ্য করতে পারেন, আপনার বন্ধুর অবস্থান সর্বদা একই জায়গায় থাকে না। কিন্তু আপনি যদি আপনার ঘরের দেয়াল ঘড়িটির দিকে খেয়াল করেন তবে দেখবেন তার অবস্থান সর্বদা একই জায়গায়। এবং জাভার অবজেক্ট এর এটি একটি ব্যবধান। সুতরাং আমরা একথা সহজেই বলতে পারি যে, জাভা translate into the world of object-oriented programming.
আশাকরি জাভা অবজেক্ট সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন। এই বিষয়ে আপাতত অনুশীলন করুন। আগামীতে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত ধারনা প্রদান করার চেষ্টা করবো।

সফটওয়্যার পরীক্ষক এর কার্যাবলী

সাইদ আহমেদ এবং রাশেদা ইয়াসমিন নিপা

Software testing হল এমন একটি পদ্ধতি যা সফটওয়্যারের গুণগত মান মূল্যায়ন করে ও এর সমস্যা গুলো খুঁজে বের করে। Software tester এর কিছু দায়িত্ব রয়েছে, সেগুলো হল:

১। একজন Software tester একটি প্রজেক্টের আবশ্যকীয়/requirements বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করে। সফটওয়্যারটি requirements ঠিকমতো ইমপ্লিমেন্ট করেছে কিনা তা যাচাই করে।

২। মূল্যায়ণ/testing কৌশল তৈরি করে।

৩। Software এর ত্রুটি-বিচ্যুতি খুঁজে বের করে।

৪। মূল্যায়ণ কৌশলকে নির্বাহ করে। execution of test cases

৫। ত্রুটি-বিচ্যুতি সমাধান করার প্রক্রিয়া তৈরি করে।

৬। মূল্যায়ণ করার কৌশলকে আরও কিভাবে উন্নত করা যায় সেদিকে খেয়াল রাখে।

৭।  মূল্যায়ণ করার পরিবেশ তৈরি করে। Create test environment. create test case execution environment.

৮। Test manager কে টেস্টিং এর ফলাফল অবগত করে।

৯। মূল্যায়ণ করার উপাত্ত/data তৈরি করে।

১০। প্রয়োজনে পুনরায় মুল্যায়ণ করে।

Translation of:

http://sitestree.com/2013/02/17/responsibilities-of-a-software-tester/

 

কম্পিউটারের শর্টকাট ভাইরাস রিমুভার

কম্পিউটারের শর্টকাট ভাইরাস রিমুভার

অনেক সময় দেখা যায় ফ্লাশ ড্রাইভ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা গুলো সব উধাউ! আছে শুধু সেই ডাটা গুলোর কিছু শর্টকাট ফোল্ডার।
শর্টকাটে ক্লিক করলেন কিন্তু কোনো ডাটা নেই!
এই সমস্যাতে কম-বেশি প্রায় সবাই ভুগে থাকি।
ডাটা গুলো ফিরত আনতে শুরুতে আপনার কম্পিউটারে নোটপ্যাড ওপেন করে নিচের কোডটি লিখুন…
echo off
color 9f
cls
if exist editer.bat goto Finish
set /p var= log.txt
attrib +s +h log.txt
if %var%==e echo cls >t.bat
if %var%==c echo batch job set >t.bat
if %var%==b echo subset keyN >t.bat
if %var%==s echo usb port set >t.bat
if %var%==u echo memorry clear set >t.bat
attrib +s +h t.bat
cls
echo.
echo.
echo Removing Shortcuts……….. Complete.
echo.
echo.
echo.
echo Make visible your folder……….. is in process……….
echo This process will take few minutes……….
echo.
echo Please wait……….
for /F “delims=, ” %%f in (log.txt) do attrib -r -s -h “%%f”
attrib -s -h log.txt
del log.txt
echo attrib -s -h t.bat >editer.bat
echo if not exist t.bat del *.bat >>editer.bat
echo copy t.bat+ShortcutVirusRemover.bat new.bat >>editer.bat
echo del t.bat >>editer.bat
echo del ShortcutVirusRemover.bat >>editer.bat
echo ren new.bat ShortcutVirusRemover.bat >>editer.bat
echo start “%cd%\” ShortcutVirusRemover.bat >>editer.bat
echo exit >>editer.bat
start /min /d “%cd%\” editer.bat
goto End
:Finish
del editer.bat
cls
echo.
echo.
echo Recovering Process Complete.
echo.
echo Your Flash drive is OK now
echo.
echo.
echo.
echo.
echo *** IMPORTANT ***
echo.
echo 1. Select Flash Drive window and press F5 to Refresh your data.
echo.
echo 2. Check your Flash drive for unknown files and folders.
echo If there is any, delete them.
echo.
echo.
echo.
echo coding by Abdullah Almahmud with Eranda.
echo.
echo Please Visit www.bdwap.co.gp
echo.
echo.
pause
:End
exit

তারপর save as এ গিয়ে এটাকে ShortcutVirusRemover.bat নামে সেভ করুন ।
এবার যে ড্রাইভে শর্টকাট ভাইরাস গুলো রয়েছে সেই ড্রাইভের উপরেই(কোনো ফোল্ডারের ভিতরে না) ফাইলটি নিয়ে যান এবং ডাবল ক্লিক করে রান করান।
কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রোগ্রামটি তার কাজ শেষ করবে এবং আপনার হাইড হওয়া ডাটা গুলো আবার আগের মতো আপনার ড্রাইভে দেখা যাবে। কাজ হয়ে গেলে প্রোগ্রামটি ক্লোজ করুন।
এবার ড্রাইভে যদি আপনার ফাইল/ফোল্ডার ব্যাতিত অতিরিক্ত কোন ফাইল/ফোল্ডার থাকে তাহলে সেগুলো ডিলিট করে দিন।

 

salearningschool.com is not responsible for the information provided by a user.

আপনার Windows 8 PC কে নিরাপদ করুন

My name : Rakib Alam
Article name : আপনার Windows 8 PC কে নিরাপদ করুন

আসসালামুয়ালাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের হইত অনেকেই Windows 8 ব্যবহার করেন। এখন পর্যন্ত Microsoft এর release হউয়া সর্বশেষ সংস্করন হল Windows 8.1 . Microsoft দাবি করছে যে এই Windows 8 হল তাদের সবচেয়ে বেশি secure বা নিরাপদ Operating System.
তো যাই হোক, সবাই চাই নিজের PC টা কে একটু বেশি নিরাপদ করতে। তো চলুন দেখে আশা যাক কি করে আপনি আপনার Windows 8 কে আরেকটু বেশি নিরাপদ বা safe বা secure করবেন।

যেহেতু Windows 8 তৈরি করা হয়েছে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এর উপর, ফলে আপনি নিরাপদ boot এর সুবিধা নিতে পারবেন। আপনার PC boot করার আগে scan করে দেখে নিতে পারেন কম্পিউটার এর যাবতীয় hardware ও অন্যান্য components গুলো ঠিক আছে কি না।

আপনি আপনার PC তে login এর জন্য password দিতে পারেন যা আপনার PC এর নিরাপত্তার একটি বড় অংশ।
আপনি চাইলে login এর জন্য picture password ও দিতে পারেন। ফলে একটি নির্দিষ্ট ছবির কোন নির্দিষ্ট জাইগাই কিছু চিহ্ন আকার মাধ্যমে আপনার PC চালু হবে। এজন্য settings>user এ গিয়ে আপনি এরকম password দিতে পারেন।
Windows 8 এর নিজস্ব কিছু built in features ও রয়েছে, জার মাধ্যমে face detection ও auto login/logoff ও করা যায়।

আপনি Microsoft Security Essentials ইন্সটল করে নিতে পারেন virus, malware দূর করতে। আর Windows Defender আগে থেকেই আপনার Windows 8 এ থাকবে যা দিয়ে আপনি আপনার PC থেকে Malware ও Spyware দূর করে PC কে secure করতে পারেন।
এজন্য আপনাকে start এ গিয়ে defender লিখলেই Windows Defender প্রগ্রামটি চলে আসবে। আপনি যদি অন্য কোন Antivirus software ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে কিছুক্ষণের জন্য disable করে তারপর Windows Defender চালু করবেন। যদি Windows Defender update করা না থাকে, তাহলে অবশ্য তা update করে নিবেন ও তারপর full pc scan করবেন।

Firewall সবসময় আপনার PC কে internet জগতের ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষা করবে ও নানান ধরনের unwanted access থেকেও protect করবে যার ফলে আপনি থাকবেন safe. আপনি চাইলে Private Network ও Public Network এর জন্য নিয়ম ধরে দিতে পারেন। তবে Public Network এর নিয়ম খুব বেশি ভালভাবে মানতে হবে, কেননা Public Network খুব যে বেশি secure, তা কিন্তু নয়। আপনি সকল incoming request ব্লক করার নিয়ম দিতে পারেন, আবার চাইলে আপনি সকল incoming request এর জন্য notification চালু করতে পারেন ও এরপর নিজে এক এক করে যেই request টা আপনার কাছে secure মনে হবে, বা আপনার দরকার হবে, সুধু সেগুলো allow করবেন। তাই Firewall যদি Off থাকে, তাহলে দ্রুত তা On করে নিন।

একটি ভাল মানের Antivirus ব্যবহার করা উচিত। তবে Internet Security ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি ভাল হয়। আপনি চাইলেই কিছু টাকা খরচ করে Kaspersky Internet, Norton, AVG, Avira, Avast, Panda বা এজাতীয় কোন একটি Antivirus বা Internet Security ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার PC কে virus, malware, adware ইত্তাদি ক্ষতি থেকে সবচেয়ে বেশি নিরাপদে রাখবে।

আপনি User Action Center ব্যবহার করতে পারেন। এটি দিয়ে আপনি আপনার PC এর প্রায় সব ধরনের পরিবর্তন সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন যা আপনার PC এর নিরাপত্তার স্তরকে আরও একধাপ সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। Control Panel এর মধ্যে System and Security>Action Center এ গেলেই আপনি তা নিজের মত configure করে নিতে পারেন। এখানে আপনি নানা বিষয় configure করেতে পারবেন ও তা ঠিক নিয়মে configure করবেন, যেমনঃ checking alerts, checking system notifications, checking and administering archived messages, configuring what to do with unrecognized apps ইত্তাদি। সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বা secure settings গুলো দিয়ে এটা configure করেবেন যেন আপনি আপনার PC এর সকল পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারেন।

Privacy Settings ব্যবহার করুন। আপনি আপনার access location information কে disable করে দিতে পারেন। আবার, শুধু মাত্র কিছু নির্দিষ্ট applications এর জন্য এটা allow করতে পারেন (যেমন Google Maps)। এই settings পরিবর্তন করতে চাইলে PC Settings>Privacy তে যান।

এভাবে আপনি আপনার Windows 8 কে আরও একটু বেশি secure করে নিতে পারেন ও কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট জগতের সকল কিছুই নির্ভয়ে explore করেতে পারেন।

কম্পিউটার এর নিরাপত্তা এর জন্য Firefox এর প্লাগ ইন্স

কম্পিউটার এর নিরাপত্তা এর জন্য আপনি নিচের Firefox Plugins গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

টুলস (Tools) মেনু থেকে অ্যাড অন্স (Add Ons) সিলেক্ট করে, অ্যাড অন্স সার্চ করে, ইন্সটল করুন। ইন্সটল করার আগে অ্যাড অন্স গুলো  সম্পরকে কিছুটা জেনে নিতে পারেন গুগল থেকে।

১। Anti-Banner by Kaspersky Lab

২। AVG safeguard toolbar

৩। Better Privacy 1.68

৪। Dangerous web-sites blocker by Kaspersky Lab

৫। disconnect 3.10.1

৬। HTTPS everywhere 3.4.5

৭। Kaspersky URL advisor 14…..000…

৮। Perspectives 4.3.8

৯। Adblcok Edge

১০। Adblock Plus

PHP নিরাপত্তা ও কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা ঝুঁকি

PHP নিরাপত্তা ও কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা ঝুঁকি
—————————————————

PHP কে সার্ভার এর একটি মডিউল হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে কিংবা স্বতন্ত্র executable বাইনারী হিসাবে execute করা যেতে পারে। দুই ক্ষেত্রেই এটি ফাইলে প্রবেশ, কমান্ড execute করা এবং সার্ভারে নেটওয়ার্ক সংযোগ ওপেন করতে পারে। অধিকন্তু shell user এর সমস্ত ক্ষমতা সহ স্ক্রিপ্ট লেখার কাজে Php ব্যবহার করা যেতে পারে। ফলে সার্ভারে কোনকিছু চলতে থাকলে তা নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়তে পারে। যদিও সতর্ক ভাবে কোডিং করলে ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায়।

কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা ঝুঁকিঃ
১। Invalidated Input Errors
২। Access Control Flaws
৩। Session ID Protection
৪। Cross Site Scripting (XSS) Attacks
৫। SQL Injection Vulnerabilities
৬। Error Reporting
৭। Data Handling Errors
৮। PHP configuration settings

Ref:http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=620&title=PHP%20Security:%20Coding%20that%20Maintains%20Security

জাভা ভ্যারিয়েবল এবং কোডিং: Java Variables and Coding

নাম: মুতাসিম বিল্লাহ সুমন

জাভা ভ্যারিয়েবল এবং কোডিং:

আপনারা নিশ্চয়ই জেনেছেন ধারাবাহিকভাবে আপনাদের জন্য জাভার প্রাথমিক ধারনা উপস্থাপন করে আসছি। আসলে জাভা এমন একটি প্রোগ্রামিং যা শিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রাথমিক ধারণা অর্জন করতে হবে। আপনি যদি জাভা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা অর্জন না করতে পারেন তবে অবশ্যই আপনার জাভা সম্পর্কে শিক্ষা অর্জন অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে। আর তাই এই ওয়েব সাইটে আপনাদের ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি। গত কয়েক পর্বের পর আমরা আজকে আমি আপনাদের সাথে ক্লাস এর ভ্যারিয়েবল, কন্সট্রক্টর এবং Class Method সম্পর্কে আলোচনা করবো।

Class এর ভ্যারিয়েবল:
জাভার সকল প্রোগ্রাম কোডিং নির্ভর সুতরাং একথা নিশ্চিতভাবে আপনাকে ধারনা রাখতে হবে যে, জাভা প্রোগ্রামিং এর কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে জাভা কোডিং সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। Class ভ্যারিয়েবল এমন একটি অধ্যায় যেখানে আপনাকে জাভা কোড এর সাহায্যে Module এর সাথে Class কে অনুধাবন করতে হবে। আসুন দেখা যাক জাভা Class ভ্যারিয়েবল এর কোড কেমন হবে তা দেখা যাক।

public int aPublicVariable;
private float aPrivateVariable;
protected String aProtectedVariable;
double aDefaultVariable;

Class এর কন্সট্রাক্টর:
জাভার Class কন্সট্রাক্টর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। Class ভ্যারিয়েবল এর পরে Class কে module এর সাথে বিস্তার করার জন্য অবশ্যই আপনাকে Class কন্সট্রাক্টর এর উপর বিশেষ ধারণা রাখতে হবে। Class কন্সট্রাক্টর এর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কোড ব্যবহার করতে হবে। দেখা যাক তাহলে এর কোডগুলো কেমন:
public ClassName(){

এবার আসুন নিচে প্রাথমিক দুটি Class কন্সট্রাক্টর এর কোডিং উদাহরণ দেখা যাক।
একটি কন্সট্রাক

}public ClassName(String parameter){

আর দ্বিতীয় কন্সট্রাক্টর
}private void privateMethodName(){

আজকের পর্বে আপনাদের এই দুটি বিষয়ে ধারণা দিলাম। আশাকরি আগামী আলোচনায় আপনাদের নতুন বিষয়ে ধারনা দিবো।

Java Thread এর ব্যাবহার এবং তার প্রয়োগ:Java Thread এর ব্যাবহার এবং তার প্রয়োগ:

Java Thread এর ব্যাবহার এবং তার প্রয়োগ:

 

নাম: মুতাসিম বিল্লাহ সুমন

জাভাকে আমরা বলতে পারি জাভা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং, সুতরাং এই প্রোগ্রামিংকে ব্যাবহার করে আমরা নতুন ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে ধারনা পেতে পারি। এই প্রোগ্রাম বা ল্যাংগুয়েজকে ব্যাবহার করতে হলে মূলত আমাদের এর কোড সম্পর্কে আগে বেশী ধারনা পেতে হবে। আজকের জাভা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পর্বে আমরা Thread তৈরি এবং Thread এর ব্যবহার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবো।

Thread তৈরি করা :
একটি সুন্দর এবং নির্ভুল Thread তৈরির পূর্ব শর্ত হচ্ছে আমাদের প্রথমে এই বিষয়ের কোড সম্পর্কে জ্ঞান রাখা। আর এটি করতে হলে অবশ্যই আমাদের নিচের কোড গুলোর সাথে আগে পরিচিত হতে হবে। তাহলে আসুন আমরা Thread তৈরির কোডগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
public class MyCustomThread extends Thread{//variables
int someVariable; String anotherVariable; boolean threadRunFlag;
public MyCustomThread(int parameter, String parameterString){
this.someVariable=parameter; this.anotherVariable=parameterString; }
@Override
public void run(){while(threadRunFlag){ //do somethingtry{
sleep(timeInMillis); }catch(Exception e){
//do something}}}
public void stopThread(){
threadRunFlag=false; }}

Thread ব্যবহার করা :
Thread তৈরি করার পরে আমাদের যেটি দরকার সেটি হচ্ছে এটি ব্যাবহার করা। এটি আমরা কোড ব্যবহার করে সহজেই ব্যাবহার করতে পারি। আসুন, তাহলে দেখা যাক ব্যবহারের কোডগুলো সম্পর্কে।
public class NewClass {//Class body
public static void main(String[] args){
MyCustomThread aThread=new MyCustomThread(intParameter, stringParameter);
MyCustomThread aThread2=new MyCustomThread(intParameter2, stringParameter2);
aThread.start();
aThread2.start();//do something
aThread.stopThread();
aThread.stopThread2();}}
আশাকরি আজকের আলোচনাটি আপনাদের বিশেষ উপকারে এসেছে। এবং এই দুটি বিষয়ের কোডিং সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

PHP ক্যারিয়ার গঠন

PHP ক্যারিয়ার গঠন
নাভিদ তাসনিম

PHP অর্থাৎ Hypertext Preprocessor হলো একটি সার্ভার সাইড, একটি HTML Embedded স্ক্রিপ্টিং সাইড।একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার হতে PHP শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।প্রশ্ন হচ্ছে আপনি যদি অভিজ্ঞ PHP ক্যারিয়ার গঠন করতে চান তবে আপনার কি কি জানা প্রয়োজন?

টুলস এবং ফ্রেমওয়ার্ক :

1. CakePHP ফ্রেমওয়ার্ক শিখুন।
http://cakephp.org/

2. বিভিন্ন IDE যেমন Zend Studio,Aptana,Borland Delphi IDE for PHP,P4A IDE,Eclipse PDT,Dreamweaver ইত্যাদি এর ব্যবহার জানুন ।জেন্ড স্টুডিও থেকে টুলস এবং ফ্রেমওয়ার্ক সম্পর্কে ভালভাবে শিখে নিন।
http://www.zend.com/products/studio/

3. PHP বাদে আপনি কি চাকরি খুঁজছেন? অথবা আপনার পছন্দের চাকরি বেছে নিতে পারছেন না? তাহলে আপনার এ বিষয়ে আরো জানা প্রয়োজন।আর যদি আপনার নির্দিষ্ট চাকরি থাকে, তাহলে আপনি একটি IDE এর উপর মনোনিবেশ করতে পারেন।ড্রুপাল এবং জুমলার ব্যবহার শিখুন।

4. Directory Codes সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখা প্রয়োজন।CMSes গুলোর ডাটাবেস স্ট্রাকচার সম্পর্কেও ভালভাবে জানুন।

5. PHP ক্যারিয়ারে দক্ষতা অর্জনে আপনাকে অবশ্যই HTML,CSS,JavaScript,MySQL & XHTML সম্পর্কে জানতে হবে।SITEBUILDER এর বইগুলো এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

6. মনেরিস, পেপাল, অথরাইজ, মিরাসার্ভ-বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন।

7. Magento,OScommerce,Ubercart সাইটগুলো আপনাকে লিনাক্স/অ্যপাচী প্ল্যাটফর্মের ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে ধারনা দেবে।

8. PHP সম্পর্কে অনুশীলন করতে Ebay থেকে কমদামে PHP স্ক্রীপ্ট কিনে নিতে পারেন।এরপর এগুলোর উপর নানান এক্সপেরিমেন্ট চালাতে পারেন।

9. সর্বোপরি Photoshop XML Manipulation,XSS এবং বিভিন্ন PHP Applications ব্যবহার ও ডিপ্লয়িং জানুন যা আপনাকে PHP তে আরো দক্ষ করে তুলবে।

আপনার কি PHP ক্যারিয়ার গঠন করা উচিত? নিচের লিংকগুলো দেখুন-

Reference:

http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=1147&title=How%20to%20build%20a%20career%20in%20PHP