রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েটে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “গ্রিন ব্রেইন প্রতিযোগিতা”। আমেরিকান সেন্টার(ঢাকা) এর আয়োজন সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা। ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। আইইই রুয়েট স্টুডেন্ট শাখার আয়োজনে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ৪টি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগীরা এতে অংশ নিতে পারবেন, প্রকল্প প্রদর্শনী, আইডিয়া কনটেস্ট, পোস্টার ডিজাইন, আর প্রবন্ধ রচনা। প্রতি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের জন্য থাকবে এক লাখ টাকা প্রাইজমানি, সনদপত্র ও ক্রেস্ট। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ও সমাপনি পর্বে রুয়েটের ভিসি প্রফেসর ডঃ মোঃ রফিকুল আলম বেগ, আমেরিকান সেন্টারের সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মকর্তা জর্জ মেসথস সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
Dec 18
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উইকিপিডিয়ার উপর কর্মশালা (Wikipedia workshop at begum rokeya university)
তথ্যউপাত্তের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে সারা বিশ্বে সমাদৃত মুক্ত বিশ্বকোষ হল উইকিপিডিয়া। আর এই বিশ্বকোষে বাংলা ভাষার তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার উদ্দেশে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল উইকিপিডিয়া কর্মশালা। গত ২ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৪এ উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর পরিচালনায় এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এর আয়োজনে ছিল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উইকিপিডিয়া কমিউনিটি। কর্মশালায় সভাপতি ছিলেন এনামুল হক বিপ্লব। তিনি তাঁর বক্তব্যে উইকিপিডিয়ার সঠিক বক্তব্য তুলে ধরার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গাজী মাজহারুল আনোয়ার।বিশেষ অতিথি ছিলেন আ ফ ম নাজমুল আহসান সজীব। তিনি তরুণ সমাজের অবদানের মাধ্যমে উইকিপিডিয়ায় বাংলা ভাষা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক বকুল কুমার চক্রবর্তী, ইসমিতা তাসনিম, এবং উইকিপিডিয়া কমিউনিটি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যবৃন্দ।কর্মশালায় ঢাকা থেকে আগত প্রশিক্ষকগণ ৬০ জন শিক্ষার্থীকে উইকিপিডিয়ায় নতুন শব্দ(বাংলা শব্দ) সংযোজন ও ভুল সংশোধন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন।
আমাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির মূলে আছে বাংলা ভাষা, আর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মুক্ত বিশ্বকোষে আমাদের প্রিয় এই ভাষার অবস্থান সুসংহত করার জন্যই ছিল এই কর্মশালার আয়োজন। এতে অংশ নিতে পেরে তাই আনন্দিত শিক্ষার্থীরা। ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য এমন মহৎ উদ্যোগ নেয়া হবে, এটিই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।
Dec 17
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেল গনিত অলিম্পিয়াড (Math Olympiad at khulna university)
মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রা ও বিকাশে যে কয়েকটি বিষয়ের জ্ঞান অবদান রেখেছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল গনিত, আর এই গনিতের অনুশীলন ও প্রয়োগ সৃষ্টি করে যুক্তিশীল প্রবণতার।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৪ ডিসেম্বর হয়ে গেল ৭ম জাতীয় স্নাতক গনিত অলিম্পিয়াড ২০১৫। বিশ্ববিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের উদ্যোগে একাডেমিক ভবন ১ ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেজারার খান আতিয়ার রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গনিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডঃ মোঃ হায়দার আলী বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ডঃ মোঃ ইসমত কাদির, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৭ম জাতীয় সম্মেলন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও বুয়েটের প্রফেসর ডঃ মনিরুল আলম সরকার এবং প্রফেসর ডঃ মোঃ আব্দুল হাকিম খান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, মানব জীবনই একটা হিসাব, আর তাই গনিত এমন একটি বিষয় যে পরিবার থেকে শুরু করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে গণিতের প্রভাব আছে।
অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে ছিল গণিতের বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ, মতবিনিময় ইত্যাদি।
গণিত আমাদের জীবনে যুক্তিশীলতা ও যুক্তিবাদিতার শিক্ষা দেয়, শিক্ষা দেয় সহনশীলতার। যুক্তিশীল ও পরিমিত আচরণের আবর্তে বাঁধা নিয়মতান্ত্রিক জীবন পেতে গণিত আমাদের সহায়তা করে। আর তাই এধরণের গণিত অলিম্পিয়াড আমাদের শিক্ষাক্ষেত্র ও প্রায়োগিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এটিই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।
Dec 16
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিবস (Universal health coverage day at BRAC university)
গত ১২ ডিসেম্বর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়ে গেল স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিবস।‘সবার জন্য স্বাস্থ্য, সঠিক,প্রয়োগোপযোগী, বিলম্বিত’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে এই উৎযাপন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ।দিবসটি উপলক্ষে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর থেকে জাতীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।এরপর রাজধানীর মহাখালীস্থ জেপিজিএসপিএইচ(জেমস পি গ্র্যান্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ)এর মূল চত্বরে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
Dec 15
ব্র্যান্ড উইটজ ২০১৫ঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ চ্যাম্পিয়ন (Brand witz 2015:DU IBA champion)
নভেম্বরের ৭ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ব্র্যান্ড উইটজ ২০১৫ প্রতিযোগিতার মূলপর্ব। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ব্যবসায় শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ব্যবসা বিষয়ে পরিকল্পনা ও ধ্যানধারণা প্রকাশের উৎসব হল এই প্রতিযোগিতা। এবছর প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল নাগরিক সেবা প্রদানে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি।ব্যবসায় শিক্ষা শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশাল ইভেন্ট আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর কমুনিকেশন ক্লাব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘এক্সেস টু ইনফরমেশন’ অর্থাৎ এটুআই প্রকল্প, যৌথভাবে। প্রথম আলো পত্রিকা ও আইবিএ এলমনাই এসোসিয়েশন প্রতিযোগিতার সহযোগী ছিল, রেডিও সঙ্গী ছিল এবিসি রেডিও।
প্রতিযোগিতার মূলপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয় আইবিএর টিম ‘ প্রোজেক্ট ২২’ আর রানার আপ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই ‘ আভান্ট গার্ড’ নামের আরেকটি দল। প্রথম রানারআপ হয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেসনালস(বিইউপি)এর টিম, ৩৬০ ডিগ্রী। বিজয়ী দলগুলো পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা।
অনলাইন আবেদনের ভিত্তিতে সারা দেশের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত ৪৮টি দলকে প্রথম রাউন্ডে ইস্যুভিত্তিক সমস্যার সমাধান খুঁজতে বলা হয়। সেগুলোর সমাধানের ভিত্তিতে বিচারক প্যানেল ২৪টি দলকে সুযোগ দেয় দ্বিতীয় রাউন্ডে ছয়টি বিষয়ের উপর অভিনব বিপণন কার্যক্রমের ধারণা বিশ্লেষণের । সেখান থেকে ৬টি দলকে চূড়ান্ত পর্বে আনা হয়- জানালেন এটুআই প্রোগ্রামের ইনফরমেশন এসোসিয়েট তানজিনা শারমিন।
বিশ্ব মানের পরিকল্পনা ও ধ্যানধারণা বিকাশের উৎসব হল এই প্রতিযোগিতা।আর এখানে মেধার স্বাক্ষর রেখে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করতে পেরেছেন যে দেশের মানুষের নাগরিক সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ও সৃষ্টিশীল প্রকল্পের সাথে সেই সেবার সমন্নয় ঘটাতে তাঁরা তাঁদের মেধাকে কাজে লাগাতে পারেন। এধরনের প্রতিযোগিতা আরও বেশি করে অনুষ্ঠিত হবে-এটিই সবার প্রত্যাশা।
Dec 14
সরাসরি ওয়েবক্যাম দিয়ে ইউটিউবে রেকর্ডিং বন্ধ করে দিচ্ছে গুগল (Google will stop you recording straight to YouTube from your webcam in Bangla)
সরাসরি ওয়েবক্যাম দিয়ে ইউটিউবে রেকর্ডিং বন্ধ করে দিচ্ছে গুগল
(Google will stop you recording straight to YouTube from your webcam)
গুগল (Google) ঘোষণা দিয়েছে, আগামি ১৬ জানুয়ারি থেকে ওয়েবক্যামের সাহায্যে সরাসরি ইউটিউবে (YouTube) রেকর্ডিং এর সুবিধা আর থাকছে না।
সরাসরি আপনার কম্পিউটার থেকে ইউটিউবে (YouTube) ভিডিও রেকর্ড করার অপশন চালু হয়েছিলো ২০০৬ সালে। গুগল (Google) সে বছরেই ইউটিউবের (YouTube) মালিকানা কিনে নিয়ে ছিলো। কিন্তু কোম্পানিটি জানায়, এতো দিন চালু থাকলেও রেকর্ডিং এর এই ফিচারটি খুব জনপ্রিয় ছিলো না। খুব কম ব্যবহৃত হয়েছে এই অপশনটি।
গুগল (Google) আরো জানায় যে, এই প্রোগ্রাম টি যে ফ্ল্যাশ (Flash ) দিয়ে চালানো হতো, তা আর এখন একে সাপোর্ট করছে না। অপশন টি বন্ধ করে দেওয়ার পেছনে এটিও একটি অন্যতম প্রধান কারণ।
সরাসরি ইউটিউবে (YouTube) রেকর্ডিং এর একটি বড় সুবিধা ছিলো। তা হলো- এভাবে রেকর্ডিং করার পর আপলোড নিয়ে আর কোনো ভাবনা থাকতো না। রেকর্ডিং এর পর ভিডিওটি ইউটিউবে আপলোড হয়ে যেতো।
তাহলে প্রশ্ন হলো- যদি আপনার এক্সটারনাল ক্যামেরা না থাকে, তবে ১৬ জানুয়ারিতে অপশনটি সরিয়ে নেওয়ার পর কী হবে? কীভাবে আপলোড করবেন আপনার শখের প্রিয় ভিডিওটি? উপায় অবশ্যই আছে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অন্য সফটওয়্যারের সাহায্য নিতে হবে। এ রকম সফটওয়ারের মধ্যে রয়েছে- ফটো বুথ (Photo Booth) আপনার ম্যাক(Mac) এর জন্য। আর উইন্ডোজ (Windows) এ ওয়েব ক্যাম দিয়ে ভিডিও করে, তা আপলোড করতে হবে।
Dec 14
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিতঃ International Day of People with Disability celebrated in rajsahi university
গত ৩ ডিসেম্বর ছিল আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। প্রতিবন্ধীদের অধিকার আদায় ও সমান জীবনমান নিশ্চিত করার প্রয়াস নিয়ে সারা বিশ্বের মত আমাদের দেশেও উৎযাপন করা হয়েছে এই দিবসটি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফিজিকালি চ্যালেঞ্জড ডেভলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন’ অর্থাৎ পিডিএফএর আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎযাপন করা হয় এই দিবসটির।
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যাশলি বের হয় সকাল সাড়ে ১১টায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বের হওয়া র্যা লিতে অংশ নেন ছাত্র শিক্ষক সহ সকলে। র্যাকলিটি উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ডঃসায়েন উদ্দিন আহমেদ। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে এটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সচেতনতা নিয়ে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিডিএফের সভাপতি আলমগীর হোসেন, সুইড বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সচিব কল্পনা রায় ভৌমিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদ্রেস্টা সাদেকুল আরেফিন মতিন, সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ডঃ গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস সহ আরও অনেকে।
প্রতিবন্ধীদের উন্নত জীবন লাভের নিশ্চয়তা ও অধিকার আদায়ের প্রত্যাশায় সারা বিশ্বে যে দিবস উৎযাপন, তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উৎযাপনের মহৎ উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। আর এই মহান উদযাপনের সাথে একাত্ম হতে পেরে আনন্দিত ছাত্র শিক্ষক সহ সকলে। এধরণের সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ ভবিষ্যতেও চালু থাকবে, এটিই প্রত্যাশা সকলের।
Dec 13
হোস্টিং বিক্রি করার উপর আলোচনা (Want to be a Hosting Reseller, Reseller Control Panel Demo in Bangla)
Want to be a Hosting Reseller, Reseller Control Panel Demo. হোস্টিং বিক্রি করার উপর আলোচনা
[youtube http://www.youtube.com/watch?v=V_OQJeppAxM&w=640&h=480]
Dec 13
WordPress এর একটি ইমেইল মার্কেটিং প্লাগ ইন এর উপর আলোচনা (On email marketing a plugin demo, A plugin for WordPress in Bangla)
On email marketing, a plugin demo, A plugin for WordPress. WordPress এর একটি ইমেইল মার্কেটিং প্লাগ ইন এর উপর আলোচনা
Dec 13
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল অটোমোশন পদ্ধতিঃ Automotion system to be started in sylhet agricultural university
তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ লাভের ফলে সাবলীল হয়ে উঠছে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল অটোমোশন পদ্ধতির কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণ, ফলাফল তৈরি সহ শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম সহজ করার উদ্দেশেই মূলত এটি চালুর দাবি ছিল। এছাড়াও এতে সহজ হবে অর্থসংক্রান্ত বিষয়াদি, আবাসন বরাদ্দ সহ নানা কাজও। total automotion and IT facilities enhancement in university প্রকল্পের অধীনে সাইনটেক সফটওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় এটি বাস্তবে রূপ নেবে।
মঙ্গলবার ১লা ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ডঃ মোঃ গোলাম শাহি আলম এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এই প্রকল্পের এসপিএম ডঃ মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার মোঃ বদরুল ইসলাম, প্রোক্টর প্রফেসর ডঃ মোঃ আব্দুল বাসেত, ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ডঃ মোঃ মোহন মিয়া, মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর মোঃ শাহাব উদ্দিন, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ডঃ মোঃ এএফএম সাইফুল ইসলাম, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের ডিন পীযূষ কান্তি সরকার, কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ডঃ মিঠু চৌধুরী, ছাত্র পরামর্শ নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ডঃ মোঃ মতিয়ার রহমান, গ্রন্থগারিক সুবীর কুমার পাল, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস শাখার পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সরফুদ্দিন, প্রকৌশল শাখার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ফয়জুর রহমান, চিফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ অসীম রঞ্জন রায়, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালক মোঃ আনিসুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ সাজিদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দও। স্লাইড শোর মাধ্যমে অটোমোশনের কার্যপদ্ধতি ও উপযোগিতা ব্যাখ্যা করেন সাইটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হল উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার তীর্থভূমি। আর উচ্চশিক্ষার এই সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক বিজ্ঞানের সব প্রায়োগিক সুবিধা থাকবে, শিক্ষা হবে আরও জীবনমুখী ও স্বতঃস্ফূর্ত, এটিই সবার প্রত্যাশা। আর তাই এধরনের প্রযুক্তির ছোঁয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও যুগোপযোগী করবে, এটিই সংশ্লিষ্ট সবার আকাঙ্ক্ষা।
