Microsoft Project and Project Management

Microsoft Project ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনাঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

Microsoft Project এর আওতায় প্রকল্প তৈরি করা যায়। সেই প্রকল্পের আওতায় আবার বিভিন্ন কাজ বা টাস্ক করা যায়। এরকম প্রতিটা টাস্কের জন্য সাধারণত নাম, সময়, শুরুর সময়, শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় , ধারা ইত্যাদি নির্দিষ্ট করে দেয়া যায়। এ ধরণের কাজে পূর্বের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

 

 

টাস্ক গুলোর মধ্যে রিলেশন বুঝাতে SF (Start-Finish), FS(Finish-Start), SS, FF ইত্যাদি অনেক টার্ম ব্যবহার করা হয়। টাস্ক সম্পন্ন করার পর সেগুলোকে অনেক ধরণের ফরমেটে আমরা পেতে পারিঃ গান্ট চার্ট, ট্র্যাকিং গান্ট চার্ট, নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রাম ইত্যাদি। এদের মধ্য থেকে অনেক সময় অনেক জটিল পদ্ধতিও বেছে নিতে হয়।প্রতিটি টাস্কের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে খরচ ও রিসোর্স বেছে নেয়াও যায়। এছাড়াও প্রকল্পের অর্থনৈতিক লাভ ও উন্নতিও পর্যবেক্ষণ করা যায়। প্রকল্পের অগ্রগতির উপর রিপোর্টও লিখা যায়। এভাবে অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিশ্লেষণ করা যায়। মাইলস্টোন বা জিরো ডিওরেশনের টাস্কও থাকে যা শুরু থেকে সময় গননা করা হয়, কোন প্রকল্পের বিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে ধরা হয়।

 

Microsoft Project এর আওতায় ওয়ার্ক ব্রেকডাউন কাঠামো (Work Breakdown Structure :WBS), এড অন প্রোডাক্ট Add-on product (WBS Chart Pro) ইত্যাদি ফরম্যাট তৈরি করা যায় ও দেখা যায় মাইক্রোসফট প্রোজেক্ট ফাইলের আন্ডারে। অথবা WBS code ব্যবহার করেও এসমস্ত সুবিধা পাওয়া যায়। অনেক গুলো প্রজেক্টের কাজ গুছিয়ে রাখার জন্য Microsoft Project Server এর সাহায্য নেয়া যায়। কাজের সুবিধার জন্য আমরা ম্যাক্রোর সহায়তাও নিতে পারি। আমরা কাষ্টোমাইজ করার জন্য VBA এবং Active Scripting এর সাহায্য নিতে পারি। মাইক্রোসফটের প্রকল্পের জন্য প্রকল্পের প্ল্যানকে Microsoft power point বা Microsoft word ইত্যাদিতে রূপান্তরিত করে প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সম্ভব। প্রকল্প ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শিডিউল, বাজেট, উপাত্ত ব্যবস্থাপনা ,অগ্রগতি লক্ষ্য রাখা ও প্রতিবেদন তৈরি করা ইত্যাদিও জরুরী।

 

Microsoft Project এর জন্য টাস্ক তৈরি করতে যেসব তথ্য দিতে হবে তা হল আলাদা ভাবে প্রতিটি টাস্কের নাম, টাস্কের সময় ও টাস্কের সীমাবদ্ধতা। এরপর টাস্কের খরচের বাজেট করতে হবে, কর্মী নিয়োগ দিয়ে তাদের নরমাল ও ওভারটাইম দুই ধরণের বেতন ধরে। লক্ষ্য রাখার জন্য কাজের অগ্রগতি, সীমাবদ্ধতা ও পরিবর্তন ইত্যাদি ধরে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এরপর দেখতে হবে কোন সফটওয়ার কাজে লাগানো যায় কিনা। পরবর্তী সময়ে জনগনের মতামতের ভিত্তিতে প্রকল্পে পরিবর্তন আনতে হতে পারে, টাস্ক গুলোকে খণ্ড খণ্ড করে ভাগও করতে হতে পারে। ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে কাজের শিডিউলকে আরও সময়ানুবর্তী করা যেতে পারে। ডেটলাইন, শর্ত ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে।

 

প্রোজেক্ট ২০০৭ নতুন প্রকল্প, যাতে অনেক নতুন চার্ট, ক্যালেন্ডার, টাস্ক ড্রাইভার, শেয়ারপয়েন্ট সার্ভিস ও আরও অনেক সুবিধা যোগ করা হয়েছে।

How to Manage Projects with Dot Project

যেভাবে ডটপ্রজেক্টের মাধ্যমে কোন প্রকল্প চালাতে হয়ঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

ডটপ্রজেক্ট একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে কোন প্রকল্পের ব্যবস্থাপনাগত দিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আপাতত আমরা এর পরিচিতিমূলক দিক গুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এর সাথে টেকনিক্যাল কিছু বিষয় নিয়েও আলোচনা করব। এর পর আমাদের ওয়েব সাইটে আপনারা এবিষয়ে ভিডিও টিউটোরিয়ালও পাবেন।

 

যেভাবে ডটপ্রজেক্ট ইন্সটল করতে হয়ঃ

প্রথমে আনজিপ করে সার্ভারে ডটপ্রজেক্টের জন্য নতুন ফোল্ডার খুলতে হয়।

এরপর সার্ভারে ডটপ্রজেক্ট ফাইল কপি করতে হয়।

এবার ডাটাবেস সার্ভারে নতুন ডাটাবেস খুলতে হবে, নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে।

যে কোন একটি ব্রাউজার থেকে ডটপ্রজেক্ট এর ইন্সটল ফোল্ডার নির্দেশ করিয়ে দিতে হবে।যেমন,http://justetc.net/dotproject/install ইত্যাদি।

এরপর ডাটাবেসে প্রবেশের তথ্য দিতে হবে।

 

ডটপ্রজেক্ট ফিচারগুলোর সারসংক্ষেপঃ

ডটপ্রজেক্টে মূলত বিভিন্ন কোম্পানি, প্রোজেক্ট, টাস্ক, ক্যালেন্ডার, ফাইল, কন্টাক্ট, ফোরাম, টিকেট, ইউজার এডমিন, সিস্টেম এডমিন ইত্যাদি থাকে।

 

যেভাবে ডটপ্রজেক্ট দ্বারা প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করা হয়ঃ প্রজেক্টের আন্ডারে থাকে প্রপোজাল ট্যাব, যার থেকে প্রজেক্ট শুরু করা হয়। প্রপোজাল স্ট্যাটাস দিয়ে নতুন প্রপোজাল শুরু করা যায়। প্রয়োজনে প্রাসঙ্গিক টাস্ক তৈরি করা যায় দরকার হলে। প্রয়োজনে টাস্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে অন্য লোকের নিয়োগ দিতে হতে পারে। অভিজ্ঞ লোকের সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ করতে হয়। প্রপোজাল, প্রপোজাল ডকুমেন্ট, প্রপোজাল আউটলাইন তৈরি হয়ে গেছে তাই এখন প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা জরুরী।

 

প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনাঃ প্রজেক্টস এর ভেতরের ‘ইন প্ল্যানিং’ ট্যাব ব্যাবহার করতে হবে। এরপর প্রপোজাল প্রোজেক্টকে প্ল্যানিং প্রোজেক্ট এর ভেতর আনতে হবে। এডিট প্রোজেক্ট অপশন দিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে দিতে হবে। নতুন প্রজেক্ট করে ইন প্ল্যানিং ট্যাবে রাখা যেতে পারে। প্ল্যানিং নিজেই একটা প্রকল্প, এর সাথে অনেক টাস্ক, যোগাযোগ ইত্যাদির সমন্বয় করতে হতে পারে। প্ল্যানিং এর সময় আমরা পুরো প্রকল্পর ধাপে ধাপে কাজ গুলো ভাগ করে ফেলব। উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য আলাদা করে মানব সম্পদ, মান, ক্রেতা ইত্যাদি সব ঠিক করে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও অন্যান্য কাজ শুরু করে দিতে হবে।

 

প্রকল্প এগিয়ে নেয়াঃ প্রকল্পের প্ল্যানিং ও শুরুর অন্যান্য কাজ হয়ে যাওয়ার পর সময় ,খরচ ও মানবসম্পদ বিষয়ক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। CPM model for Time Management এর মাধ্যমে এই ধাপ গুলো করা যায়। এরপর কাজের ধারা, প্রকল্পের মান বজায় থাকছে কিনা ইত্যাদিও দেখতে হয়। ওয়াটার ফল, এগাইল বেসড মডেল এসবের দ্বারা মান নিশ্চিত করা হয়। প্রয়োজনে প্যারেন্ট প্রোজেক্ট ইত্যাদি ব্যাবহার করতে হয় এ ধাপগুলো সম্পন্ন করার জন্য। ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ ইত্যাদির একটি লিস্ট করে তাও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এরপর একে একে দেখতে হয় সব পূর্বশর্ত পুরন হয়েছে কিনা, সব টাস্ক ১০০% হয়েছে কিনা, কোয়ালিটি, রিসোর্স ও শর্ত পুরন হয়েছে কিনা। এরপর ক্রেতা ও ভোক্তার চাহিদা মিলিয়ে দেখে চূড়ান্ত ভাবে প্রকল্প সমাপন ঘোষণা করা হয়।
http://Bangla.SaLearningSchool.com

Some Topics on Project Communication Management

প্রকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কিছু কথাঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

বড় প্রকল্পের জন্য পূর্ব পরিকল্পিত ও নিখুঁত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজন আছে। যদিও পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে যে কোন পরিকল্পনা পরিবর্তিত হতে পারে।

 

প্রকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার মূল সারসংক্ষেপঃ

প্রকল্প যোগাযোগ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, এটি অনেক চাতুর্যপূর্ণ ও রাজনৈতিক হতে পারে, প্রোজেক্ট রেকর্ড গ্রহন, প্রেরণ, সংরক্ষণ ও বণ্টন বিষয়ক হতে পারে, এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত চারটি নিয়ম মেনে চলেঃ

কি যোগাযোগ,

কার সাথে,

কখন ও

কীভাবে।

 

মাশরুম প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টঃ তথ্য গোপন রেখে কাজ শেষ করার প্রবনতা এই ধরণের কাজের ধারায় পরে।

 

যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার উপধারাগুলোঃ

যোগাযোগ পরিকল্পনা,

সম্পাদন,

পর্যবেক্ষণ ও

নিয়ন্ত্রণ

মূলত এই ক্ষেত্র গুলো যোগাযোগ পরিকল্পনার উপধারা সমুহ।

 

যোগাযোগের এই ধারা গুলো পারস্পরিক শেয়ার ও প্রকাশের মাধ্যমে শরিকদের মধ্যে গোলযোগের সম্ভবনাকে কমিয়ে আনা সম্ভব। একই সাথে দলগত অনুপ্রেরণা বাড়িয়ে তোলা সম্ভব।

 

প্রকল্প ব্যবস্থাপক বা প্রোজেক্ট ম্যনেজারের ভুমিকাঃ বেশিরভাগ সময় যোগাযোগ রক্ষা করা, মূলত সিদ্ধান্ত নেয়ার চেয়েও যোগাযোগ রক্ষা করা বেশি দরকার হতে পারে। যোগাযোগ পরিকল্পনা, ফলাফল, সময়, মিডিয়া, ওয়েব, ই মেইল, কোন তথ্য কাকে ইত্যাদি কাজ প্রোজেক্ট ম্যানেজারকেই করতে হয়। যাদের সাথে কাজ করতে হবে এমন সংস্থার পরিবেশগত দিক, প্লানিং, সম্ভবনা ইত্যাদি বিষয়েও তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

 

প্রোজেক্ট ম্যনেজারের প্রধান মাধ্যম বা টুলসঃ যোগাযোগ চ্যানেল, যা মূলত যোগাযোগ প্রকরণগুলোকে ঠিক রাখে। N সঙ্খক লোক n(n-1)/2 সঙ্খক উপায়ে যোগাযোগ করতে পারে এরকম একটি হিসাব আছে এই বিষয়ে। এক্ষেত্রে একটি সাবসেট নির্ধারণ করা হয়, মাঝে মাঝে অফিশিয়াল যোগাযোগ চ্যানেল ঠিক করা লাগতে পারে। আর যোগাযোগের ক্ষেত্রে অনলাইন যোগাযোগ, ভিডিও কনফারেন্স ইত্যাদিও মাধ্যম হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনাঃ এর মধ্যে আছে কাকে জানাতে হবে, কি জানাব, কাকে পাঠানো যায়, তথ্য প্রেরণের মাধ্যম, আপডেট রাখার জন্য কি করতে হবে ইত্যাদি।

 

তথ্য বণ্টনঃ তথ্য বণ্টনের জন্য প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাধারণত যোগাযোগের মডেল ব্যবহার করেন, যে মডেলে কয়েকটি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হয়, মনোযোগ দিয়ে তথ্য শোনা, তথ্য সংরক্ষণ, ভাষাগত দিক ইত্যাদি।

 

যোগাযোগের মাধ্যমগুলো হলঃ

প্রথাগত লেখা বা ফরমাল রাইটিং,

সাধারণ লেখা,

প্রথাগত মৌখিক যোগাযোগ ও সাধারণ মৌখিক যোগাযোগ।

 

পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করাঃ

মূলত প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে স্টেক হোল্ডারদের জানানো ও নিয়মিত অবহিত রাখার জন্য রিপোর্ট দেয়ার পদ্ধতি।

 

এখানে মূলত প্রকল্প ব্যবস্থাপনার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা PMI and PMBOK(Project Management Body of Knowledge) থেকে নেয়া হয়েছে।

http://Bangla.SaLearningSchool.com

Project Risk Management

রিস্ক কি?
PMI এর মতে, Risk বলতে প্রকল্পের একটি অনিশ্চিত ঘটনা – প্রকল্পের  উপর ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে এমন বুঝায় ।

 

Risk Management Plan includes:

Risk Management Plan এর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং পন্থাঃ

ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা
সনাক্তকরণ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য সম্পদ নিয়োগ
ঝুঁকি বিভাগ
ঝুঁকি সম্ভাব্যতা এবং প্রভাব
ঝুঁকি প্রতিবেদন এবং ট্র্যাকিং বিন্যাস

 

ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রসেস:

ঝুঁকি সনাক্তকারী
ঝুঁকি বিশ্লেষণ
ঝুঁকি প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা
ঝুঁকি Monitoring ও কন্ট্রোল

 

ঝুঁকি সনাক্তকারী প্রক্রিয়া:
ঝুঁকি সনাক্তকারী প্রক্রিয়া আউটপুট:
ঝুঁকি নিবন্ধন – চিহ্নিত ঝুঁকি তালিকা
ঝুঁকির মূল কারণ সংক্রান্ত একটি তালিকা
সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া একটি প্রাথমিক তালিকা

ঝুঁকি বিশ্লেষণ
ঝুঁকি সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া আউটপুট ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়.
গুণগত ঝুঁকি বিশ্লেষণ: ঝুঁকি অগ্রাধিকার প্রতিটি উদ্দেশ্য জন্য একটি সম্ভাবনা ও প্রভাব ম্যাট্রিক্স উপর ভিত্তি করে

পরিমাণজ্ঞাপক ঝুঁকি বিশ্লেষণ:
প্রতিটি প্রকল্পের উদ্দেশ্য পূরণের সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন
সামগ্রিক প্রকল্পের উদ্দেশ্য উপর তাদের মোট প্রভাব উপর ভিত্তি করে ঝুঁকি অগ্রাধিকার.

ঝুঁকি রেসপন্স প্ল্যান
প্রতিটি ঝুঁকি জন্য অগ্রাধিকার উপর নির্ভর করে:
কোনো পদক্ষেপ নিন
কিছু ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা
ব্যবস্থা গ্রহন করা

ধন্যবাদ , আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন 🙂

Project Cost Management – Part 2

প্রকল্প মূল্য ব্যবস্থাপনাঃ ২য় পর্ব।
রিদওয়ান বিন শামীম।

 

প্রকল্প মূল্য ব্যবস্থাপনার উপর কিছু সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করছি,

অর্জিত মূল্যঃ এটি হল প্রকল্পের জন্য খরচ করা অর্থ, ডবল এন্ট্রি একাউন্টিঙের মত প্রতিটি খরচের জন্য পুঞ্জিত অর্থ সঞ্চিত থাকে।

বাজেটেড এট কমপ্লেসন (BAC)ঃ প্রকল্প সম্পাদনের জন্য মূলত কত অর্থ বরাদ্দ ছিল তার হিসাব।

প্ল্যানড ভ্যলুঃ কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রকল্পের কতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে তা হিসেব করে প্ল্যানড ভ্যলু।

(Planned Value = Planned% complete*BAC)।

অর্জিত মূল্য (EV): কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কতটুকু কাজ হয়েছে তা অর্জিত মূল্য দ্বারা বোঝানো হয়।

প্রকৃত খরচঃ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যয়কৃত অর্থ।

কস্ট ভেরিএন্স বা CV ঃ অনুমিত খরচ ও প্রকৃত খরচের পার্থক্য, CV = EV – AC।

শিডিউল ভেরিএন্স বা SV: অনুমিত শিডিউল ও প্রকৃত শিডিউলের মধ্যে পার্থক্য, অর্থাৎ SV=EV-PV।

কস্ট পারফরমেন্স ইনডেক্স CPI: এটি খরচের একটি হার যেখানে প্রকৃত ব্যয় অনুমিত ব্যয়কে সমর্থন করে। CPI কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হয়ে থাকে, CPI = EV/AC।

কুমুলেটিভ সিপিআইঃ প্রকল্প শুরু থেকে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সিপিআইকে কুমুলেটিভ সিপিআই বলে।

CCPI = CEV/CAC।

শিডিউল পারফরমেন্স ইনডেক্স SPIঃ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যদি প্রকল্প অনুমিত হারে সম্পন্ন হয় তবে তাকে শিডিউল পারফরমেন্স ইনডেক্স বলে।

কাজ সম্পন্ন হওয়ার সার্বিক অনুমান,EAC: কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সম্পন্ন কাজের হার দেখে পুরো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা আন্দাজ করাকে সার্বিক অনুমান হিসেবে ধরা হয়। EAC = BAC/CCPI।

কাজ সম্পন্ন হতে সার্বিক অনুমান,ETC: এ ক্ষেত্রে পূর্বের পরিসংখ্যান দেখে আন্দাজ করা হয় আর কত অর্থ পুরো প্রকল্পে খরচ হতে পারে।

ভারিএন্স অফ কমপ্লেসন VAC: অনুমিত ব্যয় ও প্রকৃত ব্যয়ের পার্থক্য, VAC = BAC – EAC।

 

প্রকল্প ব্যয়ের উপর ভাল ধারণা পেতে প্রকল্প ব্যবস্থাপককে এই বিষয় গুলোতে জ্ঞান থাকতে হবে। কিসে কত খরচ হল, কীভাবে কি করব ইত্যাদি জানতে এগুলো জানা থাকতে হবে।

Project Cost Management – Part 1

প্রকল্প মূল্য ব্যবস্থাপনাঃ (১ম পর্ব)
রিদওয়ান বিন শামীম

প্রকল্প মূল্য ব্যবস্থাপনার কিছু ধারণা এখানে দেয়া হল।

প্রথমেই আলোচনা করতে হয় মূল্য বিষয়ক কয়েকটি ধাপ নিয়ে,ক্রয়মূল্য, প্রক্রিয়ার খরচ, কাজ শেষ হওয়ার পর্যন্ত খরচ ইত্যাদি।

 

মূল্য প্রকৌশলঃ

কোন প্রকল্প থেকে আমরা যে বিষয় গুলো আশা করে থাকি সে গুলো হল,

খরচ কমানো,

মূল্য বৃদ্ধি করা,

মান বৃদ্ধি করা,

শিডিউল সংক্ষিপ্ত করা ও

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা কমতে না দেয়া ইত্যাদি।

 

মূল্য নির্ধারণ করাঃ প্রকল্প সম্ভবনা নির্ণয়ের পর কাজের খণ্ডাংশের কাঠামো যখন নিরুপিত হয় তখন মূল্য নির্ধারণ করা যায়। এ প্রক্রিয়াটি কিন্তু বারবার পুনরাবৃত্তি করা যায়।

 

মূল্য নির্ধারণের টুলসঃ

পূর্বের বিভিন্ন কাজ পর্যবেক্ষণ করে একই রকমের বিভিন্ন মূল্য অনুমান করা হয়।

 

প্রতিটা কাজের (atomic task) জন্য খরচের আলাদা হিসাব করা হয়, সময়ও নির্ধারণ করা হয়। একে বোটম আপ এস্টিমেট বলা হয়।

 

স্থিতি মাপক হিসাব বলে আরেকটি পদ্ধতি আছে, এক মাইল রাস্তা বানাতে যদি ৪০০,০০০ টাকা লাগে তাহলে ১০ মাইল রাস্তা বানাতে ১০x৪০০,০০০ টাকা লাগবে- এটি স্থিতি মাপক হিসাব।

 

রিজার্ভ এনালাইসিস হল প্রকল্পের স্লিপেজের সাপেক্ষে এক প্রকার বাফার কস্ট, মানের জন্য হিসাবঃ অভীষ্ট মান লাভের জন্য যে অনুমিত হিসাব তাকে আউটপুট হিসেবে ধরা হয়, এটি হল কাজের জন্য অনুমিত হিসাবের ফলাফল।

 

কস্ট বাজেটিংঃ এটি হল খরচ ও তারিখের পরিকল্পনা, কখন কিসের উপর কত খরচ করা হবে তা এর উপর নির্ভর করে, এটিকে কস্ট বেস লাইনও বলা হয়ে থাকে। কর্মসূচি নির্বাচন ও শিডিউল নির্ধারণের পর বাজেটিং সম্পন্ন হয়। কর্মকাণ্ডের সময় ও রিসোর্স বাছাইও এর মধ্যে পড়ে। কাজ সম্পাদনের সময় কাজের খরচ একসাথে হিসাব করে খরচের হিসাবের পরিমাপ, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ সম্পন্ন করতে হয়। এরপর রিসার্ভ এনালিসিসে খেয়াল রাখতে হয় যাতে খরচ বেশি হলেও তা যেন সমস্যা না করে। সরাসরি ও সহজ সুত্র গুলো কাজে লাগাতে প্যারামেট্রিক হিসাব ব্যবহার করতে হয়। প্রকল্প অর্থায়নের জন্য লিমিট রিকনসিলিয়েসন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়।

 

মূল্য নিয়ন্ত্রণঃ পর্যবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন মূল্য নিয়ন্ত্রণের প্রধান ক্ষেত্র, যেটি স্থায়ী চক্রাকারে হতে পারে আবার মাসিক বা ২ সপ্তাহের চক্র হিসেবেও হতে পারে। মূল্য পরিবর্তনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বেস লাইনের পরিবর্তন , পারফরমেন্সের বিশ্লেষণ, কস্ট পারফরমেন্সের ইনডেক্স, প্রাপ্ত চূড়ান্ত মূল্য, বর্তমান ও অতীত মূল্য থেকে ভবিষ্যতের মূল্য আন্দাজ করা , সেই তথ্য প্রকাশ করা, প্রকরণ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি মূল্য নিয়ন্ত্রণের অন্তর্ভুক্ত, যার ফলাফল হল মূল্য হিসাব আপডেট ও কস্ট বেস লাইন আপডেট ।

পিএইচপি ৫ অ্যারে (PHP 5 Arrays)

আক্তারুজ্জামান

Department of CSE , University of Chittagong

 

একটি single ভেরিয়েবলে একের অধিক মান স্টোর করতে অ্যারে ব্যাবহার করা হয়।

উদাহরনঃ


<?php
$cars = array("Volvo", "BMW", "Toyota");
echo "I like " . $cars[0] . ", " . $cars[1] . " and " . $cars[2] . ".";
?>

 

অ্যারে কি? (What is Array?)

অ্যারে হল একটি বিশেষ ভেরিয়েবল যা একই সময়ে একের অধিক মান ধারণ করতে পারে। নিচের আলোচনা থেকে অ্যারে সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পাওয়া যাবে।

নির্দিষ্ট কিছু আইটেম এর একটি লিস্ট কল্পনা করা যাক (উদাহরণস্বরূপ কিছু দেশের নামের একটি লিস্ট)। এখন এই লিস্টিটি যদি আমরা কোন একটি single ভেরিয়েবলে store করতে চাই তাহলে নিচের মত হবে-


$country1 = ”Bangladesh”;
$country2 = ”India”;
$country3 =”Pakistan”;
$country4 =”Nepal”;
$country5 =”Sri Lanka”;


 

এইখানে মাত্র ৫ টা দেশের একটি লিস্ট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কি হবে যদি আপনার ৩০০ টা দেশের একটি লিস্ট থাকে ? কিভাবে আপনি নির্দিষ্ট কোন দেশের নাম সন্ধান করবেন? এই সমস্যা সামাধানের জন্য মূলত array ব্যাবহার করা হয়। অ্যারের মাধ্যমে একটি single ভেরিয়েবলে অনেকগুলো ডাটা জমা রাখা যায় এবং প্রতিটা আইটেমের নির্দিষ্ট একটি ইনডেক্স নাম্বার থাকে, যাতে করে যে কোন আইটেম কে সহেজে এক্সেস করা যায়।

 

পিএইচপি তে অ্যারে তৈরি করা (Create an Array in PHP)

PHP তে array() ফাংশন টা ব্যাবহার করে একটি অ্যারে তৈরি করা হয়।


array();

 

পিএইচপি তে সাধারণত তিন ধরণের array রয়েছে।

  • Indexed Arrays
  • Associative Arrays
  • Multidimensional Arrays

নিচে এই তিন ধরণের array নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

 

পিএইচপি ইনডেক্সেড অ্যারে (PHP Indexed Arrays)

পূর্ন সংখ্যার index/key নিয়ে যেই অ্যারে তৈরি করা হয় ওইটিকে ইনডেক্সেড অ্যারে বলে। দুভাবে ইনডেক্সেড অ্যারে তৈরি করা যায়।
ইনডেক্স নিচের মত অটোমেটিকেলি assign করা যেতে পারে (এখেত্রে index সবসময় 0 থেকে আরম্ভ হয়) :


$countries = array(“Bangladesh”,”India”,”Pakistan”,”Nepal”);

 

অথবা index নিচের মত ম্যানুয়ালি assign করা যেতে পারেঃ


 $countires[0] = “Bangladesh”;
 $countries[1] = ”India”;
 $countries[2] = ”Pakistan”;

 

নিচের উদাহরণটিতে countries নামের একটি indexed array আছে, যেইখানে তিনটা মান assign করা হয়েছে এবং পরে মান তিনটি একটি টেক্সটের ভিতর প্রিন্ট করা হয়েছে।


< ?php
 $countries = array("Bangladesh", "India", "Pakistan");
 echo $countries[0].", ".$countries[1]." and ".$countries[2]". " are three neighboring 
      countries";
 ?>

 

এই কোডটির আউটপূট হবে :


Bangladesh, India and Pakistan are three neighboring countries.


 

PHP Associative Arrays (অ্যাসোসিয়েটিভ অ্যারে)

এতক্ষন পূর্ণ সংখ্যার index/key নিয়ে বলা হয়েছে, তবে ইনডেক্স হিসেবে string ও ব্যাবহার করা যায় আর এইভাবে তৈরি অ্যারে কে associative array বলে। যেমন:


< ?php
 $age = array("Peter"=>"35", "Ben"=>"37", "Joe"=>"43");
 echo "Peter is " . $age['Peter'] . " years old.";
 ?>

 

এই কোডটির আউটপূট হবেঃ


Peter is 35 years old.


 

Multidimensional Arrays (মাল্টিডাইমেনশনাল অ্যারে )

PHP advanced সেকশনে মাল্টিডাইমেনশনাল অ্যারে নিয়ে বিসদ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

 

Project Schedule Development: Part of Project Time Management

প্রকল্পের সময়সূচী গঠনঃ সময় ব্যবস্থাপনার একটি অংশ
রিদওয়ান বিন শামীম

প্রকল্পের স্থিতিকাল, শেষ হওয়ার তারিখ, কাজের সময়সূচী ঠিক করা ইত্যাদি এই অংশে আলোচিত হয়।

 

সময়সূচী গঠনে ইনপুটঃ

কাজের তালিকা,

কাজের সংগঠন প্রণালী,

প্রকল্পের শিডিউল নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রাম অর্থাৎ সবগুলো কাজের সময়ের মধ্যে স্থিতি, কাজের স্থিতিকাল, কাজের রিসোর্সের দরকারি বিষয়, রিসোর্সের ক্যালেন্ডার ইত্যাদি সময়সূচী গঠনে ইনপুট হিসেবে কাজ করে।

 

সময়সূচী গঠনে টুলসঃ

ক্রিটিকাল পাথ মডেল (CPM) নামক একটি পদ্ধতি ব্যপক ভাবে ব্যবহার করা হয় প্রকল্পের স্থিতিকাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে। এছাড়াও সার্বিক শিডিউলের কোন পরিবর্তন না করেও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের সূচির কোন পরিবর্তন আনতে হলে এই সিপিএম মডেল দ্বারাই তা করা হয়।

 

ক্রাশিং ও ফাস্ট ট্র্যাকিংঃ প্রকল্পে আরও রিসোর্স যোগ করলেও সার্বিক ভাবে যেন সময় বেশি না লাগে সেটা ঠিক করতে ক্রাশিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। [Note: Fred’s theory: Adding resources to an already delayed project will/may increase the delay] ফাস্ট ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে অনেকগুলো কাজ এক সাথে সমান্তরাল ভাবে করা সম্ভব হয়। যদি কোন প্রয়োজনীয় রিসোর্স না পাওয়া যায় তখন পরিস্থিতি অনুকুলে রাখতে রিসোর্স লেভেলিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এটি অনেকটা ক্রিটিকাল পাথ মডেল এর মতই, ক্রিটিকাল পাথ মডেলে ফ্লোট নামের একটি কনসেপ্ট ব্যবহার করা হয়। সিপিএম মডেল প্রথমে কাজের মোট সময় হিসাব করে তারপর হিসাব করে ফ্লোট, অর্থাৎ প্রকল্পের ক্ষতি না করে প্রতিটা কাজের ক্ষেত্রে কতটা কাজ কমানো যায় সেটা। সিপিএম মডেল নিশ্চিত করে, কোন কাজের পরিমাপ যেন তাদের ফ্লোটের পরিমান না ছাড়িয়ে যায়।

 

ক্রিটিকাল চেইন মেথডঃ ক্রিটিকাল চেইন মেথডে প্রতিটি কাজের শুরু ও শেষ হওয়ার জন্য সর্বশেষ অনুমিত সময় আলাদা ভাবে ঠিক করা হয়, এরপর কাজগুলোর মধ্যে বাফার অনুমিত হয়, কাজের লক্ষ্যমাত্রা কখনো এই বাফারকে ছাড়িয়ে যায় না।

 

কোম্পানি ক্যালেন্ডারঃ কোম্পানি ক্যালেন্ডার ছুটির তালিকা ও অন্যান্য দিন যেগুলোতে প্রকল্পের কাজ হবে না তা ঠিক করে। এছাড়াও লিড ও লেগ নামক পদ্ধতিও প্রকল্প সময়সূচী গঠনের অন্যতম টুলস।

 

সিপিএম মডেল ব্যবহারঃ

কাজের ধারাঃ সিপিএম মডেল প্রকল্পের কাজ ও সময় বোঝাতে অ্যারো, নড ও কানেক্টর ব্যবহার করে অ্যারো ডায়াগ্রাম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। এরপর ক্রিটিকাল পাথ তৈরি করে ও ফ্লোট হিসাব করে। এরপর দ্রুত কাজ শুরু ও শেষ করার জন্য সময় হিসাব করতে হয়, Early start date + duration – 1 । হিসাব করতে হয় বিলম্বে শুরু ও শেষ হওয়ার সম্ভবনাও, Late start date + duration – 1 । এরপর ফ্রি ফ্লোট ও নেভিগেট ফ্লোট হিসাব করতে হয়। এই সবগুলো ভ্যালু হিসাব করলে তা শিডিউল নিয়ন্ত্রণকে অনেক এগিয়ে নেয়।

 

Professional Responsibilities for Project Managers: A Quick Review

প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের পেশাগত দায়িত্বঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের সাধারণ দায়িত্ব হল যেকোনো পরিস্থিতিতে সরাসরি এবং নৈতিকভাবে আইনানুগ পন্থায় সমস্যার সমাধান করা। পরিষ্কারভাবে সরাসরি কথা বলা ও কাজ করা। দ্রুত,সরাসরি ও নিয়মনিষ্ঠ ভাবে কাজ করতে পারা। কোন বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার চেয়ে সরাসরি তার মোকাবেলা করাই প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের কাজ।

 

পেশাগত দায়িত্ব কয়েকটি বিষয় নিয়ে সমন্বিতঃ

পেশার প্রতি দায়িত্ব,

জনগন ও সেবাগ্রহীতার প্রতি দায়িত্ব ।

 

পেশার প্রতি দায়িত্ব মূলত সংগঠনের সকল নিয়ম ও নীতিমালা মেনে চলা, পেশাগত দক্ষতাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ।

 

অন্যদিকে জনগন ও সেবাগ্রহীতার প্রতি দায়িত্ব হল সঠিক ও সম্পূর্ণ, প্রয়োজনীয় ও নিয়মতান্ত্রিক তথ্য তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া। পেশাগত সেবার দায়িত্ব পালন করা। প্রয়োজনে তথ্যের সংবেদনশীলতা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা। সেইসাথে মুনাফার প্রত্যাশা যেন জনস্বার্থ বিঘ্নিত না করে তা দেখতে হবে, উৎকোচ বা এজাতীয় কিছু নেয়া চলবে না।

 

পেশাগত দায়িত্বকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব,

জ্ঞানের অন্বেষণে অনুপ্রেরণা,

ব্যক্তিগত উপযোগিতা বৃদ্ধি,

স্টেকহোল্ডারদের মুনাফার বিষয়ে সতর্ক থাকা,

স্টেকহোল্ডার ও টিমের ভেতরে যোগাযোগ ঠিক রাখা।

 

নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বঃ

সবসময় সঠিক কাজটি করা,নিজ দেশের আইন ও নিয়ম মেনে। যদি অন্য কোন দেশের কোন বিষয়ের সাথে প্রকল্পটির কোন সম্পর্ক থাকে তাহলে তা ভাল করে জেনে নিয়মমাফিক সম্পন্ন করতে হবে । সংগঠনের নীতিমালার মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে নিষ্ঠাবান হতে হবে। প্রকল্পের কর্মপ্রণালী অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। পিএমআই (PMI) ৪৪টি কর্মপ্রণালী এজন্য উপযোগী বলে মত প্রকাশ করেছে যেগুলো ঝুঁকি কমায় , সময় ও খরচের দিক থেকেও লাভবান করে। সেই সাথে অন্যদের প্রতি সম্মান ও সৌহার্দ্য বজায় রাখাও জরুরী।

 

জ্ঞানের অন্বেষণে অনুপ্রেরণাঃতথ্য আদানপ্রদান করা ও পরস্পর বিনিময় করার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া ঠিক রাখা হয়। তথ্য শেখানো, পাবলিশ করা ও প্রচার করার জন্য এগুলো দরকার হয়।

 

ব্যক্তিগত উপযোগিতা বৃদ্ধিঃব্যক্তিগত উন্নতির সাথে সাথে নিজের ভুলগুলো সংশোধন করাও প্রয়োজন।

 

স্টেকহোল্ডারদের মুনাফার বিষয়ে সতর্ক থাকাঃ মুনাফা কমবেশি বা ভিন্নমুখী হতে পারে। এ ধরণের সঙ্কট নিষ্ঠার সাথে মোকাবেলা করতে হবে,এক্ষেত্রে সৎও থাকতে হবে। অবশ্যই ক্রেতার স্বার্থ আগে দেখতে হবে। স্টেকহোল্ডার ও টিমের ভেতরে যোগাযোগ ঠিক রাখাঃ যোগাযোগ সচ্ছ হতে হবে, সাংস্কৃতিক ব্যবধান সম্মানের সাথে দেখতে হবে, অলসতা ও অসাবধানতা কোন ভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে, এই মানদণ্ডগুলো বিঘ্নিত করে কোন প্রকল্প সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব না। এগুলো অবশ্যই প্রকল্প ব্যবস্থাপককে লক্ষ্য রাখতে হবে।
http://Bangla.SaLearningSchool.com

Initiate a Project

একটি প্রকল্প যেভাবে শুরু হবেঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

অনেক কারণে আমাদেরকে নতুন প্রকল্প চালু করতে হয় ।যেসব কারণে সাধারণত প্রকল্প শুরু করা হয় সেগুলো তিন ধরনের হয়ে থাকে,

বাণিজ্যিক কারনে,

সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এবং

সমস্যা তৈরি হওয়ায়।

 

যেমন কোন সরকার তাদের বিমান খাতটিকে নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার সাথে সংযুক্ত করতে চায় সেক্ষেত্রে তাকে কোন কোম্পানি খুঁজে বের করতে হবে যারা ই কমার্স ওয়েব সাইট তৈরি করে কাজ শুরু করবে। এটা বাণিজ্যিক কারণের একটি উদাহরণ।

 

আবার কোন পণ্য চাহিদা বেড়ে গেলেও সুযোগ সৃষ্টি হয় নতুন প্রকল্প শুরু করার, যেমন আইফোন বিষয়ক প্রকল্পগুলো এরকম উদাহরণ হতে পারে।

 

সমস্যা মোকাবেলার জন্যও নতুন প্রকল্প নেয়া হয় যেমন, দুর্ঘটনা এড়াতে বিমান কর্তৃপক্ষ সমস্যা চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে নতুন প্রকল্প শুরু করতে পারে।

যেভাবে প্রকল্প নির্বাচন করা হয়ঃ

অনেক গুলো সমস্যা থেকে গুরুত্ব অনুসারে একটি সমস্যা প্রকল্পের জন্য নির্বাচন করা হয়। কিন্তু সেটা কীভাবে?

প্রথমে স্ক্রলিং মডেল তৈরি করে উপাত্ত দ্বারা সম্ভাব্য লাভ ক্ষতি নিরূপণ করে দেখা হয় কোন প্রকল্প বেশি লাভজনক হবে।তারপর খরচের খতিয়ান নিরূপণ করে ইকোনমিক মডেল তৈরি করা হয়। যাতে থাকে খরচের বেনিফিট রেসিও, ক্যাশ ফ্লো,ইন্টারনাল রিটার্ন রেট, প্রেসেন্ট ভ্যালু এবং নেট প্রেসেন্ট ভ্যালু,অপরচুনিটি কসট,ডিসকাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো এবং রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট ইত্যাদি দেখা হয়।

 

এরপর দেখতে হবে প্রকল্পটি সফল হবে কিনাঃএটি আন্দাজ করার জন্য অনেক গাণিতিক পদ্ধতি আছে, প্রকল্পের স্টেকহোল্ডারদের সম্পর্কে আইডিয়া রাখতে হবে, কারণ একটি প্রকল্প থেকে অনেকে লাভবান হবে অনেকে তেমন লাভবান হবে না। স্টেকহোল্ডারদের এই দুটি গ্রুপকেই মানিয়ে রাখতে হবে।

এরপর যেভাবে কাজ এগিয়ে যাবেঃ

প্রজেক্টের কাজের উন্নয়নের জন্য প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে কন্ট্রাক্ট,

কাজের স্টেটমেন্ট,

এন্টারপ্রাইজের পরিবেশগত দিক ও অরগানাইজেসনাল প্রসেস এসেটের উপরে।

 

প্রকল্প পরিকল্পনার সফলতার জন্য দরকারঃ

প্রকল্প নির্বাচন প্রক্রিয়া,

ব্যবস্থাপনা ,

তথ্য ও দক্ষ কর্মীর সঞ্চালনা।

প্রকল্পের পরিকল্পনার ফলাফলের জন্য লক্ষ রাখতে হবেঃ

প্রকল্প বিবেচনা, বর্ণনা এবং প্রয়োজনীয়তার দিকে।

সম্ভাব্যতা, উচ্চ মানের শিডিউল ও বাজেটের দিকেও নজর রাখতে হবে।

 

এরপর প্রকল্পের বিভিন্ন স্তরের উন্নয়ন ও কাজের অগ্রগতি খেয়াল রেখে প্রিলিমিনারি প্রোজেক্ট স্কোপ স্টেটমেন্ট ও ডেভেলপিং প্রোজেক্ট স্কোপ স্টেটমেন্ট ইত্যাদি প্রস্তুত করতে হয়। প্রিলিমিনারি প্রোজেক্ট স্কোপ স্টেটমেন্ট লিস্টে যা থাকা উচিত তা হলঃ লক্ষ্য, পণ্য বা সেবার ধরণ,বৈশিষ্ট্য ও সেটার উপযুক্ত ভোক্তা,প্রারম্ভিক কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণী, শিডিউল,কর্মীদের দল ও তাদের তথ্য,প্রকল্পের ঝুঁকি, সম্ভাব্য খরচের হিসাব ইত্যাদি। এভাবেই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে।

http://Bangla.SaLearningSchool.com