প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টঃ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

প্রোজেক্ট বলতে কি বোঝায়?
প্রোজেক্ট বলতে এমন কর্মকাণ্ডকে বোঝায় যাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কোন পণ্য উৎপাদন করা হয় কিংবা কোন সেবা প্রদান করা হয় অথবা যেকোনো ধরনের ফলাফল প্রদান করা হয়। পণ্য বলতে কোন ভৌত বস্তু যেমন একটি টেলিভিশনকে বোঝায়। সেবা বলতে ইন্টারনেট কিংবা একটি ওয়েবসাইট আর ফলাফল বলতে কোন রিসার্চ প্রোজেক্টের জ্ঞান ভিত্তিক ফসল যেমন অ্যনালাইটিক্যাল মডেল বা কোন কিছুর প্রমাণকে বোঝানো হচ্ছে। প্রোজেক্ট একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যাতে কোন ধারণাকে ভিত্তি করে কোন ফলাফল আশা করা হয় আর সেই ফলাফল প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে নানা পরিকল্পনা এঁটে তা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন করা হয়। এছাড়া এতে নানামুখি তদারকি ও নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা থাকে যাতে প্রত্যাশিত ফলাফল সময় মত পাওয়া যায়।

প্রোজেক্ট ও অপারেশনের পার্থক্য:
অপারেশন আর প্রোজেক্ট এক কথা নয়। অপারেশন বলতে কোন প্রতিষ্ঠানকে চলমান রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। যেমন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে অপারেশন বলতে ক্লাস চালিয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক গবেষণা পরিচালনা করাকে বোঝায়। আবার একটি ফুড শপের জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার বিক্রি করাটাই একটি অপারেশন। কিন্তু একটি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা একটি ফুড শপ তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রোজেক্ট বলা হয়। সফ্টওয়্যার ডেভলপমেন্টের বেশিরভাগ প্রক্রিয়াই প্রোজেক্ট নির্ভর।

প্রোজেক্টের বিভিন্ন ধাপ:
১. সুচনাঃ এই ধাপে প্রোজেক্টের কাজ আরম্ভ করা হয়।
২. পরিকল্পনাঃ এই ধাপে লক্ষ্য কিভাবে অর্জন করা হবে তার পরিকল্পনা করা হয়। আর এই পরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন ও তদারকির সাথে সামঞ্জস্য রেখে করতে হবে।
৩. বাস্তবায়নঃ এই ধাপে লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হয়।
৪. তদারকিঃ প্রোজেক্টের অগ্রগতি তদারকি করাই এ ধাপের প্রধান কাজ। এছাড়া অগ্রগতি অনুযায়ী পরিকল্পনার পরিবর্তন এমনকি বাস্তবায়নেও পরিবর্তন আনতে হয়।
৫. সমাপ্তিঃ লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পর এই ধাপে প্রোজেক্ট সমাপ্ত হয়।
প্রোজেক্ট পরিচালনায় প্রয়োজনীয় জ্ঞানের ক্ষেত্রসমুহঃ
প্রতিটি প্রোজেক্টের লক্ষ্য অর্জনে কিছু বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োজন হয়। একটি প্রোজেক্টে বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। প্রতিটি প্রক্রিয়াতেই পুরো প্রজেক্টের একটি অংশকে লক্ষ্য হিসেবে নেয়া হয়। এতে সাধারণত কাঁচামাল প্রয়োগ করে তারপর যন্ত্রপাতি ও কিছু কৌশল প্রয়োগ করে কোন কিছু উৎপাদন করা হয়। এজন্য প্রতিটি প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে সেই ক্ষেত্রের জ্ঞান থাকা আবশ্যক। এরকম সাধার ক্ষেত্রগুলি হচ্ছেঃ
১. সুযোগ সুবিধার উপযুক্ত প্রয়োগ
২. সময় ব্যবস্থাপনা
৩. ব্যায় ব্যবস্থাপনা
৪. মানব সম্পদ উন্নয়ন
৫. উৎপাদন পর্যালোচনা
৬. ঝুকি ব্যবস্থাপনা
৭. মান নিয়ন্ত্রন
৮. সমন্বয় তৈরিকরন
৯. যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা
প্রতিষ্ঠান ধরন অনুযায়ী যেভাবে প্রোজেক্ট প্রভাবিত হয়ঃ
১. কাজ ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানঃ
এধরনের প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি আলাদা কাজের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্টে বিভক্ত থাকে। প্রজেক্টের কাজসমুহ সাধারণত এই ধরনের আলাদা স্বাধীন ইউনিটগুলোর দ্বারাই সম্পাদিত হয়। যদি অন্য কোন ইউনিটের সাহায্য প্রয়োজন হয় তবে ম্যানেজারের মাধ্যমে তার ব্যবস্থা করা হয়। সাধারণত প্রতি ইউনিটে একজন করে ম্যানেজার থাকেন। তবে ইউনিটের আকার বেশি বড় হলে তাতে একাধিক ম্যানেজারও থাকতে পারেন। এধরনের প্রতিষ্ঠান খুব বেশি সংখ্যক প্রোজেক্ট পরিচালনা করতে পারে না। এতে প্রোজেক্ট ম্যানেজার খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নন। তারা খুব অল্প ক্ষমতা কিংবা একেবারেই কোন ক্ষমতা ছাড়া শুধুমাত্র পার্ট টাইম জব করে থাকেন।

২. প্রোজেক্ট ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানঃ
এধরনের প্রতিষ্ঠান প্রজেক্টের ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়। এতে বেশিরভাগই প্রোজেক্টের কাজ করা হয়। বেশিরভাগ মূলধন প্রোজেক্টের পেছনে বিনিয়োগ করা হয়। প্রোজেক্ট মানেজারই এখানে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হয়ে থাকেন এবং তারা সাধারণত ফুল টাইম কাজ করে থাকেন।

৩. ম্যাট্রিক্স প্রতিষ্ঠানঃ
কাজ ভিত্তিক ও প্রোজেক্ট ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মিলিত রূপ ম্যাট্রিক্স। এধরনের প্রতিষ্ঠান প্রোজেক্টের কাজে ভালো হলেও নন প্রজেক্ট কাজে ভালো হয় না।
কিছু পরিভাষা যা জানা থাকতে হবেঃ
প্রোজেক্ট, প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, প্রক্রিয়া, জ্ঞানের ক্ষেত্র, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, প্রোজেক্ট ব্যবস্থাপনা, প্রোগ্রাম, প্রোগ্রাম পরিচালনা, প্রোগ্রাম পরিচালনার অফিস।

প্রয়োজনীয় জ্ঞানের ক্ষেত্রসমুহের বিস্তারিত বিবরণঃ
১. সুযোগ সুবিধার উপযুক্ত প্রয়োগঃ
সুযোগ তৈরি
সুযোগ সুবিধার বিস্তারিত ব্যাখ্যা
সুযোগ তৈরিতে কৌশল অবলম্বন
সুযোগ নিয়ন্ত্রন
নিশ্চিতকরন

২. সময় ব্যবস্থাপনাঃ
কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ
ধারাবাহিকতা
প্রয়োজনীয় মূলধন সম্পর্কে আনুমানিক হিসাব
শিডিউল প্রণয়ন
শিডিউল নিয়ন্ত্রণ

৩. মানব সম্পদ উন্নয়নঃ
মানব সম্পদ পরিকল্পনা
টিম গঠন
টিমের উন্নয়ন সাধন
টিম ব্যবস্থাপনা

৪. উৎপাদন পর্যালোচনাঃ
উৎপাদিত পণ্যের রক্ষণাবেক্ষণ

৫. ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাঃ
পরিকল্পনা
ঝুঁকি শনাক্তকরণ
ঝুঁকি বিশ্লেষণ
ঝুঁকি নিয়ন্ত্রন

৬. মান নিয়ন্ত্রণঃ
মান পরিকল্পনা
মানের নিশ্চয়তা
মান নিয়ন্ত্রণ

৭. সমন্বয় তৈরিঃ
প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন
প্রোজেক্ট বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান
প্রোজেক্টের যাবতীয় কাজ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ
প্রোজেক্ট সমাপ্তি করন

৮. যোগাযোগ ব্যবস্থাপনাঃ
যোগাযোগ পরিকল্পনা
বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবারহ
প্রোজেক্ট পারফরম্যান্স ও বর্তমান হাল অবহিতকরন
যেকোনো সমস্য্য বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ

কীভাবে পিএইচপি ইন্সটল করবেন এবং হেল ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রাম লিখবেন? Install PHP and Write Hello World Program

পিএইচপি প্রোগ্রামিং শুরু করার আগে আপনাকে প্রথমে কম্পিউটারকে পিএইচপি প্রোগ্রামিং এর উপযোগী করতে হবে। এর জন্য নিচের সফটওয়্যার গুলু ইন্সটল করতে হবেঃ
• PHP
• Apache
• MySql
• Text Editor
এখন আপনি এতগুলু সফটওয়্যার আলাদা ভাবে ইন্সটল না করে, XAMPP নামক একটি মাত্র সফটওয়্যার দ্বারা সব কাজ শেষ করতে পারবেন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রী তে পাওয়া যায়। নিচের ধাপ গুলু অনুসরন করার মাধ্যমে আপনি সব কাজ শেষ করতে পারবেনঃ
• আপনার কাছে যদি সফটওয়্যার না থাকে তবে এখান থেকে(http://sourceforge.net/projects/xampp/) ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড শেষ হলে অন্য যেকোনো সফটওয়্যার যেভাবে ইন্সটল দিন, সেভাবেই এটি ইন্সটল করুন।
• ইন্সটল শেষ হলে আপনার কম্পিউটারে একটি নতুন শর্টকাট আইকন আসবে। আইকন এ ক্লিক করে XAMPP সফটওয়্যারটি চালু করুন। চালু করার পর এবং নামের পাশে Start বাটন এ ক্লিক করুন।
• যেকোনো ব্রাউজার ওপেন করে এড্রেস বারে http://localhost লিখে এন্টার চাপুন। যে পেজ আসবে সেখান থেকে English ক্লিক করুন। এখন কনফিগারেশন এর কাজ শেষ।
• এখন যেকোনো text edittor যেমন notepad, notepad++ open করুন এবং নিচের কোড টাইপ করে C:\xampp\htdocs Folder এর ভিতর save korun. Save করার সময় নামের শেষে .php দিয়ে সেভ করুন। যেমন আমি দিলাম hello.php
• এখন ব্রাউজার এড্রেস বারে http://localhost/hello.php লিখে এন্টার চাপুন। ব্রাউজার “Hello World” মেসেজ দেখাবে।
এবং এর মাধমেই পিএইচপি ইন্সটল করা ও হেল ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রাম রুন করা শেষ হল।

 

 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কিভাবে শিখবেন: How to learn web development

বর্তমানে আমাদের যুগে প্রোগ্রামিং একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয় এ পরিনত হয়েছে, বিশেষত যারা আউটন-সরচিং এর সাথে জরিত। ইন্টারনেট এ প্রোগ্রামিং শেখার অনেক উৎস আচে। জেমনঃ আমরা ইউটিউব থেকে টিউটোরিয়াল দেখে শিখতে পারি. তাছাড়া বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকেও সাহায্য নিয়ে শিখতে পারি। অনেকের কাছে ধারনা থাকে না যে কথা হতে শেখা শুরু করবে, তাই তাদের জন্য আজ আমার এই লেখা

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য আমাদের প্রথমে জানতে হবে এইচ টি এম এল। এর পরেই আমরা শুরু করব সি এস এস ২ ও ৩। এই বেসিক কোডিং এর পরেই আমাদের জানতে হবে জাভা এবং জেকয়ারি।এগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করার পর আমরা হাত দেব টুঁইটার বুটস্ত্রাপ এ। তারপর আমরা ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ গুল ভালভাবে আয়ত্তে আনতে পারব। এ ছারাও আমরা জুমলা তেও এবং ব্লগার এও প্রোগ্রামিং এর কাজ অনুশীলন করতে পারি। প্রোগ্রামিং সেখার জন্য আমার পক্ষ থেকে নতুন্দের জন্য নির্দেশনা টি কাজে লাগবে আশা করি। এটা আমার একান্ত নিজস্ব মতামত নয়।

আপনার ফোল্ডারকে Rename করুন একটু ভিন্নভাবে!! Rename Your Folder in a Different Way

ফোল্ডার Rename করার সময় শুধু Alt চেপে ধরে 0160 নাম্বারগুলো চাপুন। তারপর Enter চেপে অথবা বাহিরে কোথাও Click করে confirm করুন আর মজা দেখুন। ফোল্ডারের নামটি Blank দেখাবে।
ঠিক একি ভাবে আপনি 0169 ব্যাবহার করে © মানে কপিরাইট চিহ্ন ব্যাবহার করতে পারবেন

এভাবে আপনি নিচে দেয়া নাম্বার ব্যাবহার করে অনেক Symbol দিতে পারবেন আপনার ফোল্ডারে অথবা ফেইসবুকে, ব্লগে, ওয়েবসাইটে।

Number Symbol Number Symbol Number Symbol Number Symbol Number Symbol
1 ☺ 16 ► 31 ▼ 185 ╣ 200 ╚
2 ☻ 17 ◄ 171 ½ 186 ║ 254 ■
3 ♥ 18 ↕ 172 ¼ 187 ╗ 219 █
4 ♦ 19 ‼ 173 ¡ 188 ╝ 220 ▄
5 ♣ 20 ¶ 174 « 189 ╜ 221 ▌
6 ♠ 21 § 175 » 190 ╛ 222 ▐
7 • 22 ▬ 176 ░ 191 ┐ 223 ▀
8 ◘ 23 ↨ 177 ▒ 192 └ 224 α
9 ○ 24 ↑ 178 ▓ 193 ┴ 225 ß
10 ◙ 25 ↓ 179 │ 194 ┬ 233 Θ
11 ♂ 26 → 180 ┤ 195 ├ 234 Ω
12 ♀ 27 ← 181 ╡ 196 ─ 235 δ
13 ♪ 28 ∟ 182 ╢ 197 ┼ 236 ∞
14 ♫ 29 ↔ 183 ╖ 198 ╞ 237 φ
15 ☼ 30 ▲ 184 ╕ 199 ╟ 238 ε
188 ╝ 187 ╗ 186 ║ 185 ╣ 239 ∩
189 ╜ 194 ┬ 200 ╚ 210 ╥ 217 ┘
190 ╛ 195 ├ 201 ╔ 211 ╙ 218 ┌
191 ┐ 196 ─ 202 ╩ 212 ╘ 226 Γ
192 └ 197 ┼ 203 ╦ 213 ╒ 227 π
193 ┴ 198 ╞ 204 ╠ 214 ╓ 228 Σ
207 ╧ 199 ╟ 205 ═ 215 ╫ 229 σ
208 ╨ 209 ╤ 206 ╬ 216 ╪ 230 µ
231 τ 237 φ 242 ≥ 251 √ 247 ≈
232 Φ 238 ε 243 ≤ 252 ⁿ 248 °
233 Θ 239 ∩ 244 ⌠ 253 ² 236 ∞
234 Ω 240 ≡ 245 ⌡ 254 ■ 0169 ©

235 δ 241 ± 246 ÷ 0163 £ 0165 ¥
0166 ¦ 0167 § 01622 ٖ 016666 䄚 ᫞䇮0168787

WordPress Plugins

Plugins মূলত WordPress এর কার্যপরিধি প্রসারণ করার উপকরণ। WordPress তৈরি করার মূলে রয়েছে কোডের স্ফীতি কমিয়ে ওয়েবসাইট নির্মাণ কৌশলকে সহজতর করে তোলা। Plugins এমন কিছু function ও feature সরবারহ করে , যাতে করে WordPress ব্যবহারকারীরা তাদের website এর প্রয়োজন অনুযায়ী function ব্যবহার করতে পারে। আপনার website এর Plugins ব্যবস্থাপনার জন্য যদি কোন নির্দেশাবলি, ডাউনলোড, ইন্সটল, আপগ্রেড এর প্রয়োজন হয় তবে managing plugins.ds দেখুন। আর যদি আপনি আপনার নিজের plugin কে develop করতে চান তবে এর জন্য plugin resources দেখতে পারেন।

Plugin Repositories

WordPress plugin বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া যায়। তবে এর অফিসিয়াল উৎস হল-

Official WordPress plugins Repository

তবে সব plugins হয়ত এখানে নাও পাওয়া যেতে পারে, তাই চেষ্টা করতে হবে WordPress plugin এর জন্য web খুঁজতে।

Default plugin

নিম্নলিখিত plugin টি WordPress এর সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়-

Akismet

এটি আপনার website এর comment check করবে, এতে spam আছে কিনা। এছাড়া আপনি এটিকে manage এর অধীনে রেখে পর্যালোচনা করতে পারেন যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৫ দিন পর পর পুরানো spam হিসেবে মুছে যেতে পারে।

অলৌকিক বস্তু’ গ্রাফিন

টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় মিরাকল ম্যাটেরিয়াল বা ‘ অলৌকিক বস্তু’ গ্রাফিন এর ব্যবহার নাটকীয়ভাবে শতগুন বৃদ্ধি করবে ইন্টারনেটের গতি যা একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া গেছে।

ইউনিভার্সিটি অফ বাথ এবং এক্সেটর এর গবেষকরা প্রধমবারের মত গ্রাফিনের সাহায্যে ক্ষুদ্র অপটিক্যাল রেসপন্স তৈরি করেছেন যা টেলিকমিউনিকেশনের জন্য অবিশ্বাস্যও বটে।

প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ তথ্য প্রেরনের জন্য নানা রকমের অপটোইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যেমন অপটিক্যাল ফাইবার,ফটোডিটেক্টর, লেজার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া মুলত সম্পন্ন করা হয় তথ্যগুলোকে সংকেত আকারে ইনফ্রা-রে তরঙ্গদৈর্ঘ্যে ফোটন হিসেবে প্রেরণের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া মুলত সম্পন্ন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় অপটিক্যাল সুইচের মাধ্যমে আর গ্রাফিনের মুল কেরামতি এখানেই।

সাধারনত অপটিক্যাল সুইচের রেসপন্স রেট যেখানে কয়েক পিকোসেকেন্ড সেখানে গ্রিফিনের ব্যবহারে তা ফেমটো সেকেন্ডে নির্ধারিত হয় যা গতির হিসাবে প্রায় ১০০ গুন বেশী।
শক্ত, আলোকবাহিতা , নমনীয়তা , পরিবাহিতা এবং কম খরচের কারনে টেলিকমিউনিকেশন মার্কেটে এর প্রবেশাধিকার ত্বরান্বিত হচ্ছে।
উচ্চমাত্রার আলোক প্রতিক্রিয়ার কারনে এটি দ্বারা অপটোইলেকট্রিক ডিভাইসগুলোরও প্রচুর উন্নিত করা সম্ভব।শুধু তাই নয় টেলিযোগাযোগ নিরাপত্তা ও ঔষুধ শিল্পেও এটির ব্যবহার অনেক সুফল বয়ে আনবে বলে গবেষকদের ধারণা।শুধু তাই নয় এটির উপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় কোয়ান্টাম লেজার ত্বত্তেরও প্রভূত উন্নতি করা সম্ভব।
সেদিন আর বেশী দুরে নয় যখন টেলিকমিউনিকেশনের মুল প্লাটফর্ম হিসেবে অবস্থান নেবে কয়েক স্তরের গ্রাফিন।
এম কে পান্না।

 

WordPress এর Blog site এ যদি category যোগ করতে চাই : How to add category in WordPress site

WordPress এর Blogsite এ যদি category যোগ করতে চাই, তবে website এ প্রথমে login করতে হবে। এরপর দেখা যাবে সেখানে অনেকগুলো option রয়েছে , যার মধ্য থেকে dashboard কে select করতে হবে। dashboard এ click করার পর যেসব option আসবে তার মধ্য থেকে category কে বেছে নিতে হবে। category তে click করার পর add new তে click করে যে category add করতে চান তা add করা যাবে।

তথ্য প্রযুক্তি

Mursheda Binta Aziz

আধুনিক বিজ্ঞানের নানামুখী আবিষ্কার এর বৈচিত্রময়তার মাঝে তথ্য প্রযুক্তি আমাদের সবচেয়ে বেশী অবাক করেছে এবং আমাদের জীবনকে সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করেছে ।

একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই যদি এ অবস্থা হয় তাহলে এ পৃথিবীকে বড় ধরনের যুদ্ধ-বিবাদ থেকে মুক্ত রাখতে পারলে, সভ্যতার বিকাশকে আমরা নিশ্চিতভাবে গ্রহান্তরে নিয়ে যেতে পারবো, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমেই,জানতে পারবো এ সুবিশাল মহাবিশ্বে আমাদের আর কোন বুদ্ধিমান প্রতিবেশী আছে কিনা ।

মঙ্গলে রোবটের সাথে যোগাযোগ পরিচালনার মাধ্যমে মঙ্গলের নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করা,এতদুরের রোবটকে পৃথিবীতে বসেই মেরামত করা থেকে শুরু করে মহাকাশ যান নিয়ন্ত্রণ, উপগ্রহের মাধ্যমে সারাবিশ্বে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ দ্রুত রক্ষা করা,একমহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশের দূরতম মানুষকে জটিল চিকিৎসা সেবা সবচেয়ে বড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে তৎক্ষণাত প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রগতির ফলেই ।
আজকে বিশ্বের দূরতম কোন গ্রামের ছেলে সময়ের ব্যবধান ডিঙ্গিয়ে উন্নত বিশ্বের কাজ সম্পাদন করে দিচ্ছে নিজ ঘরে বসে এ তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণেই ।
আমাদের হাতের ছোট মোবালটি দিয়েই উন্নত বিশ্বের কোন বিখ্যাত লাইব্রেরীর বই দেখতে পারি,ঘরে বসেই দূর্ শিক্ষণের মাধ্যামে যোগ্যতা লাভ করতে পারি ।

অল্পকথায় বলতে গেলে তথ্য প্রযুক্তি আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অবদান রেখে যাচ্ছে প্রতিক্ষণ,প্রতিদিন ।

কম্পিউটারের যত্ন

কম্পিউটারের যত্ন
রিফাত জামিল ইউসুফজাই

কম্পিউটার কেনার পর আমরা ভুলেই যাই যে এর কিছুটা যত্নআত্তির প্রয়োজন আছে। নিয়মিত পরিচর্যা না করলে হয়তো একদিন এটা বিগড়ে

যেতে পারে। চলুন দেখি কিভাবে আমরা আমাদের এই যন্ত্রটির পরিচর্যা করতে পারি।

আমাদের দেশে ধূলা একটি বড় সমস্যা। কম্পিউটারেও প্রতিনিয়ত ধূলা জমে। এই ধূলা কম্পিউটারের ভিতর বিভিন্ন কানেক্টরে জমে অনেক

সময় বাধার সৃষ্টি করে। অনেক সময়ই দেখা যায় যে কম্পিউটার বুট করছেনা। আপনি হয়তো ভেবে গলদঘর্ম হচ্ছেন কি হলো। সার্ভিস

সেন্টারে নিয়ে গেলে ৫০০-২০০০ টাকার বিনিময়ে ঠিক করে আনতে হয় তখন। সার্ভিস সেন্টারের লোকজন আসলে তেমন কিছুই করে না,

তারা পূরো কম্পিউটার খূলে প্রতিটি ক্যাবল/পার্টস আলাদা করে পরিস্কার করে। এরপর আবার লাগিয়ে কম্পিউটার অন করে। শতকরা ৯৯

ভাগ ক্ষেত্রেই কম্পিউটার পরিস্কার করার পর বুট করে।

নিজে নিজে কম্পিউটার পরিস্কার করা এমন কিছু কঠিন কাজ না। একটু সাবধানে কাজ করলে আপনিও পারবেন। কম্পিউটার পরিস্কার করার

জন্য আপনার একটি ব্লোয়ার আর একটি তুলি/ব্রাশ লাগবে। যে কোন ক্যামেরার দোকানে ব্লোয়ার খোঁজ করলেই পাবেন। ৩০০-৫০০ টাকা

দাম নিবে। আর তুলি/ব্রাশ এর দাম ১৫-২৫ টাকা। একটু চিকন দেখে কিনবেন, যাতে যে কোন ফাঁক-ফোঁকড়ের ময়লা পরিস্কার করা যায়।

পরিস্কার করার শুরুতে কম্পিউটারের মেইন পাওয়ার ক্যাবলটি খুলে ফেলুন। সেই সাথে মনিটর এবং অন্যান ক্যাবলও খুলে ফেলুন। এরপর

কম্পিউটার কেসিং এর দুইদিকের ঢাকনা খুলুন। যদিআপনি প্রথমবার একাজ করেন তবে প্রথমেই ভিতরের কোন ক্যাবল বা পার্টস খোলার

দরকার নেই। শুরুতে নিজের নাক-মূখ রুমাল দিয়ে ঢেকে নিন। এরপর ব্লোয়ার দিয়ে ভিতরে যত জোরে সম্ভব বাতাস ব্লো করুন। প্রচুর ধূলার

বের বের হবে। ব্লো করার সময় খেয়াল রাখবেন ব্লোয়ারের নজল যেন খূব জোরে কোন কিছুতে আঘাত না করে। বেশ কয়েকবার ব্লো করার পর

তুলি/ব্রাশ দিয়ে বিভিন্ন ফাঁক-ফোঁকরে জমে থাকা ধূলা ঝেড়ে ফেলুন। সব ধূলা হয়তো কেসিং এর নিচের অংশে জমা হবে। এগুলো ব্রাশ দিয়ে

অপসারণ করুন। আপনি যদি জানেন কোন ক্যাবল/পর্টস কিভাবে খূলতে বা লাগাতে হয়তবে এবার সবগুলি ক্যাবল এবং পার্টস খূলে ফেলুন।

এবার আবার প্রতিটি অংশে ব্লো করুণ এবং তুলি/ব্রাশ দিয়ে ধূলা ঝাড়ুন। আর ক্যাবল/পার্টস খোলার অভিজ্ঞতা না থাকলে অভিজ্ঞ কাউকে

সাথে নিয়ে কাজটি করুণ। কোন ক্যাবল কোথায় কিভাবে লাগাতে এবং খূলতে হয় সেটা দেখে নিন তার মাধ্যমে। তার উপস্থিতিতে আপনিও

কাজটি করুন ২/৩ বার। কম্পিউটার ক্যাবল/পার্টসের সূবিধা হলো এগুলো যে কোন একদিকে লাগে, উল্টাভাবে চেষ্টা করলেও লাগবেনা।

প্রসেসর হার্ডডিস্ক খোলার দরকার নেই। তবে প্রসেসরের ফ্যান ভালমতো ব্লো করে পরিস্কার করতে ভুলবেন না। সবশেষে পাওয়ার সাপ্লাই এর

বাইরের ফোঁকড় দিয়ে ভালমতো ব্লো করুন। ভিতরের ধূলা আর বের হবে না, ভিতরেই থেকে যাবে। সব ঠিকমতো হলে এবার ক্যাবল/পার্টস

গুলি লাগিয়ে ফেলুন। ঢাকনা লাগানোর আগে পাওয়ার ক্যাবল লাগিয়ে কম্পিউটার অন করুন। আশা করি প্রথমবারেই বুট করবে। কোন কারণে

না করলে চেক করুন কোন ক্যাবল লুজ হয়ে আছে কিনা। সবকিছু ঠিক থাকলে কেসিং এর ঢাকনা লাগিয়ে দিন।

এই কাজটি আপনি প্রতি ২ মাসে একবার করুন। আশা করি আপনি অনেকদিন স্বাচ্ছন্দে আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন।

সি এবং অ্যারে : Array in C

int marks[4][10] = {{80, 70, 92, 78, 58, 83, 85, 66, 99, 81}, {75, 67, 55, 100, 91, 84, 79, 61, 90, 97}, {98, 67, 75, 89, 81, 83, 80, 90, 88, 77}, {0, 0, 0, 0, 0, 0, 0, 0, 0, 0}};

 

 #include <stdio.h>  
 int main()  
 {  
     int marks[4][10] = {{80, 70, 92, 78, 58, 83, 85, 66, 99, 81}, {75, 67, 55, 100, 91, 84, 79, 61, 90, 97}, {98, 67, 75, 89, 81, 83, 80, 90, 88, 77}, {0, 0, 0, 0, 0, 0, 0, 0, 0, 0}};  
     int col;  
     for(col = 0; col < 10; col++) {  
         marks[3][col] = marks[0][col] / 4.0 + marks[1][col] / 4.0 + marks[2][col] / 2.0;  
         printf("Roll NO: %d  Total Marks: %d\n", col + 1, marks[3][col]);  
     }  
     return 0;  
 }

 

 int marks[4][10];  
 int i, j;  
 for (i = 0; i < 4; i++) {  
     for (j = 0; j < 10; j++) {  
         scanf("%d", &ara[i][j]);  
     }  
 } 

 

#include <stdio.h>  
 int main()  
 {  
     int namta[10][10];  
     int row, col;  
     for (row = 0; row < 10; row++) {  
         for(col = 0; col < 10; col++) {  
             namta[row][col] = (row + 1) * (col + 1);  
         }  
     }  
     for (row = 0; row < 10; row++) {  
         for(col = 0; col < 10; col++) {  
             printf("%d x %d = %d\n", (row + 1), (col + 1), namta[row][col]);  
         }  
         printf("\n");  
     }  
     return 0;  
 }  
#include <stdio.h>  
 int main()  
 {  
     char saarc[7][100] = {"Bangladesh", "India", "Pakistan", "Sri Lanka", "Nepal", "Bhutan", "Maldives"};  
     int row;  
     for (row = 0; row < 7; row++) {  
         printf("%s\n", saarc[row]);  
     }  
     return 0;  
 }  

 

 

#include <stdio.h>  
 #include <string.h>  
 int main()  
 {  
     char saarc[7][100] = {"Bangladesh", "India", "Pakistan", "Sri Lanka", "Nepal", "Bhutan", "Maldives"};  
     int row, col, name_length;  
     for (row = 0; row < 7; row++) {  
         name_length = strlen(saarc[row]);  
         for(col = 0; col < name_length; col++) {  
             printf("%c ", saarc[row][col]);  
         }  
         printf("\n");  
     }  
     return 0;  
 }  


#include <stdio.h>  
 #include <string.h>  
 int main()  
 {  
     char saarc[7][100] = {"Bangladesh", "India", "Pakistan", "Sri Lanka", "Nepal", "Bhutan", "Maldives"};  
     int row, col, name_length;  
     for (row = 0; row < 7; row++) {  
         name_length = strlen(saarc[row]);  
         for(col = 0; col < name_length; col++) {  
             printf("(%d, %d) = %c, ", row, col, saarc[row][col]);  
         }  
         printf("\n");  
     }  
     return 0;  
 }  
 
 #include <stdio.h>  
 #include <string.h>  
 int main()  
 {  
     int ara1[5][5] = {{1, 2, 3, 4, 5}, {10, 20, 30, 40, 50}, {100, 200, 300, 400, 500}, {1000, 2000, 3000, 4000, 5000}, {10000, 20000, 30000, 40000, 50000}};  
     int ara2[5][5];  
     int r, c;  
     printf("Content of first array (ara1): \n");  
     for (r = 0; r < 5; r++) {  
         for(c = 0; c < 5; c++) {  
             printf("%d ", ara1[r][c]);  
         }  
         printf("\n");  
     }  
     printf("\n");  
     // now start copy  
     for (r = 0; r < 5; r++) {  
         for(c = 0; c < 5; c++) {  
             ara2[c][r] = ara1[r][c];  
         }  
     }  
     printf("Content of second array (ara2): \n");  
     for (r = 0; r < 5; r++) {  
         for(c = 0; c < 5; c++) {  
             printf("%d ", ara2[r][c]);  
         }  
         printf("\n");  
     }  
     return 0;  
 }