প্রাথমিক পর্যায়ের বই ডিজিটাল হচ্ছেঃ Primary students will get digital book.

প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম প্রয়াস হল শিক্ষাক্ষেত্রকে তথ্যপ্রযুক্তির আলোয় আনা, আর তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগে শিক্ষাকে সমাজের ও দেশের সকল স্তরে পৌঁছে দেয়া। সবার হাতে শিক্ষা উপকরণ পৌঁছে দিতে প্রয়োজন তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ সাধন । এই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক স্তরের বেশ কিছু পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম এন্ড টেক্সটবুক বোর্ড, বাংলাদেশের(এনসিটিবি) সিলেবাস অনুযায়ী এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রাথমিকের মোট ৩৭টি বইয়ের মধ্যে ১৭টির ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ এপর্যন্ত নিশ্চিত হয়েছে।

২৩নভেম্বর সোমবার রাজধানী ঢাকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(আইসিটি) বিভাগের সভাকক্ষে ‘ডেভলপিং ইন্টারএকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সন অফ প্রাইমারী কন্টেন্ট’ কর্মসূচীর আওতায় ‘ ডিজিটাল কন্টেন্ট উপস্থাপনা’ অনুস্থানে প্রাথমিকের বই ডিজিটাল হওয়ার কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ।

‘প্রযুক্তির সহায়তায় এ ধরনের কর্মসূচী আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে দেবে, শিক্ষার সাথে আনন্দ যোগে বর্তমান সরকার অগ্রণী ভূমিকা রাখবে-অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান একথা বলেন।

মোট ৪ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ কর্মসূচী বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০১৪ সালের মার্চ মাস থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত। কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তা করছে ব্র্যাক ও সেভ দ্যা চিলড্রেন। প্রাথমিকের মোট ৩৭টি বইয়ের মধ্যে ১৭টির ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করা হবে, যার মধ্যে ১২টির ডিজিটাল সংস্করণ তৈরি করবে ব্র্যাক আর ৫টির ডিজিটাল সংস্করণ করবে সেভ দ্যা চিলড্রেন।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডঃ

গত ১৩ থেকে ২২ নভেম্বর ১০ দিন হয়ে গেলো আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড। ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ জ্যোতির্বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়েছিল ৪টি দেশের প্রতিযোগীরা, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া ও কাজাকস্থান। ঢাকার আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

 

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা সবগুলো দল একজন করে টিম লিডারের দায়িত্বে ছিল। বাংলাদেশ দলে পাঁচজন সদস্য আর ২ জন লিডার, রাশিয়ার দলে একজন সদস্য আর একজন লিডার, শ্রীলঙ্কার দলে ছয়জন সদস্য আর ২ জন লিডার, কাজাকস্থানের দলে ৮ জন সদস্য আর ২ জন লিডার ছিল। প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে তিনজন, বাংলাদেশের রাজশাহী কলেজের মোঃ মাহমুদুন্নবী, কাজাকস্থানের এগিসেভ দামির আর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ফাইরুজ ইশরাক। চারজন দ্বিতীয় পুরস্কার ও তিনজন তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে।

 

১৩ নভেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত হওয়া এই উৎসবের অবজারভেশন রাউন্ড ছিল ১৭ নভেম্বর। ১৮ তারিখ ছিল আড্ডা আর গল্প। ১৯ নভেম্বর ছিল ব্যবহারিক পর্ব। ২০ তারিখের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর প্রতিযোগীদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিজ্ঞান জাদুঘরে। চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হয় ২১ নভেম্বর।

 

প্রতিযোগীদের মতে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি সাধারণ মানুষের উৎসাহ বৃদ্ধির জন্য ও আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন অলিগলির সাথে পরিচয় ঘটাতে এরকম জ্যোতির্বিজ্ঞান উৎসব খুবই সহায়ক, আর ভবিষ্যতেও এরকম আরও উৎসব হবে- এমনটিই আশা সংশ্লিষ্টদের।

ঢাকা লিট ফেস্ট ২০১৫ Dhaka Lit Fest 2015

প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকতায় ভরা নাগরিক জীবনে সাহিত্যের কোমল ছোঁয়া এনে দিতে গত ১৯ থেকে ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে হয়ে গেল ‘ঢাকা লিট ফেস্ট ২০১৫’। বিশ্ব সাহিত্যে বাংলার অবস্থান সুপ্রতিষ্ঠিত করা ও সমুজ্জল রাখার উদ্দেশ্য নিয়ে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আর এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘ সাহিত্য সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে বিশ্ব আমাদের চিনুক’

 

বাংলা একাডেমীর আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হওয়া এই উৎসবে উদ্বোধনী পর্বের শুরুতে ঘাসফড়িঙ কয়ারের শিল্পীরা তাদের নান্দনিক পরিবেশনা দিয়ে বর্ণিল করেন উৎসব অঙ্গন। এরপর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন উৎসবের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। ভারতের নারীবাদী প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক নয়নতারা সেহগাল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হ্যারল্ড ভারমাস। উৎসবে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে কবিতাপাঠ, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, শিশুতোষ গল্প বলা, নাচগানসহ আরও অনেক আয়োজন ছিল। সাহিত্যিক, কবি, শিল্পানুরাগী বিদগ্ধজন, সমালোচকসহ ১৪টি দেশের ২৫০ জন অতিথি এ উৎসবে যোগ দেন। ২০১১ সালে ‘হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা’ নামে প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন হয়েছিল যার পরিবর্তিত রূপ আজকের এই ‘ঢাকা লিট ফেস্ট ২০১৫’।

 

উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের সাহিত্যকে বৈশ্বিক সৃজনশীলতার প্রাঙ্গনে তুলে ধরা। এছাড়াও প্রথমবারের মত বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল ওয়াসাফিরিতে বাংলাদেশ সংখ্যার প্রকাশনা উৎসব হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে। এধরনের সাহিত্য উৎসব দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে শুভবোধের জাগরণ ঘটাবে ও আমাদের সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছুতে সাহায্য করবে-এমনটাই আশা সংশ্লিষ্ট সকলের।

‘চার্লস ওয়ালেস বাংলাদেশ ট্রাস্টের’ বৃত্তির সুযোগঃ The Charles Wallace Bangladesh trust scholarship

১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত চার্লস ওয়ালেস বাংলাদেশ ট্রাস্ট ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে সমন্বয় করে শিক্ষা ও পেশাগত জীবনের উন্নয়নের উদ্দেশে উচ্চতর গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান করে থাকে। চার্লস ওয়ালেস বাংলাদেশ ট্রাস্ট প্রথমে ব্রিটিশ কাউন্সিলের অধিভুক্ত ছিল, পরে এটি স্বতন্ত্রভাবে কার্যক্রম চালায়। এটির কার্যক্রম মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত।ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে সমন্বয় সাধন, আর ইউকেতে অবস্থানরত ফাইনাল ইয়ারে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ডক্টরাল ছাত্রদের বৃত্তি প্রদান করা।

ভিজিটিং ফেলোশিপ আর ভিজিটিং আর্টিস্টঃ  ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে সমন্বিতভাবে চার্লস ওয়ালেস বাংলাদেশ ট্রাস্ট দুটি বিষয়ের উপর কাজ করে, ভিজিটিং ফেলোশিপ আর ভিজিটিং আর্টিস্ট। এই প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য থাকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত দক্ষতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের জন্য ফান্ডিং ও ভিসার ব্যবস্থা করা। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, আর এই প্রোগ্রামটি মূলত মিড ক্যারিয়ার প্রফেশনাল অর্থাৎ ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের জন্য পরিকল্পিত, আর যুক্তরাজ্যের কোনও ফার্ম থেকে অফার লেটার পেয়েছেন এমন হতে হবে আবেদনকারীকে। এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা মাসে ১৩০০ পাউন্ড করে ভাতা আর ভিসার ব্যপারেও সহায়তা পাবেন।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনঃ Reunion in SERE BANGLA Agricultural University

গত ১৬ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেলো এর প্রথম সমাবর্তন। ২০০১ সাল থেকে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পর থেকে প্রত্যেক ব্যাচের প্রথম হওয়া মোট ২২ জন শিক্ষার্থীকে দেয়া হয় স্বর্ণপদক।

 

সমাবর্তনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর ২.৩০ মিনিটে, চলে বিকাল চারটার পরেও।বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় এই অনুষ্ঠানটি। দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন ও স্মৃতিচারণ আচ্ছন্ন করে রাখে অংশগ্রহণকারীদের। বিকেলে অনুষ্ঠানের সমাপনের আগে ছিল সঙ্গীতমূর্ছনার আবেশ, জেমসের কনসার্টের মাধ্যমে শেষ হয় উৎসবের।কনসার্টের প্রবেশ ছিল ফ্রি।

১৯৩৮ সালে বেঙ্গল কৃষি ইন্সটিটিউট নামে প্রতিষ্ঠিত সাধারণ কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তদান ও রোগনির্ণয় কর্মসূচীঃ

গত ১৫ নভেম্বর তারিখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেল স্বেচ্ছায় রক্তদান ও রোগনির্ণয় কর্মসূচী। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়, অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক । কোষাধ্যক্ষ ডঃ আবুল খায়ের প্রধান অতিথি হিসেবে এই কর্মসূচী উদ্বোধন করেন। সভাপতি ছিলেন ছাত্র কল্যাণ ও পরামর্শ দান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডঃ রাশেদা আকতার।

ব্রিটিশ কাউন্সিলে হয়ে গেল ক্যারিয়ার সামিটঃ Carrier summit in British council Bangladesh

গত ২১ নভেম্বর ব্রিটিশ কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ক্যারিয়ার সামিট ২০১৫’। পেশাগত জীবনে দক্ষতা ও নৈপুণ্যের সর্বোচ্চ প্রয়োগের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যুক্তরাজ্য থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভকারীদের সমন্বিত করে দেশেই তাঁদের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্যারিয়ার গড়ার ব্যবস্থা করে দেয়াই উদ্দেশ্য এই সামিটের।

বিশ্বায়নের যুগে আমাদের দেশে এমন অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন ব্রিটিশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক করেছেন আর ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে তাঁদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সমন্বয়ের জন্য এই সামিট অনেক বেশি কাজে লাগবে। আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল নিয়োগকারীরা যেন যোগ্যতা অনুসারে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ করতে পারেন এমন আবহ তৈরি করা।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন মার্কেটিঙের আয়োজনে এই সামিট অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা এই ক্যারিয়ার সামিটে অংশ নিতে পেরেছিলেন, এক্ষেত্রে বিনা মূল্যে প্রি রেজিস্ট্রেশন করতে হয়েছিল তাদেরকে। সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কিভাবে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন (বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল)

কিভাবে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন । How to create a blog site (Bangla)

 

https://www.youtube.com/watch?v=FXwROOI5smA

ফেসবুক এখানে, গুগল এখন (Facebook Here; Google Now)

ফেসবুক এখানে, গুগল এখন (Facebook Here; Google Now)

গুগল জানে না কারা আপনার বন্ধু, কার সাথে আপনি চ্যাট করেন অথবা কোন খবরে আপনার আগ্রহ বেশি। যেমনি করে ফেসবুক জানে না আপনার ইমেইল, ম্যাপ বা ওয়েব সার্চের খবর কিংবা আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের আদ্যোপান্ত! ফেসবুক ও গুগল- দুটিরই আলাদা কিন্তু বিশাল সুবিধা রয়েছে। গুগল আর ফেসবুক আজ জীবনেরই অংশ; প্রতিক্ষণের অনুষঙ্গ।

প্রয়োজনীয় বা আকর্ষণীয় হতে ‘গুগল নাউ’ আর ‘ফেসবুক এখানে’

২০১২ সালে গুগল-এর একটা বড় সংযোজন ছিলো Google Now. এখন এর কার্যকারিতা বেড়েছে অনেকগুন। আপডেটেড বিভিন্ন তথ্য পেতে Google Now এর জুড়ি নেই। যেমনঃ ফ্লাইট শিডিউল ও পরিবর্তন, বিশ্ব ব্রেকিং নিউজ, ট্রাফিক আপডেট ইত্যাদি গুগল নাউ খুব কার্যকরী।

অন্যদিকে ফেসবুক সম্প্রতি এর নোটিফিকেশন ট্যাবে এমন কিছু অপশন চালু করছে যাকে বলা যায় ‘ডিজিটাল পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট’। ফেসবুক যদিও এর কোনো নাম দেয়নি; কিন্তু একে সহজে ও যোক্তিকভাবে বলা যায় Facebook Here (ফেসবুক এখানে)। আপনার ব্যক্তিগত সহকারীর মতো সে আপনার আশপাশ সম্পর্কে যেনো একেবারে সবজান্তা – আশেপাশের মানুষ, জায়গা এবং যাকিছু আপনার পছন্দের- সবকিছুই সে জানিয়ে দিতে পারে আপনাকে।

Facebook Here আপনাকে সুবিধা দিচ্ছে নানাভাবে তথ্য জানিয়ে দিয়েঃ

  • বন্ধুদের জন্মদিন
  • বন্ধুদের জীবনের ঘটনা
  • আপনার আসন্ন ঘটনা
  • আজকের শীর্ষ ক্রীড়া ঘটনা
  • আজকের শীর্ষ টিভি অনু ষ্ঠান
  • ট্রেন্ডি টপিক

আপনি চাইলে ফেসবুক আপনার অবস্থান ট্র্যাক করতে পারে সহজে যা সংরক্ষিত হয়ে থাকবে আপানার প্রোফাইলে।
এছাড়াও আপনি ফেসবুক এ পেতে পারেনঃ

  • কাছাকাছি জনপ্রিয় ইভেন্ট
  • স্থানীয় আবহাওয়া
  • আপনার কাছের প্রেক্ষাগৃহের জনপ্রিয় মুভি

নিজের মতো এসবই আপনি কাস্টমাইজ, এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার সব মেন্যু।

Facebook Here তাই করে যাতে সে দক্ষ

ফেসবুক আপনার সামাজিক গ্রাফ, জীবনীভিত্তিক তথ্য, অতীত আচরণিক তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত ইনডেক্স করে থাকে। ফেসবুকের সামাজিক যোগাযোগ কর্মকাণ্ড, ফীড, এবং মোবাইল বার্তা এ সুযোগকে অবারিত করে দিয়েছে। Facebook Here সবসময় ‘সহায়ক’ না হতে পারে; কিন্তু তা যে সর্বদা আকর্ষণীয় (Interesting) তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বলা যায়, ফেসবুক এখানে (Facebook Here) ও গুগল এখন (Google Now) নিশ্চিতভাবে সবকিছু আয়ত্বে আনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সমানে সমান। পৃথক পৃথক ডাটা সেট নিয়ে “গুগল নাউ” আর “ফেসবুক হিয়ার” সকলের উপকারে আসেবে বলেই প্রতীয়মান হয়।

 

হ্যাপি ফেসবুকিং … হ্যাপি গুগলিং ……

 

শুরু হল প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাঃ

শুরু হল প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাঃ

 

গত ২২নভেম্বর ২০১৫ তারিখ থেকে শুরু হল বাংলাদেশের স্কুলশিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। সাড়া দেশের মোট ২ হাজার ৬২৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়া এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ৩২ লাখ ৫৪ হাজার ৫১৪ জন শিক্ষার্থী।

 

এর মধ্যে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছে ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৬৩ জন যাদের মধ্যে ছাত্র ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৫ জন এবং ছাত্রী রয়েছেন ১৫ লাখ ৯২ হাজার ৫০৮ জন।আর ইবতেদায়ী বিভাগে পরীক্ষার্থী রয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫১ জন যার মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ৫৬১ জন ছাত্র এবং ছাত্রী রয়েছে  ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯০ জন ।

 

এবার সপ্তমবারের মত এই পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হল।প্রাথমিক পর্বের শিক্ষা সমাপ্ত করে দেশের সবচেয়ে বড় এই পাবলিক পরীক্ষায় বসবে কোমলমতি এই শিশুরা। ২০০৯ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণীর শিশুদের জন্য আর ২০১০ সাল থেকে ইবতেদায়ী বিভাগে অধ্যয়নরত শিশুদের জন্য এই পরীক্ষার প্রবর্তন হয়। প্রথম দুই বছর এই পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হত, পরে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে ২০১১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে এর ফলাফল দেয়া হচ্ছে।

 

২২নভেম্বর ২০১৫, রবিবার সকাল ১১টায় ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এই পরীক্ষা শুরু হয়।  হরতালের কারণে ২৩ নভেম্বরের পরীক্ষা ৩০ নভেম্বরে পিছানোয় এই পরীক্ষার সময়সূচী দীর্ঘায়িত হল।