উইন্ডোজ ৮.১ টিউটোরিয়াল: ডেস্কটপ (Familiar Desktop)

 

পরিচিতি : ডেস্কটপ ব্যবহার করা

Desktop এ সকল প্রকার অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে পারেন – বিশেষ সফটওয়্যার থেকে শুরু করে Windows Store এর যেকোন Application ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত প্রবেশ করার জন্য আপনার পছন্দের অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোগ্রামগুলোকে Taskbar এর সাথে পিন করে রাখতে পারেন এবং বিভিন্ন সর্টকাট, ব্যাকগ্রাউন্ড এবং থিম দিয়ে Desktop কে নিজের মতো করে সাজাতে পারেন।

আপনি কিভাবে আপনার পিসিকে ব্যবহার করতে চান তা কোন ব্যাপার না – আপনি অ্যাপ, উইন্ডোজ এবং Start Screen এর মধ্যে দ্রুত সুইচ (একটি থেকে অন্যটিতে যেতে পারেন) করতে পারেন।

Desktop এ ফিরে যাওয়া

পিসির যেকোন স্থান থেকে Desktop এ ফিরে যাবার বেশ কিছু পদ্ধতি আছে । আপনি নিচের যেকোনটি অনুসরণ করতে পারেন:
• Start খুলুন এবং Start Screen এর Desktop টাইলস এ টোকা দিন বা ক্লিক করুন।
• কীবোর্ড থেকে উইন্ডোজ লগো কী Windows Logoএ চাপ দিন।
• পর্দার ডান কর্ণারের দিকে যান এবং Search এ টোকা দিন।

টাস্কবার এর উপর অ্যাপ্লিকেশন

Taskbar এর মাধ্যমে আপনি খোলা Application গুলোর মধ্যে সুইচ (একটি থেকে অন্যটিতে যাওয়া) করতে পারেন এবং যেসকল Application আপনি প্রায়ই ব্যবহার করেন সেগুলো পিন করে রাখতে পারেন।
Taskbar
Taskbar সাধারণত Desktop এর নিচের দিকে থাকে, কিন্তু আপনি পর্দার নিচের অংশে নীচের প্রান্ত থেকে মাউস পয়েন্টার চেপে ধরে সরানোর মাধ্যমে এটিকে পিসির যেকোন স্থানে নিতে পারবেন।

আপনি যদি টাস্কবার এ আপনার খোলা সকল অ্যাপ দেখতে না পান

খোলা অবস্থায় Windows Store এর অ্যাপ্লিকেশনগুলো যদি Taskbar এ দেখা না যায়, নিশ্চিত হয়ে নিন যে এই ফিচার Turn on করা আছে কিনা।

যেসকল Application আপনি প্রায়ই ব্যবহার করেন সেগুলোকে পিন করে রাখা

দ্রুততার সাথে খোলার জন্য আপনি আপনার পছন্দের অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে Start Screen বা Taskbar এর সাথে পিন করে রাখতে পারেন এবং Tiles এ এক নজরে আপডেটগুলো দেখতে পারেন।

ধাপ 1
g
App Viewদেখার জন্য আপনার হাতের আঙুলের সাহায্যে Start Screen এর মাঝ বরাবর থেকে উপরের দিকে স্লাইড করুন অথবা Start Screen এর নিচের দিকে বাম পাশের অ্যারো f এ ক্লিক করুন।

ধাপ 2
h
যে Application কে পিন করতে চান তার উপর চাপ দিন বা ধরে রাখুন বা রাইট ক্লিক করুন। আপনি একাধিক Application বাছাই করতে পারেন এবং সবগুলোকে একই সাথে পিন করতে পারেন।

ধাপ 3
i
টোকা দিন বা ক্লিক করুন Pin to Start অথবা Pin to taskbar এর উপর। যে অ্যাপ্লিকেশনগুলো পিন করেছেন তা Start Screen এর শেষে বা Desktop টাস্কবারে দেখা যাবে।

খোলা Application পিন করা

আপনি যদি ইতোমধ্যে কোন Application ব্যবহার করতে থাকেন তাহলে স্টর্ট স্ক্রিণে না যেয়েও একে Taskbar এর সাথে পিন করতে পারেন।

ধাপ: 1
pin1
অ্যাপটির Taskbar বাটন চাপ দিয়ে ধরে রাখুন এবং আপনার আঙুল উপরের দিকে ঘষা দিন যতক্ষণ না একটি মেনু দেখা যায়। (যদি আপনি মাউস ব্যবহার করতে চান তাহলে অ্যাপটির Taskbar বাটনে ডান-ক্লিক করুন)

ধাপ: 2
pin2
Pin this program to taskbar এ টোকা দিন বা ক্লিক করুন । এখন আপনি অ্যাপটি বন্ধ করলেও অ্যাপটি টাস্কবারে থেকে যাবে।

Taskbar এর খোলা অ্যাপ্লিকেশনগুলোর একটি থেকে আরেকটিতে যাওয়া।

আপনি যখন একটি Application ব্যবহার করছেন Taskbar এর মাধ্যমে আপনি অন্য Application এ যেতে পারেন বা Start এ ফিরে যেতে পারেন।

কোন Application যখন সম্পূর্ণ পর্দা জুড়ে খোলা থাকে তখন Taskbar দেখার জন্য মাউস পয়েন্টার পর্দার নিচের প্রান্তের দিকে নিয়ে গেলে Taskbar দেখা যাবে। তখন Start এ ফিরে যাবার জন্য স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন অথবা অন্য Application এ সুইচ করতে ঐ Application এর উপর ক্লিক করুন।

পরিচিত ভাবে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে

আপনি মিনিমাইজ বা ক্লোজ বাটনে ক্লিক করে অ্যাপ্লিকেশন কে মিনিমাইজ (অ্যাপ্লিকেশনকে Taskbar এ নিয়ে এসে রাখা) বা বন্ধ করতে পারেন (যদি আপনি এই বাটনগুলো দেখতে না পান তাহলে মাউস পয়েন্টারকে পর্দার উপরের প্রান্তের দিকে নিয়ে যেতে পারেন)
apps
আপনি উপরের বাম প্রান্তের অ্যাপ্লিকেশনের আইকন এর উপর ডান ক্লিক করেও মিনিমাইজ (অ্যাপ্লিকেশনকে টাস্কবার এ নিয়ে এসে রাখা),ক্লোজ (বন্ধ) বা পর্দার বাম বা ডান পাশে অ্যাপ্লিকেশনটিকে বিভক্ত করে রাখতে পারেন।
apps2

Desktop কে সংগঠিত করুন

আপনি যেভাবে পছন্দ করেন সেভাবে Desktop কে সংগঠিত করে রাখতে পারেন । আপনি সর্টকাট মুছে ফেলতে পারেন বা পছন্দের ফাইল বা ফোল্ডার এর জন্য সর্টকাট তৈরি করতে পারেন, ভিন্নতর ব্যাকগ্রাউন্ড, উইন্ডো কালার এবং থিম এর সাহায্যে Desktop কে নিজের মতো করে সাজাতে পারেন। Personalization Gallery এ বাছাই করার জন্য প্রচুর সংখ্যক ফ্রি থিম আছে। Desktop কে নিজের ইচ্ছা মতো রূপ দান কিভাবে করবেন তা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন “থিম দিয়ে শুরু করুন”।

পছন্দ করুন Sign in করার পর আপনি কোথায় যেতে চান

ডিফল্ট হিসেবে, অধিকাংশ মানুষ যখন তাদের পিসিতে Sign in করে তখন Desktop এ যায়, কিন্তু আপনি যখন আপনার পিসিতে Sign in করবেন তখন Desktop, Start Screen, বা App View এর মধ্যে যেকোনটি পছন্দ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনি কোন Device ব্যবহার করছেন তা কোন ব্যাপার না।

1. প্রথমে, পর্দার ডান পাশে সুইপ করার মাধ্যমে টাস্কবার ও নেভিগেশন প্রোপার্টিজ খুলুন, Search এ টোকা দিন, সার্চ বক্স এ Taskbar লিখুন, এবং তারপর ফলাফল থেকে Taskbar and Navigation এ টোকা দিন বা ক্লিক করুন।

2. নিচের যেকোন একটি করুন
# Start এ বুট করার জন্য
Navigation ট্যাব এ টোকা দিন বা ক্লিক করুন এবং তারপর When I sign in or close all apps on a screen, go to the desktop instead of Start চেক বক্স নির্বাচন উঠিয়ে দিন । OK তে টোকা দিন বা ক্লিক করুন। আপনি যখন পরবর্তীতে পিসি Sign in করবেন তখন Desktop এর বদলে Start Screen দেখা যাবে।

# Desktop এ বুট করার জন্য
Navigation ট্যাব এ টোকা দিন বা ক্লিক করুন এবং তারপর When I sign in or close all apps on a screen, go to the desktop instead of Start চেক বক্স নির্বাচন করুন । OK তে টোকা দিন বা ক্লিক করুন। আপনি যখন পরবর্তীতে পিসি Sign in করবেন তখন Desktop দেখা যাবে।

# App View এ বুট করার জন্য
Navigation ট্যাব এ টোকা দিন বা ক্লিক করুন এবং তারপর When I sign in or close all apps on a screen, go to the desktop instead of Start চেক বক্স নির্বাচন উঠিয়ে দিন ।
তারপর Show the Apps view automatically when I go to Start চেক বক্স নির্বাচন করুন। OK তে টোকা দিন বা ক্লিক করুন। যখন পরবর্তীতে পিসি Sign in করবেন তখন App View দেখা যাবে। (অন্যন্য নির্দেশ যা আপনাকে সাধারণত Start এ নিয়ে যেত তা এখন App View এ নিয়ে যাবে।)

স্টার্ট বাটন থেকে আরও অপশন

বাম পাশের নিচের প্রান্তে আপনি স্টার্ট বাটন দেখতে পাবেন। আপনি Start Screen এ যাওয়ার জন্য স্টার্ট বাটনে টোকা বা ক্লিক করতে পারেন, অথবা quick and advanced options এ যাওয়ার জন্য চাপ দিয়ে ধরে রাখতে পারেন বা ডান-ক্লিক করতে পারেন – এর মাধ্যমে আপনি কম্পিউটার বন্ধ করতে পারেন, সাইন আউট করতে পারেন, কন্ট্রোল প্যানেল এ যেতে পারেন এবং টাস্ক ম্যানেজার বা কমান্ড প্রম্পট খুলতে পারেন।
11111

গুগল ম্যাপস এপিআই টিউটোরিয়াল (Google Maps API Tutorial)

গুগল ম্যাপ কি?

গুগল ম্যাপ হলো গুগল কর্তৃক প্রচলিত ডেস্কটপ এবং মোবাইল ওয়েবের জন্য একটি ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রযুক্তি সেবা যা স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি, রাস্তার ম্যাপ এবং স্ট্রিট ভিউ পার্সপেক্টিভ এর সাথে সাথে গাড়ি, বাইসাইকেল এবং পায়ে হেটে চলা অথবা জনপরিবহণের উপযোগী রুট প্ল্যান (যাতায়াতের পথ) সরবরাহ করে।

গুগল ম্যাপ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েব সাইটে ম্যাপ দেখাতে পারবেন।

গুগল ম্যাপ এপিআই

এই টিউটোরিয়ালটিতে গুগল ম্যাপ API ( Application Programming Interface ) সম্পর্কে এবং ওয়েব সাইটে গুগল ম্যাপ যোগ করার ব্যাপারে আলোচনা করা হবে। গুগল ম্যাপ এপিআই আপনাকে ম্যাপকে কাস্টমাইজ এবং এটিতে তথ্য যোগ করতে দেয়। এখানে, একটি API হলো কতগুলো পদ্ধতি বা টুলের সমাহার যা সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। গুগল ম্যাপ এপিআই এর মাধ্যমে ওয়েব ডেভলাপাররা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ওয়েব পেজে ম্যাপ এমবেড বা যুক্ত করতে পারেন। বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের ম্যাপ এপিআই প্রচলিত রয়েছে। এই টিউটোরিয়ালে সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

 

Go here to see a Google Maps of Dhaka, Bangladesh

https://www.google.ca/maps/place/Dhaka,+Bangladesh/@23.7806364,90.4193257,11z/data=!3m1!4b1!4m2!3m1!1s0x3755b8b087026b81:0x8fa563bbdd5904c2

 

Resources for PMP Certification

পিএমপি সার্টিফিকেট পরীক্ষার জন্য তথ্যঃ
রিদওয়ান বিন শামিম

পিএমপি সার্টিফিকেট পরীক্ষাটি প্রকল্প পরিচালক হওয়ার ক্ষেত্রে খুব ভাল একটি সহায়ক বিশেষ করে কোন ব্যক্তির অভিজ্ঞতার পাশাপাশি খুবই প্রয়োজনীয় হতে পারে যদি সে কোন সফটওয়ার কোম্পানি বা এই জাতীয় কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক হতে চায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে শুধু মাত্র প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট হয়ত প্রকল্প পরিচালক হিসেবে সফল হওয়ার পুরোপুরি নিশ্চয়তা দেয় না। তবে এটি নিশ্চিতভাবেই অনেক সাহায্য করে, বিশেষ করে থিওরিগুলো বিভিন্ন সমস্যাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে সাহায্য করে থাকে।

SEO Miscellaneous Techniques

এস ই ও করার বিভিন্ন টিপস
স্বর্ণা আখতার

এস ই ও করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু টিপস বা পদ্ধতি আছে সেগুলো সাধারণত বিশেষ কোন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। তবে সেগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এমনই কিছু বিষয়াবলী সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল।

যে বিষয়গুলি মনে রাখা জরুরি,

১. ওয়েবপেজ এ কোন লুকায়িত বিষয়বস্তু রাখবেন না।
২. ইমেজ এর সাথে কিওয়ার্ডস মিল না রেখে বিষয়বস্তু নির্বাচন করবেন না।
৩. মেটা ট্যাগ ঠাসাঠাসি করে নির্বাচন করবেন না।
৪. ব্ল্যাক পদ্ধতি অনুসরণকারী সাইট এর সাথে লিঙ্ক বিনিময় কাজে অংশ নিবেন না।
৫. ভুল কিওয়ার্ডস নির্বাচন করে ভিজিটরদের প্রতারিত করার চেষ্টা করবেন না।
৬. অতিরিক্ত গ্রাফিক্স এর ব্যবহার না করা।
৭. কোন নকল বিষয়বস্তু বা লেখা ওয়েবসাইট প্রকাশ করবেন না। সবসময় অদ্বিতীয় কিছু লেখার চেষ্টা করবেন।
৮. একই সার্চ ইঞ্জিন বারবার আপনার সাইট সাবমিট করার চেষ্টা করবেন না।
৯. বেশি সংখ্যক ডায়নামিক পেজের ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
১০. ওয়েব পেজগুলোকে বেশি সংখ্যক কোড দ্বারা প্রভাবিত করবেন না।

যে কাজগুলো করতে হবে,

১. পেজের লগ তৈরি করুন এবং মনে রাখতে হবে যে প্রত্যেকটি পেজ যেন ২০০ এর অধিক শব্দ না থাকে যেটা কিনা গুগল এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।
২. কিছু সংখ্যক সাইট ম্যাপ তৈরি করুন যেমন, Help, FAQ, About Us, Link to Us, Copyright, Disclaimer, Privacy Policy pages on mandatory basis.

৩. প্রত্যেকটি পেজে হোম পেজ এর লিঙ্ক রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যেন ন্যাভিগেশন তা সহজ হয়।
৪. আপনার সাইটে কোন অসম্পূর্ণ লিঙ্ক আছে কিনা সেটা পরিক্ষা করুন। কারন, সেগুলো আপনার ওয়েবসাইট এর রাঙ্ক কমিয়ে দিতে পারে।

Attach in a word document
এস ই ও করার বিভিন্ন টিপস
স্বর্ণা আখতার

এস ই ও করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু টিপস বা পদ্ধতি আছে সেগুলো সাধারণত বিশেষ কোন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। তবে সেগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এমনই কিছু বিষয়াবলী সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল।

যে বিষয়গুলি মনে রাখা জরুরি,

১. ওয়েবপেজ এ কোন লুকায়িত বিষয়বস্তু রাখবেন না।
২. ইমেজ এর সাথে কিওয়ার্ডস মিল না রেখে বিষয়বস্তু নির্বাচন করবেন না।
৩. মেটা ট্যাগ ঠাসাঠাসি করে নির্বাচন করবেন না।
৪. ব্ল্যাক পদ্ধতি অনুসরণকারী সাইট এর সাথে লিঙ্ক বিনিময় কাজে অংশ নিবেন না।
৫. ভুল কিওয়ার্ডস নির্বাচন করে ভিজিটরদের প্রতারিত করার চেষ্টা করবেন না।
৬. অতিরিক্ত গ্রাফিক্স এর ব্যবহার না করা।
৭. কোন নকল বিষয়বস্তু বা লেখা ওয়েবসাইট প্রকাশ করবেন না। সবসময় অদ্বিতীয় কিছু লেখার চেষ্টা করবেন।
৮. একই সার্চ ইঞ্জিন বারবার আপনার সাইট সাবমিট করার চেষ্টা করবেন না।
৯. বেশি সংখ্যক ডায়নামিক পেজের ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
১০. ওয়েব পেজগুলোকে বেশি সংখ্যক কোড দ্বারা প্রভাবিত করবেন না।

যে কাজগুলো করতে হবে,

১. পেজের লগ তৈরি করুন এবং মনে রাখতে হবে যে প্রত্যেকটি পেজ যেন ২০০ এর অধিক শব্দ না থাকে যেটা কিনা গুগল এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।
২. কিছু সংখ্যক সাইট ম্যাপ তৈরি করুন যেমন, Help, FAQ, About Us, Link to Us, Copyright, Disclaimer, Privacy Policy pages on mandatory basis.

৩. প্রত্যেকটি পেজে হোম পেজ এর লিঙ্ক রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যেন ন্যাভিগেশন তা সহজ হয়।
৪. আপনার সাইটে কোন অসম্পূর্ণ লিঙ্ক আছে কিনা সেটা পরিক্ষা করুন। কারন, সেগুলো আপনার ওয়েবসাইট এর রাঙ্ক কমিয়ে দিতে পারে।

Random Short Notes on Project Management

প্রকল্প ব্যবস্থাপনার উপর কিছু কথাঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

সঙ্ঘবদ্ধতার বিন্যাস একটি বড় গুন যা একটি দলকে কর্মক্ষেত্রে একসাথে করে রাখে। মানসম্মত উৎপাদন নীতিমালা একটি সংগঠনকে তার মান ঠিক রাখতে সহায়তা করে,লক্ষ্য ঠিক করতে সাহায্য করে। মানসম্মত সেবা বা পন্যের যে নীতিমালা এক একটি সংগঠনে তা এক এক রকম হতে পারে। এই ব্যপারটির সাথে জড়িয়ে আছে শিডিউল পারফরমান্স, কস্ট বাজেটিং, ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি নানা বিষয়ও ।

 

এরপর আসে প্রকল্পের প্রাথমিক নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রামের কথা, যা কাজের ধারা ও তার নির্ভরতাগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করে। প্রকল্প পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ সার্বিক কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভর করে। প্রকল্প ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সব সময় দেখতে হবে কতটুকু কাজ হয়েছে আর এর পর কি কাজ করতে হবে। যেমন পরিকল্পনা গ্রহনের পর কর্মপ্রণালী ঠিক করতে হয়, এর পর যথোপযুক্ত লোক নিয়ে কাজে হাত দিতে হয়।

 

প্রকল্প বাজেট ঃ সম্ভাব্য বাজেট, শিডিউল ও রিসোর্স ক্যালেন্ডার এগুলো প্রকল্প বাজেটের অন্তর্গত বিষয়। বাধ্যতামূলক নির্ভরতাঃ প্রকল্প নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রাম তৈরিতে দরকারি, যেমন কোন সফটওয়ার রান করানোর আগে তা লিখতে হয়।

 

মাইলস্টোন চার্ট ঃ মাইলস্টোন চার্ট প্রকল্প নেটওয়ার্কের আরেকটি পদ্ধতি যেটি একটি প্রকল্পের কেবল প্রধান বিষয় গুলো দেখায়, যেখানে গান্ট চার্ট (Gantt chart) নামের আরেকটি পদ্ধতি আছে যা প্রকল্পের সবকিছু খুঁটিয়ে দেখায়। প্রকল্পের স্কোপ স্টেটমেন্ট নামের ডায়াগ্রাম সদৃশ ডকুমেন্ট তৈরির পর কাজের ব্রেকডাউন স্ট্রাকচার তৈরি হয়, এরপর তৈরি হয় একটিভিটি লিস্ট। এরপর প্রকল্পের নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রাম তৈরি করতে হয় যা প্রকল্পের কাজের ধারার সাথে মিলিয়ে করতে হয়।প্রকল্পে এবার ঠিক করতে হয় ক্রিটিকাল পাথ, তারপর প্রোজেক্ট শিডিউল করতে হয়।

 

রান চার্টঃ প্রথাগত কর্মপ্রণালী দেখায় ও মান নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। মান নিয়ন্ত্রণ ও সুযোগ যাচাই উতপ্রতভাবে জড়িত। কোয়ালিটি কন্ট্রোল নির্ভুলতা, সম্ভাব্যতা ও উপযোগিতা নিশ্চিত করে, দেখতে সাহায্য করে এই ধরণের আর কোন প্রকল্প হচ্ছে কিনা।

 

 

বেনিফিট কস্ট রেসিওঃ বেনিফিট কস্ট রেসিও ১.৫ মানে হল প্রকল্পটি ১.৫ গুন আয় করবে। একটিভিটি লিস্ট হল প্রধান ইনপুট যা একটিভিটি পরিমাপ করবে। লাইফ সাইকেল কস্টিংঃ লাইফ সাইকেল কস্টিং হল মালিকের প্রারম্ভিক খরচ, উৎপাদন খরচ ও অন্যান্য খরচের যোগফল। এটির সাথে আছে কন্ট্রোল একাউন্ট প্ল্যান। এক্সপেক্টেনসি থিওরি হল এবিষয়ে আরেকটি থিওরি যার মূল হল লক্ষ্য অর্জনে অনুপ্রেরণার ভূমিকা। যদি কর্মীরা বিশ্বাস করে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব, তাহলেই কেবল রিওয়ার্ড মোটিভেশন পদ্ধতি কাজে লাগবে, এটাই এক্সপেক্টেনসি থিওরির মূল কথা। এগুলোই মূলত প্রকল্প ব্যবস্থাপনার মূল বিষয়।

Random Information on Project Management (PMI)

প্রকল্প ব্যবস্থাপনার উপর কিছু তথ্যঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

প্রকল্প ব্যবস্থাপকরা কাজের ক্ষেত্রে সংঘটিত ক্রুটির একটি তালিকা করেন তাদের সংঘটিত হওয়ার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে। তারা সাধারণত এটি করেন পারেটো চার্ট নামক একটি পদ্ধতির মাধ্যমে। এ পদ্ধতিতে সবচেয়ে কমন ভুলগুলো তালিকার উপরের দিকে থাকে, এর পর ধীরে ধীরে ক্রমশ অপেক্ষাকৃত কম ভুলগুলো দিয়ে সাজিয়ে তালিকা সম্পন্ন করা হয়।

 

প্রকল্প ব্যবস্থাপকরা কোন প্রক্রিয়া বা পদক্ষেপ গ্রহন করবেন কিনা তা একটি কন্ট্রোল চার্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হন,

 

তারা পূর্বপরিকল্পনা ও বর্তমান অগ্রগতির মধ্যে তুলনা করতে ভ্যরিএন্স এনালাইসিস(Variance Analysis) নামক একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেন।

 

এক্ষেত্রে অর্ডার অফ মেগনিচিউড এস্টিমেট নামক আরেকটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় প্রকল্পের খরচের নিয়ন্ত্রণ অর্থাৎ কস্ট ম্যনেজমেন্টের জন্য।

 

বিভিন্ন আলাদা সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রক্ষার জন্য আনুষ্ঠানিক, লিখিত যোগাযোগ বেশি সফল হয়ে থাকে।

 

প্রকল্প কর্ম তালিকা হল অফিসিয়ালি প্রকল্পের মূল ভিত্তি, যার মাধ্যমে ক্রমিক ভাবে কাজ সম্পন্ন করা হয়।

 

ডেলফি পদ্ধতি হল সুদক্ষ কর্মীদের থেকে উপদেশ ও কাজের ধারা সম্পর্কে ধারণা লাভ করার একটি বিখ্যাত পদ্ধতি, যেটা কর্মীরা নিজেদের মধ্যে সাধারণত তথ্য শেয়ার না করে অর্থাৎ গোপন করেও করে থাকে।

 

কর্ম অনুমোদন পদ্ধতি সঠিক সময়ে ও সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিশ্চিত করে। যারা অর্থাৎ যে ব্যক্তি বা দল প্রকল্পটি করছে তাদের পূর্বেই কাজের সময় ঠিক করে নিতে হয়।

 

প্রকল্প ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সব স্টেকহোল্ডারদের সকল প্রকল্প পরিকল্পনা জানানোর দরকার নাই কারণ কিছু স্টেকহোল্ডার সরাসরি প্রকল্পের বিরুদ্ধাচরণ করতে পারে।

 

যদি কাউকে প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেয়া হয় কিন্তু তার তেমন কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই প্রকল্প চালানোর, তাহলে সে প্রকল্প পরিচালনার উপর পূর্ববর্তী ঘটনা ইত্যাদির ইতিহাস জেনেও অনেক কিছু শিখতে পারে।

 

প্রকল্পের ব্যয়ের সিংহভাগ খরচ করা হয় প্রকল্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। প্রকল্পটি নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন হওয়া প্রাথমিক ভাবে প্রকল্প ব্যবস্থাপকের উপর নির্ভর করে। এভাবেই প্রকল্প ব্যবস্থাপনার কাজ এগিয়ে যায়।

পিএইচপি ৫ ফাংশন (PHP 5 Functions)

সুদীপ্ত সাহা
PHP এর মূল শক্তি হিসেবে এর ফাংশনকেই বিবেচনা করা হয়। কারণ এর প্রায় ১০০০ বিল্ট-ইন ফাংশন রয়েছে।

PHP ইউজার ডিফাইন্ড ফাংশন

বিল্ট-ইন ফাংশনের পাশাপাশি PHPতে ইউজার ডিফাইন্ড ফাংশনও তৈরি করা যায়।
ফাংশন হচ্ছে কিছু স্টেটমেন্টের একটি ব্লক যা কোন প্রোগ্রামে যতবার ইচ্ছা ততবার ব্যবহার করা যায়। কোন একটি পেজ লোড হওয়ার সময়েই ফাংশন রান করে না। ফাংশনকে রান করানোর জন্য ফাংশনকে কল করতে হয়।

PHP তে ইউজার ডিফাইন্ড ফাংশন তৈরি করা

ইউজার ডিফাইন্ড ফাংশন তৈরি করার জন্য “function” ওয়ার্ড দ্বারা ফাংশনকে ডিক্লেয়ার করতে হয়।

সিনট্যাক্স


 function functionName() {
     code to be executed;
 }

নোটঃ ফাংশনের নাম লেটার অথবা আন্ডারস্কোর দ্বারা শুরু করতে হয়, নাম্বার দ্বারা শুরু করা যায়না।

টিপসঃ ফাংশনের এমন নাম দেয়া উচিৎ যেন তা ফাংশনের কাজকে বোঝায়।

নিচের উদাহরণে “writeMsg()” নামের একটি ফাংশন তৈরি করা হয়েছে। শুরুর দ্বিতীয় বন্ধনী { দ্বারা ফাংশনের শুরুকে বোঝানো হয় এবং শেষের দ্বিতীয় বন্ধনী } দ্বারা ফাংশনের শেষকে বোঝানো হয়েছে। এই ফাংশনের আউটপুট হবেঃ Hello world!

ফাংশনকে কল করার জন্য শুধু এর নামটি লিখলেই হয়ঃ

উদাহরণঃ


<?php
 function writeMsg() {
     echo "Hello world!";
 }
 
 writeMsg(); // call the function
 ?>

 

PHP ফাংশন আর্গুমেন্ট

আর্গুমেন্টের সাহায্যে ফাংশনে ডাটা পাস করা যায়। আর্গুমেন্ট ভ্যারিয়েবল হিসেবে কাজ করে। ফাংশন নেমের পড়ে বন্ধনীর ভেতরে আর্গুমেন্ট ডিক্লেয়ার করা হয়। আপনি আপনার ইচ্ছামতো আর্গুমেন্ট সেট করতে পারবেন, শুধু একটি কমা ব্যবহার করে আর্গুমেন্টগুলোকে আলাদা করতে হয়।

নিচের উদাহরণে ($fname) নামের একটি আর্গুমেন্ট তৈরি করা হয়েছে। familyName() ফাংশনকে কল করার সময় একটি নামও পাস করতে হবে, যা ফাংশনের মধ্যে রান করে ভিন্ন ভিন্ন ফার্স্টনেম এবং একই লাস্টনেমের আউটপুট শো করবে।

উদাহরণঃ


<?php
 function familyName($fname) {
     echo "$fname Refsnes.<br>";
 }
 
 familyName("Jani");
 familyName("Hege");
 familyName("Stale");
 familyName("Kai Jim");
 familyName("Borge");
 ?>

 

নিচের উদাহরণে ($fname and $year) নামের দুইটি আর্গুমেন্ট তৈরি করা হয়েছে।
উদাহরণঃ


<?php
 function familyName($fname, $year) {
     echo "$fname Refsnes. Born in $year <br>";
 }
 
 familyName("Hege", "1975");
 familyName("Stale", "1978");
 familyName("Kai Jim", "1983");
 ?>

 

PHP ডিফল্ট আর্গুমেন্ট ভ্যালু

কিভাবে একটি ডিফল্ট প্যারামিটার ব্যবহার করতে হয় তা নিচের উদাহরণে দেখানো হয়েছে। যদি আমরা কোন আর্গুমেন্ট ছাড়া ফাংশন setHeight() ব্যবহার করি তাহলে এটি আর্গুমেন্টকে ডিফল্ট ভ্যালু হিসেবে গ্রহণ করবে।

উদাহরণঃ


<?php
 function setHeight($minheight = 50) {
     echo "The height is : $minheight <br>";
 }
 
 setHeight(350);
 setHeight(); // will use the default value of 50
 setHeight(135);
 setHeight(80);
 ?>

 

PHP ফাংশন রিটার্নিং ভ্যালু

ফাংশনের কোন ভ্যালুকে রিটার্ন করানোর জন্য return স্টেটমেন্ট ব্যবহার করতে হয়।

উদাহরণঃ


<?php
function sum($x, $y) {
 $z = $x + $y;
 return $z;
}
echo "5 + 10 = " . sum(5, 10) . "<br>";
echo "7 + 13 = " . sum(7, 13) . "<br>";
echo "2 + 4 = " . sum(2, 4);
?>

 

Microsoft Project and Project Management

Microsoft Project ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনাঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

Microsoft Project এর আওতায় প্রকল্প তৈরি করা যায়। সেই প্রকল্পের আওতায় আবার বিভিন্ন কাজ বা টাস্ক করা যায়। এরকম প্রতিটা টাস্কের জন্য সাধারণত নাম, সময়, শুরুর সময়, শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় , ধারা ইত্যাদি নির্দিষ্ট করে দেয়া যায়। এ ধরণের কাজে পূর্বের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

 

 

টাস্ক গুলোর মধ্যে রিলেশন বুঝাতে SF (Start-Finish), FS(Finish-Start), SS, FF ইত্যাদি অনেক টার্ম ব্যবহার করা হয়। টাস্ক সম্পন্ন করার পর সেগুলোকে অনেক ধরণের ফরমেটে আমরা পেতে পারিঃ গান্ট চার্ট, ট্র্যাকিং গান্ট চার্ট, নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রাম ইত্যাদি। এদের মধ্য থেকে অনেক সময় অনেক জটিল পদ্ধতিও বেছে নিতে হয়।প্রতিটি টাস্কের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে খরচ ও রিসোর্স বেছে নেয়াও যায়। এছাড়াও প্রকল্পের অর্থনৈতিক লাভ ও উন্নতিও পর্যবেক্ষণ করা যায়। প্রকল্পের অগ্রগতির উপর রিপোর্টও লিখা যায়। এভাবে অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিশ্লেষণ করা যায়। মাইলস্টোন বা জিরো ডিওরেশনের টাস্কও থাকে যা শুরু থেকে সময় গননা করা হয়, কোন প্রকল্পের বিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে ধরা হয়।

 

Microsoft Project এর আওতায় ওয়ার্ক ব্রেকডাউন কাঠামো (Work Breakdown Structure :WBS), এড অন প্রোডাক্ট Add-on product (WBS Chart Pro) ইত্যাদি ফরম্যাট তৈরি করা যায় ও দেখা যায় মাইক্রোসফট প্রোজেক্ট ফাইলের আন্ডারে। অথবা WBS code ব্যবহার করেও এসমস্ত সুবিধা পাওয়া যায়। অনেক গুলো প্রজেক্টের কাজ গুছিয়ে রাখার জন্য Microsoft Project Server এর সাহায্য নেয়া যায়। কাজের সুবিধার জন্য আমরা ম্যাক্রোর সহায়তাও নিতে পারি। আমরা কাষ্টোমাইজ করার জন্য VBA এবং Active Scripting এর সাহায্য নিতে পারি। মাইক্রোসফটের প্রকল্পের জন্য প্রকল্পের প্ল্যানকে Microsoft power point বা Microsoft word ইত্যাদিতে রূপান্তরিত করে প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সম্ভব। প্রকল্প ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শিডিউল, বাজেট, উপাত্ত ব্যবস্থাপনা ,অগ্রগতি লক্ষ্য রাখা ও প্রতিবেদন তৈরি করা ইত্যাদিও জরুরী।

 

Microsoft Project এর জন্য টাস্ক তৈরি করতে যেসব তথ্য দিতে হবে তা হল আলাদা ভাবে প্রতিটি টাস্কের নাম, টাস্কের সময় ও টাস্কের সীমাবদ্ধতা। এরপর টাস্কের খরচের বাজেট করতে হবে, কর্মী নিয়োগ দিয়ে তাদের নরমাল ও ওভারটাইম দুই ধরণের বেতন ধরে। লক্ষ্য রাখার জন্য কাজের অগ্রগতি, সীমাবদ্ধতা ও পরিবর্তন ইত্যাদি ধরে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এরপর দেখতে হবে কোন সফটওয়ার কাজে লাগানো যায় কিনা। পরবর্তী সময়ে জনগনের মতামতের ভিত্তিতে প্রকল্পে পরিবর্তন আনতে হতে পারে, টাস্ক গুলোকে খণ্ড খণ্ড করে ভাগও করতে হতে পারে। ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে কাজের শিডিউলকে আরও সময়ানুবর্তী করা যেতে পারে। ডেটলাইন, শর্ত ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে।

 

প্রোজেক্ট ২০০৭ নতুন প্রকল্প, যাতে অনেক নতুন চার্ট, ক্যালেন্ডার, টাস্ক ড্রাইভার, শেয়ারপয়েন্ট সার্ভিস ও আরও অনেক সুবিধা যোগ করা হয়েছে।

How to Manage Projects with Dot Project

যেভাবে ডটপ্রজেক্টের মাধ্যমে কোন প্রকল্প চালাতে হয়ঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

ডটপ্রজেক্ট একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে কোন প্রকল্পের ব্যবস্থাপনাগত দিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আপাতত আমরা এর পরিচিতিমূলক দিক গুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এর সাথে টেকনিক্যাল কিছু বিষয় নিয়েও আলোচনা করব। এর পর আমাদের ওয়েব সাইটে আপনারা এবিষয়ে ভিডিও টিউটোরিয়ালও পাবেন।

 

যেভাবে ডটপ্রজেক্ট ইন্সটল করতে হয়ঃ

প্রথমে আনজিপ করে সার্ভারে ডটপ্রজেক্টের জন্য নতুন ফোল্ডার খুলতে হয়।

এরপর সার্ভারে ডটপ্রজেক্ট ফাইল কপি করতে হয়।

এবার ডাটাবেস সার্ভারে নতুন ডাটাবেস খুলতে হবে, নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে।

যে কোন একটি ব্রাউজার থেকে ডটপ্রজেক্ট এর ইন্সটল ফোল্ডার নির্দেশ করিয়ে দিতে হবে।যেমন,http://justetc.net/dotproject/install ইত্যাদি।

এরপর ডাটাবেসে প্রবেশের তথ্য দিতে হবে।

 

ডটপ্রজেক্ট ফিচারগুলোর সারসংক্ষেপঃ

ডটপ্রজেক্টে মূলত বিভিন্ন কোম্পানি, প্রোজেক্ট, টাস্ক, ক্যালেন্ডার, ফাইল, কন্টাক্ট, ফোরাম, টিকেট, ইউজার এডমিন, সিস্টেম এডমিন ইত্যাদি থাকে।

 

যেভাবে ডটপ্রজেক্ট দ্বারা প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করা হয়ঃ প্রজেক্টের আন্ডারে থাকে প্রপোজাল ট্যাব, যার থেকে প্রজেক্ট শুরু করা হয়। প্রপোজাল স্ট্যাটাস দিয়ে নতুন প্রপোজাল শুরু করা যায়। প্রয়োজনে প্রাসঙ্গিক টাস্ক তৈরি করা যায় দরকার হলে। প্রয়োজনে টাস্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে অন্য লোকের নিয়োগ দিতে হতে পারে। অভিজ্ঞ লোকের সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ করতে হয়। প্রপোজাল, প্রপোজাল ডকুমেন্ট, প্রপোজাল আউটলাইন তৈরি হয়ে গেছে তাই এখন প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা জরুরী।

 

প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনাঃ প্রজেক্টস এর ভেতরের ‘ইন প্ল্যানিং’ ট্যাব ব্যাবহার করতে হবে। এরপর প্রপোজাল প্রোজেক্টকে প্ল্যানিং প্রোজেক্ট এর ভেতর আনতে হবে। এডিট প্রোজেক্ট অপশন দিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে দিতে হবে। নতুন প্রজেক্ট করে ইন প্ল্যানিং ট্যাবে রাখা যেতে পারে। প্ল্যানিং নিজেই একটা প্রকল্প, এর সাথে অনেক টাস্ক, যোগাযোগ ইত্যাদির সমন্বয় করতে হতে পারে। প্ল্যানিং এর সময় আমরা পুরো প্রকল্পর ধাপে ধাপে কাজ গুলো ভাগ করে ফেলব। উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য আলাদা করে মানব সম্পদ, মান, ক্রেতা ইত্যাদি সব ঠিক করে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও অন্যান্য কাজ শুরু করে দিতে হবে।

 

প্রকল্প এগিয়ে নেয়াঃ প্রকল্পের প্ল্যানিং ও শুরুর অন্যান্য কাজ হয়ে যাওয়ার পর সময় ,খরচ ও মানবসম্পদ বিষয়ক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। CPM model for Time Management এর মাধ্যমে এই ধাপ গুলো করা যায়। এরপর কাজের ধারা, প্রকল্পের মান বজায় থাকছে কিনা ইত্যাদিও দেখতে হয়। ওয়াটার ফল, এগাইল বেসড মডেল এসবের দ্বারা মান নিশ্চিত করা হয়। প্রয়োজনে প্যারেন্ট প্রোজেক্ট ইত্যাদি ব্যাবহার করতে হয় এ ধাপগুলো সম্পন্ন করার জন্য। ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ ইত্যাদির একটি লিস্ট করে তাও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এরপর একে একে দেখতে হয় সব পূর্বশর্ত পুরন হয়েছে কিনা, সব টাস্ক ১০০% হয়েছে কিনা, কোয়ালিটি, রিসোর্স ও শর্ত পুরন হয়েছে কিনা। এরপর ক্রেতা ও ভোক্তার চাহিদা মিলিয়ে দেখে চূড়ান্ত ভাবে প্রকল্প সমাপন ঘোষণা করা হয়।
http://Bangla.SaLearningSchool.com

Some Topics on Project Communication Management

প্রকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কিছু কথাঃ
রিদওয়ান বিন শামীম

বড় প্রকল্পের জন্য পূর্ব পরিকল্পিত ও নিখুঁত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজন আছে। যদিও পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে যে কোন পরিকল্পনা পরিবর্তিত হতে পারে।

 

প্রকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার মূল সারসংক্ষেপঃ

প্রকল্প যোগাযোগ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, এটি অনেক চাতুর্যপূর্ণ ও রাজনৈতিক হতে পারে, প্রোজেক্ট রেকর্ড গ্রহন, প্রেরণ, সংরক্ষণ ও বণ্টন বিষয়ক হতে পারে, এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত চারটি নিয়ম মেনে চলেঃ

কি যোগাযোগ,

কার সাথে,

কখন ও

কীভাবে।

 

মাশরুম প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টঃ তথ্য গোপন রেখে কাজ শেষ করার প্রবনতা এই ধরণের কাজের ধারায় পরে।

 

যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার উপধারাগুলোঃ

যোগাযোগ পরিকল্পনা,

সম্পাদন,

পর্যবেক্ষণ ও

নিয়ন্ত্রণ

মূলত এই ক্ষেত্র গুলো যোগাযোগ পরিকল্পনার উপধারা সমুহ।

 

যোগাযোগের এই ধারা গুলো পারস্পরিক শেয়ার ও প্রকাশের মাধ্যমে শরিকদের মধ্যে গোলযোগের সম্ভবনাকে কমিয়ে আনা সম্ভব। একই সাথে দলগত অনুপ্রেরণা বাড়িয়ে তোলা সম্ভব।

 

প্রকল্প ব্যবস্থাপক বা প্রোজেক্ট ম্যনেজারের ভুমিকাঃ বেশিরভাগ সময় যোগাযোগ রক্ষা করা, মূলত সিদ্ধান্ত নেয়ার চেয়েও যোগাযোগ রক্ষা করা বেশি দরকার হতে পারে। যোগাযোগ পরিকল্পনা, ফলাফল, সময়, মিডিয়া, ওয়েব, ই মেইল, কোন তথ্য কাকে ইত্যাদি কাজ প্রোজেক্ট ম্যানেজারকেই করতে হয়। যাদের সাথে কাজ করতে হবে এমন সংস্থার পরিবেশগত দিক, প্লানিং, সম্ভবনা ইত্যাদি বিষয়েও তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

 

প্রোজেক্ট ম্যনেজারের প্রধান মাধ্যম বা টুলসঃ যোগাযোগ চ্যানেল, যা মূলত যোগাযোগ প্রকরণগুলোকে ঠিক রাখে। N সঙ্খক লোক n(n-1)/2 সঙ্খক উপায়ে যোগাযোগ করতে পারে এরকম একটি হিসাব আছে এই বিষয়ে। এক্ষেত্রে একটি সাবসেট নির্ধারণ করা হয়, মাঝে মাঝে অফিশিয়াল যোগাযোগ চ্যানেল ঠিক করা লাগতে পারে। আর যোগাযোগের ক্ষেত্রে অনলাইন যোগাযোগ, ভিডিও কনফারেন্স ইত্যাদিও মাধ্যম হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনাঃ এর মধ্যে আছে কাকে জানাতে হবে, কি জানাব, কাকে পাঠানো যায়, তথ্য প্রেরণের মাধ্যম, আপডেট রাখার জন্য কি করতে হবে ইত্যাদি।

 

তথ্য বণ্টনঃ তথ্য বণ্টনের জন্য প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাধারণত যোগাযোগের মডেল ব্যবহার করেন, যে মডেলে কয়েকটি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হয়, মনোযোগ দিয়ে তথ্য শোনা, তথ্য সংরক্ষণ, ভাষাগত দিক ইত্যাদি।

 

যোগাযোগের মাধ্যমগুলো হলঃ

প্রথাগত লেখা বা ফরমাল রাইটিং,

সাধারণ লেখা,

প্রথাগত মৌখিক যোগাযোগ ও সাধারণ মৌখিক যোগাযোগ।

 

পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করাঃ

মূলত প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে স্টেক হোল্ডারদের জানানো ও নিয়মিত অবহিত রাখার জন্য রিপোর্ট দেয়ার পদ্ধতি।

 

এখানে মূলত প্রকল্প ব্যবস্থাপনার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা PMI and PMBOK(Project Management Body of Knowledge) থেকে নেয়া হয়েছে।

http://Bangla.SaLearningSchool.com