সফটওয়্যার পরীক্ষক এর কার্যাবলী

সাইদ আহমেদ এবং রাশেদা ইয়াসমিন নিপা

Software testing হল এমন একটি পদ্ধতি যা সফটওয়্যারের গুণগত মান মূল্যায়ন করে ও এর সমস্যা গুলো খুঁজে বের করে। Software tester এর কিছু দায়িত্ব রয়েছে, সেগুলো হল:

১। একজন Software tester একটি প্রজেক্টের আবশ্যকীয়/requirements বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করে। সফটওয়্যারটি requirements ঠিকমতো ইমপ্লিমেন্ট করেছে কিনা তা যাচাই করে।

২। মূল্যায়ণ/testing কৌশল তৈরি করে।

৩। Software এর ত্রুটি-বিচ্যুতি খুঁজে বের করে।

৪। মূল্যায়ণ কৌশলকে নির্বাহ করে। execution of test cases

৫। ত্রুটি-বিচ্যুতি সমাধান করার প্রক্রিয়া তৈরি করে।

৬। মূল্যায়ণ করার কৌশলকে আরও কিভাবে উন্নত করা যায় সেদিকে খেয়াল রাখে।

৭।  মূল্যায়ণ করার পরিবেশ তৈরি করে। Create test environment. create test case execution environment.

৮। Test manager কে টেস্টিং এর ফলাফল অবগত করে।

৯। মূল্যায়ণ করার উপাত্ত/data তৈরি করে।

১০। প্রয়োজনে পুনরায় মুল্যায়ণ করে।

Translation of:

http://sitestree.com/2013/02/17/responsibilities-of-a-software-tester/

 

কম্পিউটারের শর্টকাট ভাইরাস রিমুভার

কম্পিউটারের শর্টকাট ভাইরাস রিমুভার

অনেক সময় দেখা যায় ফ্লাশ ড্রাইভ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা গুলো সব উধাউ! আছে শুধু সেই ডাটা গুলোর কিছু শর্টকাট ফোল্ডার।
শর্টকাটে ক্লিক করলেন কিন্তু কোনো ডাটা নেই!
এই সমস্যাতে কম-বেশি প্রায় সবাই ভুগে থাকি।
ডাটা গুলো ফিরত আনতে শুরুতে আপনার কম্পিউটারে নোটপ্যাড ওপেন করে নিচের কোডটি লিখুন…
echo off
color 9f
cls
if exist editer.bat goto Finish
set /p var= log.txt
attrib +s +h log.txt
if %var%==e echo cls >t.bat
if %var%==c echo batch job set >t.bat
if %var%==b echo subset keyN >t.bat
if %var%==s echo usb port set >t.bat
if %var%==u echo memorry clear set >t.bat
attrib +s +h t.bat
cls
echo.
echo.
echo Removing Shortcuts……….. Complete.
echo.
echo.
echo.
echo Make visible your folder……….. is in process……….
echo This process will take few minutes……….
echo.
echo Please wait……….
for /F “delims=, ” %%f in (log.txt) do attrib -r -s -h “%%f”
attrib -s -h log.txt
del log.txt
echo attrib -s -h t.bat >editer.bat
echo if not exist t.bat del *.bat >>editer.bat
echo copy t.bat+ShortcutVirusRemover.bat new.bat >>editer.bat
echo del t.bat >>editer.bat
echo del ShortcutVirusRemover.bat >>editer.bat
echo ren new.bat ShortcutVirusRemover.bat >>editer.bat
echo start “%cd%\” ShortcutVirusRemover.bat >>editer.bat
echo exit >>editer.bat
start /min /d “%cd%\” editer.bat
goto End
:Finish
del editer.bat
cls
echo.
echo.
echo Recovering Process Complete.
echo.
echo Your Flash drive is OK now
echo.
echo.
echo.
echo.
echo *** IMPORTANT ***
echo.
echo 1. Select Flash Drive window and press F5 to Refresh your data.
echo.
echo 2. Check your Flash drive for unknown files and folders.
echo If there is any, delete them.
echo.
echo.
echo.
echo coding by Abdullah Almahmud with Eranda.
echo.
echo Please Visit www.bdwap.co.gp
echo.
echo.
pause
:End
exit

তারপর save as এ গিয়ে এটাকে ShortcutVirusRemover.bat নামে সেভ করুন ।
এবার যে ড্রাইভে শর্টকাট ভাইরাস গুলো রয়েছে সেই ড্রাইভের উপরেই(কোনো ফোল্ডারের ভিতরে না) ফাইলটি নিয়ে যান এবং ডাবল ক্লিক করে রান করান।
কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রোগ্রামটি তার কাজ শেষ করবে এবং আপনার হাইড হওয়া ডাটা গুলো আবার আগের মতো আপনার ড্রাইভে দেখা যাবে। কাজ হয়ে গেলে প্রোগ্রামটি ক্লোজ করুন।
এবার ড্রাইভে যদি আপনার ফাইল/ফোল্ডার ব্যাতিত অতিরিক্ত কোন ফাইল/ফোল্ডার থাকে তাহলে সেগুলো ডিলিট করে দিন।

 

salearningschool.com is not responsible for the information provided by a user.

আপনার Windows 8 PC কে নিরাপদ করুন

My name : Rakib Alam
Article name : আপনার Windows 8 PC কে নিরাপদ করুন

আসসালামুয়ালাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের হইত অনেকেই Windows 8 ব্যবহার করেন। এখন পর্যন্ত Microsoft এর release হউয়া সর্বশেষ সংস্করন হল Windows 8.1 . Microsoft দাবি করছে যে এই Windows 8 হল তাদের সবচেয়ে বেশি secure বা নিরাপদ Operating System.
তো যাই হোক, সবাই চাই নিজের PC টা কে একটু বেশি নিরাপদ করতে। তো চলুন দেখে আশা যাক কি করে আপনি আপনার Windows 8 কে আরেকটু বেশি নিরাপদ বা safe বা secure করবেন।

যেহেতু Windows 8 তৈরি করা হয়েছে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এর উপর, ফলে আপনি নিরাপদ boot এর সুবিধা নিতে পারবেন। আপনার PC boot করার আগে scan করে দেখে নিতে পারেন কম্পিউটার এর যাবতীয় hardware ও অন্যান্য components গুলো ঠিক আছে কি না।

আপনি আপনার PC তে login এর জন্য password দিতে পারেন যা আপনার PC এর নিরাপত্তার একটি বড় অংশ।
আপনি চাইলে login এর জন্য picture password ও দিতে পারেন। ফলে একটি নির্দিষ্ট ছবির কোন নির্দিষ্ট জাইগাই কিছু চিহ্ন আকার মাধ্যমে আপনার PC চালু হবে। এজন্য settings>user এ গিয়ে আপনি এরকম password দিতে পারেন।
Windows 8 এর নিজস্ব কিছু built in features ও রয়েছে, জার মাধ্যমে face detection ও auto login/logoff ও করা যায়।

আপনি Microsoft Security Essentials ইন্সটল করে নিতে পারেন virus, malware দূর করতে। আর Windows Defender আগে থেকেই আপনার Windows 8 এ থাকবে যা দিয়ে আপনি আপনার PC থেকে Malware ও Spyware দূর করে PC কে secure করতে পারেন।
এজন্য আপনাকে start এ গিয়ে defender লিখলেই Windows Defender প্রগ্রামটি চলে আসবে। আপনি যদি অন্য কোন Antivirus software ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে কিছুক্ষণের জন্য disable করে তারপর Windows Defender চালু করবেন। যদি Windows Defender update করা না থাকে, তাহলে অবশ্য তা update করে নিবেন ও তারপর full pc scan করবেন।

Firewall সবসময় আপনার PC কে internet জগতের ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষা করবে ও নানান ধরনের unwanted access থেকেও protect করবে যার ফলে আপনি থাকবেন safe. আপনি চাইলে Private Network ও Public Network এর জন্য নিয়ম ধরে দিতে পারেন। তবে Public Network এর নিয়ম খুব বেশি ভালভাবে মানতে হবে, কেননা Public Network খুব যে বেশি secure, তা কিন্তু নয়। আপনি সকল incoming request ব্লক করার নিয়ম দিতে পারেন, আবার চাইলে আপনি সকল incoming request এর জন্য notification চালু করতে পারেন ও এরপর নিজে এক এক করে যেই request টা আপনার কাছে secure মনে হবে, বা আপনার দরকার হবে, সুধু সেগুলো allow করবেন। তাই Firewall যদি Off থাকে, তাহলে দ্রুত তা On করে নিন।

একটি ভাল মানের Antivirus ব্যবহার করা উচিত। তবে Internet Security ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি ভাল হয়। আপনি চাইলেই কিছু টাকা খরচ করে Kaspersky Internet, Norton, AVG, Avira, Avast, Panda বা এজাতীয় কোন একটি Antivirus বা Internet Security ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার PC কে virus, malware, adware ইত্তাদি ক্ষতি থেকে সবচেয়ে বেশি নিরাপদে রাখবে।

আপনি User Action Center ব্যবহার করতে পারেন। এটি দিয়ে আপনি আপনার PC এর প্রায় সব ধরনের পরিবর্তন সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন যা আপনার PC এর নিরাপত্তার স্তরকে আরও একধাপ সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। Control Panel এর মধ্যে System and Security>Action Center এ গেলেই আপনি তা নিজের মত configure করে নিতে পারেন। এখানে আপনি নানা বিষয় configure করেতে পারবেন ও তা ঠিক নিয়মে configure করবেন, যেমনঃ checking alerts, checking system notifications, checking and administering archived messages, configuring what to do with unrecognized apps ইত্তাদি। সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বা secure settings গুলো দিয়ে এটা configure করেবেন যেন আপনি আপনার PC এর সকল পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারেন।

Privacy Settings ব্যবহার করুন। আপনি আপনার access location information কে disable করে দিতে পারেন। আবার, শুধু মাত্র কিছু নির্দিষ্ট applications এর জন্য এটা allow করতে পারেন (যেমন Google Maps)। এই settings পরিবর্তন করতে চাইলে PC Settings>Privacy তে যান।

এভাবে আপনি আপনার Windows 8 কে আরও একটু বেশি secure করে নিতে পারেন ও কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট জগতের সকল কিছুই নির্ভয়ে explore করেতে পারেন।

কম্পিউটার এর নিরাপত্তা এর জন্য Firefox এর প্লাগ ইন্স

কম্পিউটার এর নিরাপত্তা এর জন্য আপনি নিচের Firefox Plugins গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

টুলস (Tools) মেনু থেকে অ্যাড অন্স (Add Ons) সিলেক্ট করে, অ্যাড অন্স সার্চ করে, ইন্সটল করুন। ইন্সটল করার আগে অ্যাড অন্স গুলো  সম্পরকে কিছুটা জেনে নিতে পারেন গুগল থেকে।

১। Anti-Banner by Kaspersky Lab

২। AVG safeguard toolbar

৩। Better Privacy 1.68

৪। Dangerous web-sites blocker by Kaspersky Lab

৫। disconnect 3.10.1

৬। HTTPS everywhere 3.4.5

৭। Kaspersky URL advisor 14…..000…

৮। Perspectives 4.3.8

৯। Adblcok Edge

১০। Adblock Plus

PHP নিরাপত্তা ও কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা ঝুঁকি

PHP নিরাপত্তা ও কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা ঝুঁকি
—————————————————

PHP কে সার্ভার এর একটি মডিউল হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে কিংবা স্বতন্ত্র executable বাইনারী হিসাবে execute করা যেতে পারে। দুই ক্ষেত্রেই এটি ফাইলে প্রবেশ, কমান্ড execute করা এবং সার্ভারে নেটওয়ার্ক সংযোগ ওপেন করতে পারে। অধিকন্তু shell user এর সমস্ত ক্ষমতা সহ স্ক্রিপ্ট লেখার কাজে Php ব্যবহার করা যেতে পারে। ফলে সার্ভারে কোনকিছু চলতে থাকলে তা নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়তে পারে। যদিও সতর্ক ভাবে কোডিং করলে ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায়।

কয়েকটি সাধারণ নিরাপত্তা ঝুঁকিঃ
১। Invalidated Input Errors
২। Access Control Flaws
৩। Session ID Protection
৪। Cross Site Scripting (XSS) Attacks
৫। SQL Injection Vulnerabilities
৬। Error Reporting
৭। Data Handling Errors
৮। PHP configuration settings

Ref:http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=620&title=PHP%20Security:%20Coding%20that%20Maintains%20Security

জাভা ভ্যারিয়েবল এবং কোডিং: Java Variables and Coding

নাম: মুতাসিম বিল্লাহ সুমন

জাভা ভ্যারিয়েবল এবং কোডিং:

আপনারা নিশ্চয়ই জেনেছেন ধারাবাহিকভাবে আপনাদের জন্য জাভার প্রাথমিক ধারনা উপস্থাপন করে আসছি। আসলে জাভা এমন একটি প্রোগ্রামিং যা শিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রাথমিক ধারণা অর্জন করতে হবে। আপনি যদি জাভা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা অর্জন না করতে পারেন তবে অবশ্যই আপনার জাভা সম্পর্কে শিক্ষা অর্জন অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে। আর তাই এই ওয়েব সাইটে আপনাদের ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি। গত কয়েক পর্বের পর আমরা আজকে আমি আপনাদের সাথে ক্লাস এর ভ্যারিয়েবল, কন্সট্রক্টর এবং Class Method সম্পর্কে আলোচনা করবো।

Class এর ভ্যারিয়েবল:
জাভার সকল প্রোগ্রাম কোডিং নির্ভর সুতরাং একথা নিশ্চিতভাবে আপনাকে ধারনা রাখতে হবে যে, জাভা প্রোগ্রামিং এর কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে জাভা কোডিং সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। Class ভ্যারিয়েবল এমন একটি অধ্যায় যেখানে আপনাকে জাভা কোড এর সাহায্যে Module এর সাথে Class কে অনুধাবন করতে হবে। আসুন দেখা যাক জাভা Class ভ্যারিয়েবল এর কোড কেমন হবে তা দেখা যাক।

public int aPublicVariable;
private float aPrivateVariable;
protected String aProtectedVariable;
double aDefaultVariable;

Class এর কন্সট্রাক্টর:
জাভার Class কন্সট্রাক্টর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। Class ভ্যারিয়েবল এর পরে Class কে module এর সাথে বিস্তার করার জন্য অবশ্যই আপনাকে Class কন্সট্রাক্টর এর উপর বিশেষ ধারণা রাখতে হবে। Class কন্সট্রাক্টর এর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কোড ব্যবহার করতে হবে। দেখা যাক তাহলে এর কোডগুলো কেমন:
public ClassName(){

এবার আসুন নিচে প্রাথমিক দুটি Class কন্সট্রাক্টর এর কোডিং উদাহরণ দেখা যাক।
একটি কন্সট্রাক

}public ClassName(String parameter){

আর দ্বিতীয় কন্সট্রাক্টর
}private void privateMethodName(){

আজকের পর্বে আপনাদের এই দুটি বিষয়ে ধারণা দিলাম। আশাকরি আগামী আলোচনায় আপনাদের নতুন বিষয়ে ধারনা দিবো।

Java Thread এর ব্যাবহার এবং তার প্রয়োগ:Java Thread এর ব্যাবহার এবং তার প্রয়োগ:

Java Thread এর ব্যাবহার এবং তার প্রয়োগ:

 

নাম: মুতাসিম বিল্লাহ সুমন

জাভাকে আমরা বলতে পারি জাভা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং, সুতরাং এই প্রোগ্রামিংকে ব্যাবহার করে আমরা নতুন ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে ধারনা পেতে পারি। এই প্রোগ্রাম বা ল্যাংগুয়েজকে ব্যাবহার করতে হলে মূলত আমাদের এর কোড সম্পর্কে আগে বেশী ধারনা পেতে হবে। আজকের জাভা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পর্বে আমরা Thread তৈরি এবং Thread এর ব্যবহার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবো।

Thread তৈরি করা :
একটি সুন্দর এবং নির্ভুল Thread তৈরির পূর্ব শর্ত হচ্ছে আমাদের প্রথমে এই বিষয়ের কোড সম্পর্কে জ্ঞান রাখা। আর এটি করতে হলে অবশ্যই আমাদের নিচের কোড গুলোর সাথে আগে পরিচিত হতে হবে। তাহলে আসুন আমরা Thread তৈরির কোডগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
public class MyCustomThread extends Thread{//variables
int someVariable; String anotherVariable; boolean threadRunFlag;
public MyCustomThread(int parameter, String parameterString){
this.someVariable=parameter; this.anotherVariable=parameterString; }
@Override
public void run(){while(threadRunFlag){ //do somethingtry{
sleep(timeInMillis); }catch(Exception e){
//do something}}}
public void stopThread(){
threadRunFlag=false; }}

Thread ব্যবহার করা :
Thread তৈরি করার পরে আমাদের যেটি দরকার সেটি হচ্ছে এটি ব্যাবহার করা। এটি আমরা কোড ব্যবহার করে সহজেই ব্যাবহার করতে পারি। আসুন, তাহলে দেখা যাক ব্যবহারের কোডগুলো সম্পর্কে।
public class NewClass {//Class body
public static void main(String[] args){
MyCustomThread aThread=new MyCustomThread(intParameter, stringParameter);
MyCustomThread aThread2=new MyCustomThread(intParameter2, stringParameter2);
aThread.start();
aThread2.start();//do something
aThread.stopThread();
aThread.stopThread2();}}
আশাকরি আজকের আলোচনাটি আপনাদের বিশেষ উপকারে এসেছে। এবং এই দুটি বিষয়ের কোডিং সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

PHP ক্যারিয়ার গঠন

PHP ক্যারিয়ার গঠন
নাভিদ তাসনিম

PHP অর্থাৎ Hypertext Preprocessor হলো একটি সার্ভার সাইড, একটি HTML Embedded স্ক্রিপ্টিং সাইড।একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার হতে PHP শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।প্রশ্ন হচ্ছে আপনি যদি অভিজ্ঞ PHP ক্যারিয়ার গঠন করতে চান তবে আপনার কি কি জানা প্রয়োজন?

টুলস এবং ফ্রেমওয়ার্ক :

1. CakePHP ফ্রেমওয়ার্ক শিখুন।
http://cakephp.org/

2. বিভিন্ন IDE যেমন Zend Studio,Aptana,Borland Delphi IDE for PHP,P4A IDE,Eclipse PDT,Dreamweaver ইত্যাদি এর ব্যবহার জানুন ।জেন্ড স্টুডিও থেকে টুলস এবং ফ্রেমওয়ার্ক সম্পর্কে ভালভাবে শিখে নিন।
http://www.zend.com/products/studio/

3. PHP বাদে আপনি কি চাকরি খুঁজছেন? অথবা আপনার পছন্দের চাকরি বেছে নিতে পারছেন না? তাহলে আপনার এ বিষয়ে আরো জানা প্রয়োজন।আর যদি আপনার নির্দিষ্ট চাকরি থাকে, তাহলে আপনি একটি IDE এর উপর মনোনিবেশ করতে পারেন।ড্রুপাল এবং জুমলার ব্যবহার শিখুন।

4. Directory Codes সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখা প্রয়োজন।CMSes গুলোর ডাটাবেস স্ট্রাকচার সম্পর্কেও ভালভাবে জানুন।

5. PHP ক্যারিয়ারে দক্ষতা অর্জনে আপনাকে অবশ্যই HTML,CSS,JavaScript,MySQL & XHTML সম্পর্কে জানতে হবে।SITEBUILDER এর বইগুলো এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

6. মনেরিস, পেপাল, অথরাইজ, মিরাসার্ভ-বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন।

7. Magento,OScommerce,Ubercart সাইটগুলো আপনাকে লিনাক্স/অ্যপাচী প্ল্যাটফর্মের ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে ধারনা দেবে।

8. PHP সম্পর্কে অনুশীলন করতে Ebay থেকে কমদামে PHP স্ক্রীপ্ট কিনে নিতে পারেন।এরপর এগুলোর উপর নানান এক্সপেরিমেন্ট চালাতে পারেন।

9. সর্বোপরি Photoshop XML Manipulation,XSS এবং বিভিন্ন PHP Applications ব্যবহার ও ডিপ্লয়িং জানুন যা আপনাকে PHP তে আরো দক্ষ করে তুলবে।

আপনার কি PHP ক্যারিয়ার গঠন করা উচিত? নিচের লিংকগুলো দেখুন-

Reference:

http://salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=1147&title=How%20to%20build%20a%20career%20in%20PHP

 

বায়োম্যাট্রিক্স প্রযুক্তি এবং সনাক্তকরণ

রাশেদা ইয়াসমিন নিপা

কম্পিউটার বিজ্ঞানের এক নবতর অধ্যায় Biometrics । আর Biometrics বলতে সেই প্রযুক্তিকে বোঝায় যা দ্বারা মানুষের দৈহিক ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ এবং পরিমাপ করে ব্যক্তিকে সনাক্ত করা হ্য়। যেমন- ফিংগারপ্রিন্ট, হ্যান্ডজিওমিট্রি, আইরিস, ডিএনএ, ভয়েস রিকগনিশন প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার বিজ্ঞান মূলত ব্যক্তিসনাক্তকরণ ও প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করে। এ পদ্ধতি দ্বারা অধিক গ্রহণযোগ্যতার সাথে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সিস্টেম এর নিরাপত্তা প্রদান করা যায়।

Biometrics এর কাজ হল কোন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্যকে ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে পূর্ব সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে সত্যতা যাচাই করা। নিম্নে Biometrics পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হল-

১। ফিঙ্গার প্রিন্ট রিডার- প্রতিটি মানুষের আঙ্গুলের ছাপে রয়েছে ভিন্নতা, আর এই আঙ্গুলের ছাপ দিয়েও ব্যক্তি সনাক্তকরণ করা যায়। আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞাণ Biometrics পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপ আগেই তার ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা থাকে, ফিঙ্গার প্রিন্ট রিডার মানুষের আঙ্গুলের ছাপকে ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং সংরক্ষিত ডাটাবেজ এর সাথে মিলিয়ে আউটপুট দেয়। এই ফিঙ্গার প্রিন্ট রিডারকে কম্পিউটেরের USB পোর্টের সাথে সংযোগ দিয়ে কাজ করা হয়। এ পদ্ধতিটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল।

২।ফেস রিকগনিশন-  কোন কক্ষের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে ও আইডি সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে মানুষের মুখের আকৃতি পূর্ব সংরক্ষিত ছবির সাথে তুলনা করে ব্যক্তিকে সনাক্ত করা হয়। এতে দুচোখের দূরত্ব, চোয়ালের  কৌণিক পরিমাণ, নাকের ব্যাস-দৈর্ঘ্য পরিমাপ করে ব্যক্তির পরিচয় তুলে ধরে।

৩। হ্যান্ড জিওম্যাট্রি- মানুষ ভেদে হাতের গঠন, পরিমাপ ভিন্ন রকমের হয়। Hand Geometry পদ্ধতিতে মানুষের হাতের আকৃতিকে পরিমাপ করার মাধ্যমে ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়। এতে হাতের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, পূরুতব ইত্যাদি পরিমাপ ক্রা হয়। এই পদ্ধতি ব্যবহারকারীর জন্য ব্যবহার করা  য়

৪। আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান-  আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতি মূলত উচ্চক্ষমতাসমপন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়। উভয় পদ্ধতিতে চোখ ও মাথা স্থির করে ডিভাইস এর সামনে দাড়াতে হয়। চোখের রঙ্গিন অংশকে পরিমাপ করে ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয় আইরিশ পদ্ধতিতে আর রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতিতে চোখের মনির লেয়ারের পরিমানের উপর পরিমাপ করে ব্যক্তিকে সনাক্ত করা হয়।

৫। ভয়েস রিকগনিশন- টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় এ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভয়েস রিকগনিশন পদ্ধাতিতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম মানুষের কণ্ঠকে ইলেক্ট্রনিক সিগ্নালে রূপান্তর করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে রাখে, পরে সংরক্ষিত ডেটার সাথে ব্যবহারকারীর কন্ঠের তুলনা করে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে খুজে বের করে ।

৬। সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন- এই পদ্ধতিতে কলম ও এক ধরনের ট্যাবলেট পিসিতে স্বাক্ষর করে; স্বাক্ষরের আকার, লেখার গতি, সময় কলমের চাপ মূল্যায়ণ করে ব্যবহারকারির  স্বাক্ষর সনাক্ত করা হয়।

সফটওয়্যার নির্মাণে সময় নির্ধারণ: আপনার কি কি বিবেচনা করা উচিত? (Software Time Estimation)

Translation of : http://www.salearningschool.com/displayArticle.php?table=Articles&articleID=1360

সফটওয়্যার নির্মাণে সময় নির্ধারণ: আপনার কি কি বিবেচনা করা উচিত? (Software Time Estimation)
2013-03-21, সাইদ আহমেদ

একটি টাস্ক/কাজ এর জন্য সময় নির্ধারণ করতে  নীচের সব কিছু বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে

একটি টাস্ক রূপায়ণ করতে গেলে, ওই টাস্ক এর সাথে সম্পর্কিত অনেক অতিরিক্ত টাস্ক ও রূপায়ণ করতে হতে পারে. অতিরিক্ত স্টাফ, প্রকৃত টাস্ক রূপায়ণ এর  তুলনায় অধিক সময় লাগতে পারে. প্রকৃত টাস্ক যদি ছোট হয়, কখনও কখনও অতিরিক্ত কর্ম, প্রকৃত টাস্ক এর তুলনায় অনেক বড় হয় কারন সফটওয়্যার এর অন্য অংশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রাখতে হয়

একটি টাস্ক/কাজ এর জন্য সময় নির্ধারণ করতে  নীচের সব কিছু বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে:

1. সামগ্রিক সিস্টেমের আর্কিটেকচারের সাথে সমন্বয় করা
2. নিরাপত্তা ও একটি বিবেচ্য বিষয়? ইনপুট বক্স সৃষ্টি করে, তাতে কত নিরাপত্তা প্রদান করতে চান? নিরাপত্তা কি শুরুতে প্রদান করবেন না শেশে করবেন?
3. ইউজার ইন্টারফেস নির্মাণ [CSS লিখা, পৃষ্ঠাতে অন্যান্য উপাদান এর সাথে সামঞ্জস্য বা একটি নতুন পৃষ্ঠা তৈরি] – সময় লাগবে . ইন্টারফেস কে ব্যবহার উপযোগী করতেই সময় লাগবে। [ব্যবহারকারী বন্ধুত্বপূর্ণ]
4. ডাটাবেসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে হতে পারে. ক্যোয়ারী এর দক্ষতা বিবেচ্য বিষয় হতে পারে
5. সমাধান এর লজিক বের করতে হবে [বিভিন্ন উপায় এর  মধ্যে একটি উপায় বেছে নিতে হবে।
6. কোড লিখতে সময় লাগবে।
7. কোড ডিবাগ এর জন্য সময় লাগবে।
8. টেস্টিং, একাধিক ব্রাউজারে পরীক্ষা, একাধিক ব্রাউজার সংস্করণ-এ পরীক্ষা, একাধিক স্ক্রীন রেজোলিউশান এ পরীক্ষা, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এর Quirk মোড এর জন্য টেস্টিং – সময় লাগবে।
9. লোড টেস্টিং এবং পারফরমেন্স টেস্টিং এর জন্য সময় লাগবে।
10.  সামঞ্জস্যতা – এটা অন্য সব কিছুর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে কিনা দেখতে হবে
11. অন্যান্য সম্পর্কিত পৃষ্ঠাগুলি এবং ফাংশন গুলি কাজ করে কিনা দেখতে হবে? আপনার টাস্ক বাস্তবায়িত হওয়ার পরেও সময় প্রয়োজন.
12. কোড অপ্টিমাইজেশান করতে সময় লাগবে? এই বাপার এ প্লান করতে সময় লাগবে।
13. কোড ভাল করে সংগঠন করতে সময় লাগবে।
14. whitebox পরীক্ষার অংশ হিসেবে ডিবাগ করতে সময় লাগবে।
15. চেক করতে হবে: এটি পরীক্ষা/টেস্টিং  সার্ভারে কাজ করে কিনা ? এটি ইন্টিগ্রেশন সার্ভার কাজ করে কিনা?
16. কি কি পরীক্ষা করতে হবে তার লিস্ট বানাতে হবে এবং ওইগুলো নির্বাহ করতে সময় লাগবে। [কোনো আবশ্যক ডকুমেন্টেশন দরকার হলে সময় লাগবে।
17. প্রকল্প বড় হলে, বড় প্রকল্প এর সাথে কাজ করার জন্য ভাল মেমরি বা ভাল দক্ষতা প্রয়োজন  [সবকিছু  ট্র্যাক রাখতে হবে]
18. ইউনিট টেস্ট করতে হলে সময় লাগবে…

কখনও কখনও ছোট কাজগুলো, এই অতিরিক্ত বিবেচ্য বিষয় এর কারনে বড় হয়ে উঠতে পারে.