আপনার এন্ড্রোয়েডে স্ক্রীনশট নিন খুব সহজে : Take Screenshot with Android Mobile/Tablet Device

লেখাঃ মোস্তাফিজুর ফিরোজ
ওয়েবসাইটঃ www.firoz.me

বর্তমান যুগ হলো টেকনোলজির যুগ। আর এখন টেকনোলজির সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য বস্তু হলো স্মার্টফোন। এটা ছাড়া যেন আমাদের জীবন একদিনও চলে না। আর স্মার্টফোনের ভিতর সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে এন্ড্রোয়েডে সফটওয়ার ছাড়া স্ক্রীনশট নেয়া যায় ।
আপনি আপনার ফোনের সবখান থেকেই স্ক্রীনশট নিতে পারবেন। গেম খেলা, ভিডিও দেখা অথবা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময়ও নিতে পারবেন। এজন্য আপনাকে শুধু পাওয়ার বাটন আর ভলিউম ডাউন বাটন একসাথে চাপতে হবে। তাহলেই আপনি আপনার ফোনের স্ক্রীনশট নিতে পারবেন।

স্ক্রীনশট = পাওয়ার বাটন + ভলিউম ডাউন বাটন

এবার আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনে ইচ্ছামত স্ক্রীনশট নিতে থাকুন।

IT প্রযুক্তি

নাভিদ তাসনিম

বর্তমানে বাংলাদেশে IT টেকনোলোজি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে IT সম্পর্কিত প্রবন্ধ উচ্চ মাধ্যমিক শাখার পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।আসুন আমরাও এবার সংক্ষেপে IT প্রযুক্তি সম্পর্কে কিছু কথা জেনে নেইঃ

IT এর পূর্ণরূপ হলো Information Technology বা তথ্য প্রযুক্তি। IT হচ্ছে কম্পিউটার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার এমন একটি সরঞ্জাম যা তথ্য জমা রাখতে,প্রেরণ করতে এবং কায়দা ও পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহ্রত হয়ে থাকে।এটি হচ্ছে একই শব্দে কম্পিউটার ও টেলিফোন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার একটি সুবিধাজনক অঙ্গীকার। IT প্রযুক্তিকে “তথ্য বিপ্লব” নামেও অভিহিত করা হয়।

IT এর সাথে বিশ্বের বিভিন্ন বৃহৎ শ্রমশিল্প জড়িত।কম্পিউটার, হার্ডওয়্যার,সফটওয়্যার,ইলেকট্রনিক্স,সেমিকন্ডাক্টর,ইন্টারনেট,টেলিকম সরঞ্জাম, e- বানিজ্য এবং নানান যন্ত্রাংশের পরিষেবায় IT অন্তর্ভুক্ত।তাইতো সারা বিশ্বে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়ে থাকে IT প্রযুক্তির পেছনে।

এছাড়া শিক্ষার বিবর্তনের উপরেও IT প্রযুক্তির বড় ধরনের প্রভাব লক্ষনীয়।যেমন-ইহা প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষাদান ব্যবস্থাকে করেছে আরো সহজ।ইহা উন্নত শিক্ষাদান পদ্ধতির প্রচলন ঘটিয়েছে। IT এর বদৌলতে স্কুল,কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করতে পারে,যা প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে IT প্রযুক্তি অবশ্যই বড়মানের পরিবর্তন এনেছে।উন্নত দেশসমূহের ন্যায় বাংলাদেশে IT প্রযুক্তির এই প্রসার অবশ্যই সাধুবাদ জানানোর মতো।দেশে IT এর ব্যবহার যতো বাড়বে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ততোই সহজ হবে।

Anti mosquito কি আসলেই কাজ করে……?

যদিও আজকাল সিম্বিয়ানকে আর স্মার্টফোন হিসেবে গণ্য করা হয় না তথাপি প্রথম সফটওয়্যার ইন্সটল করার অভিজ্ঞতা এই সিম্বিয়ানেই পেয়েছিলাম। তখন কিন্তু মোবাইলের জন্য খুব বেশি সফটওয়্যার ছিল না। তাই সফটওয়্যার মানেই ছিল NetQin Anti-virus ও Anti mosquito. Anti-virus এর কার্যকারিতা নিয়ে তখন তেমন কোন প্রশ্ন না উঠলেও Anti mosquito নিয়ে বেশ বিতর্ক হত। নতুন মোবাইল কেনার পর প্রায় সবাই এটি ইন্সটল করতেন যেহেতু তখন একটি সিম্বিয়ান ফোনের দাম অনেক ছিল তাই এর মশা মারার ক্ষমতার কারণে এর কদর আরও বেড়ে যেত কিন্তু প্রথম এক্সপেরিমেন্টেই হতাশ হতে হত সবাইকে।

Anti Mosquito

Anti Mosquito

এ ঘটনার পর বন্ধুদের টিটকারিও সহ্য করেছেন অনেকে।তারপরেও বিশ্বাসী মানুষদের কল্যাণে এটি সিম্বিয়ান ছাড়িয়ে আজ App Store কিংবা Google Play তেও বেশ ভালো রেটিং নিয়ে বহাল তবিয়তে আছে যাই হোক ইদানীং টিভিতে LG Mosquito away এসির বিজ্ঞাপন প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে মোবাইলের Anti mosquito তে যে প্রযুক্তির কথা বলা হয়েছিল এই এসিতেও সেই একই প্রযুক্তির কথা বলা হচ্ছে।তাহলে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক মোবাইলে কাজ না করলে তা এসিতে কাজ করবে কেন? এ প্রশ্নের জবাব আমরা খুঁজব কিন্তু তার আগে মশা তাড়ানো টেকনোলজি নিয়ে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন।

LG Mosquito away AC

LG Mosquito away AC

এলজির ভাষ্যমতে তাদের এই এসি Ultrasonic তরঙ্গ উৎপন্ন করে ফলে মশারা পালিয়ে যায়।তাহলে Ultrasonic তরঙ্গ আবার কি? পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় যেকোনো শব্দই কোন না কোন বস্তুর কম্পনের ফলে উৎপন্ন হয়। বস্তুটি সেকেন্ডে কতবার কম্পিত হচ্ছে তাকে এই তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি বলা হয়। কোন তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি 5Hz মানে কোন বস্তু সেকেন্ডে ৫ বার কম্পিত হওয়ার ফলে এই তরঙ্গ উৎপন্ন হচ্ছে। বিভিন্ন প্রাণীর শ্রবণ ক্ষমতা বিভিন্ন। মানুষের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা 20Hz থেকে 20KHz পর্যন্ত। অর্থাৎ কোন শব্দ তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি 20Hz এর কম হলে বা 20000Hz এর বেশি হলে সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই না। কিন্তু এলজির এই এসি 30kHz এরও অধিক ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন করে। কোন তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি 20Hz এর বেশি হলে তাকে Ultrasonic তরঙ্গ বলা হয়। এই শব্দ আমরা শুনতে না পেলেও মশারা ঠিকই শুনতে পায় এবং এই শব্দ তাদের জন্য রীতিমত অস্বস্তিকর। তাই মশারা এই শব্দ শুনলে দৌড়ে পালায়। এই তরঙ্গ উৎপন্ন করা কিন্তু সহজ কথা নয়। এজন্য এলজি তাদের এসিতে বিশেষ ধরনের স্পিকার যুক্ত করেছে যা এতো হাই ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন করতে পারে। কিন্তু মোবাইল ফোনের এই বিশেষ ধরনের স্পিকার নেই বলে তা গান শোনার সাধারণ স্পিকারে Ultrasonic তরঙ্গ উৎপাদনের ব্যর্থ চেষ্টা করে। আর এজন্যই Anti mosquito মোটেই কাজের না। শেষ করব একটি গল্প দিয়ে। হাট থেকে ফেরার সময় এক ব্যক্তি দেখলেন ক্যানভাসিং করে মশার ১০০% কার্যকরী ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি অতি আগ্রহে ৫ টাকা দিয়ে কাগজে মোড়ানো একটি ওষুধ কিনলেন। বিক্রেতা বলে দিলেন এটি বাড়িতে গিয়ে খুললেই হবে কিন্তু পথে খুললে পথেই ছড়িয়ে যাবে। লোকটি তাই রাস্তায় এটি আর খুলে দেখলেন না। বাড়িতে গিয়ে যখন এটি খুললেন তখন দেখলেন আসলে এর ভেতরে কিছুই নেই। বরং কাগজে লেখা আছে মশার ১০০% কার্যকরী ওষুধ মশারি। তাই মশা মারতে মোবাইল দাগবেন না। আল্লাহ হাফেজ

তথ্যসুত্রঃ http://www.lg.com/africa_en/split-air-conditioners/lg-HS-C1865NN8

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা……

তারেক শিকদার।।
ই-মেইল : tshikder2008@gmail.com

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর গবেষণা চলছে বেশ অনেকদিন আগ থেকেই। সম্প্রতি এই গবেষনার একটা চুড়ান্ত ও আলোড়ণ সৃষ্টিকরা প্রযুক্তি সারা ফেলে দিয়েছে গোটা বিশ্বে।

যন্ত্রের ভিতর মানুষের ভাবাগবগ, আবেগ-অনুভুতি ও চিন্তাশক্তির প্রয়োগের দিক থেকে বিজ্ঞানিরা এখন অনেকটাই এগিয়ে। সুপার কম্পিউটার বলতে যা বোঝায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসলে তার চাইতেও কিন্তু অনেক বেশী কিছু। এখানে স্পর্শানুভুতি, দর্শনানুভুতি, অগ্রীম অনুমান ও পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি নিজ থেকে গবেষনা ও বিচার-বিশ্লেষন করে নতুন কোন আবেগকে কাজে লাগানোর ক্ষমতা কাজে লাগানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন গবেষকরা। বলা যেতে পারে তার অনেকটাই সফল।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিয়োর্নিার গবেষকরা দৃষ্টি শক্তির প্রয়োগ ও তার বিপরীতে রেসপন্স করতে সক্ষম এমন একটি আর্টিফিসিয়াল চক্ষু উদভাবন করে তা কৃত্রিম বুদ্ধিমতা সম্পন্ন কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে দেখেছেন যে, তা প্রায়ই মানুষের চোখের মতই কাজ করছে। এ গবেষনার ফলাফলে গবেষকরা রিতিমত অভিভুত। অদুর ভবিষ্যতে হয়তো কোন অন্ধ মানুষের চোখে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চোখ স্থাপন করে ঐ অন্ধ লোকটির দৃষ্টি শক্তি সম্পূর্ণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

R প্রোগ্রাম পরিচিতি: R Programming

R একটি উন্মুক্ত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা পরিসংখ্যানিক বিষ্লেশনের জন্য তৈরী করা হয়েছিল। বিশ্বের বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদদের অক্লান্ত এবং অবিরত পরিশ্রমের ফসল এই R প্রোগ্রাম। এটি শুধু একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-ই নয়, একই সাথে একটি পরিসংখ্যানিক প্যাকেজ ও ইন্টারপ্রেটারও।

R কে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হলেও এটি C অথবা অন্যান্য লো বা মিড লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর মত নয়। এমন অনেক সুবিধা এখানে আছে যা অন্য কোন প্রোগ্রামে চিন্তাই করা যায় না। যেমন R এ কখনো ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করার প্রয়োজন হয় না।

প্রথম দিকে শুধুমাত্র পরিসংখ্যানিক কাজের জন্য R প্রোগ্রাম তৈরী করা হলেও এখন গ্রাফিকাল টেকনিকসমূহ অত্যন্ত সহজে এই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে করা যাচ্ছে।

R প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় সুবিধা এটি ওপেন সোর্স অর্থাৎ সম্পুর্ণ বিনামূল্যে অফিসিয়াল ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়, সফটওয়্যারটি অত্যন্ত হাল্কা হওয়ায় খুব সহজেই অনেক পুরনো লো কন্ফিগারের কম্পিউটারেও কোনরকম অসুবিধা ছাড়াই ব্যবহার করা যায়।

R প্রোগ্রামটির ডেভেলপমেন্টের পদ্ধতিও এর জনপ্রিয়তার অন্যতম বড় একটি কারণ। বিশ্বের বড় বড় পরিসংখ্যানবিদ এবং প্রোগ্রামাররা নিজের নিজের জায়গা থেকেই R Project এর তত্তাবধানে থেকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্যাকেজ উন্নয়ন করে চলেছে যার জন্য আপনি যে ধরনের বিষ্লেশনের কাজ্-ই করতে চাননা কেন, তার জন্য বেশিরভাগ সময়েই কষ্ট করে সময় নষ্ট করে বড় বড় আর জটিল প্রোগ্রাম লেখার প্রয়োজন হবে না বড়ং নির্দিষ্ট জায়গায় সার্চ করলেই আপনার কাজের জন্য উপযোগী প্যাকেজ পেয়ে যাবেন। আবার আপনি চাইলে একজন R প্রোগ্রামার ও হয়ে যেতে পারেন যদি এমন কোন প্যাকেজ আপনি ডেভেলপ করেন যা আগে কেউ করেনি। এ ধরনের প্যাকেজ সুবিধা এবং সহজলভ্যতা আর কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে কখনও দেয়া হয়নি।

এতসব সুবিধার কারণেই বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত, পরিসংখ্যান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ব্যবসায় শাখা অনুষদে অফিসিয়াল প্রোগ্রাম হিসেবে R কেই ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি প্রকৌশল বিজ্ঞানেও এর ব্যবহার শুরু হয়েছে।

বর্তমানে এই প্রোগ্রামের একমাত্র লিমিটেশন হল এতে অনেক বড় ডাটা হলে হ্যান্ডলিং করা যায় না যা MATLAB এ করা যায়, তবে R ডেভেলপমন্ট যত দ্রুত গতিতে বর্ধিত হচ্ছে তাতে আশা করা যায় হয়ত ১ অথবা ২ বছরের মধ্যেই এই সমস্যা দুর হয়ে যাবে।

R এর সর্বশেষ ভার্শন 3.1.0 কোড নেম স্প্রিং ডান্স (Spring Dance) যা এই বছরের ১০ এপ্রিল উন্মুক্ত হয়। R এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://www.r-project.org/ যেখান থেকে প্রোগ্রামটি ডাউনলোড করা যাবে এবং R সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য, সকল প্যাকেজ, হেল্প ফাইল, টিউটোরিয়াল গুলো পাওয়া যাবে।

জাভাস্ক্রিপ্ট ডেটা টাইপ (JavaScript Data Types)

জাভাস্ক্রিপ্ট ডেটা টাইপ (JavaScript Data Types)

লিখেছেনঃ মোহাম্মাদ আমিরুল ইসলাম (আরিফ)

ওয়েব ডিজাইনার অ্যান্ড ডেভেলপার

 

জাভাস্ক্রিপ্ট ডেটা টাইপের ধারনা

জাভাস্ক্রিপ্টে ডেটা টাইপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

জাভাস্ক্রিপ্ট এর ডেটা টাইপ গুলো হলঃ (String, Number, Boolean, Array, Object.) স্ট্রিং, নাম্বার, বুলিয়ান, অ্যারে, অবজেক্ট । জাভাস্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিং করতে এই টাইপগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

যেমনঃ

var lastName = “Johnson”;

উপরের জাভাস্ক্রিপ্টটি একটি স্ট্রিং টাইপ জাভাস্ক্রিপ্ট ।

 

var length = 16;

উপরের জাভাস্ক্রিপ্টটি একটি নাম্বার টাইপ জাভাস্ক্রিপ্ট ।

 

var cars = [“Saab”, “Volvo”, “BMW”];

উপরের জাভাস্ক্রিপ্টটি একটি অ্যারে টাইপ জাভাস্ক্রিপ্ট ।

 

var x = {firstName:”John”, lastName:”Doe”};

উপরের জাভাস্ক্রিপ্টটি একটি অবজেক্ট টাইপ জাভাস্ক্রিপ্ট ।

 

 

জাভাস্ক্রিপ্ট স্ট্রিং (JavaScript String)

জাভাস্ক্রিপ্ট স্ট্রিংগুলো সাধারণত কয়কটি অক্ষররে সমষ্টি হয়ে থাকে । যেমনঃ “kamal”

স্ট্রিং গুলো  single quotes ‘’ অথবা double quotes “” এর ভিতর ব্যবহার হয়ে থাকে ।

যেমনঃ

var carName = ” kamal”;       [ এখানে double quotes “” ব্যবহার হয়েছে ]
var carName = ‘ kamal’;        [ এখানে single quotes ‘’ ব্যবহার হয়েছে ]

 

আপনি স্ট্রিং এর ভিতরে quotes ব্যবহার করতে পারেন ।

 

যেমনঃ

var answer = “It’s alright”;                    [double quotes “” এর ভিতর single quote ‘’]
var answer = “He is called ‘Johnny'”;     [double quotes “” এর ভিতর single quotes ‘’]
var answer = ‘He is called “Johnny”‘;    [single quotes ‘’ এর ভিতর double quotes “”]

 

 

কোড গুলো নিজে প্রয়োগ করুনঃ

DOCTYPE html>

<html>

<body>

 

<p id=”demo”></p>

 

<script>

var carName1 = “Volvo XC60”;

var carName2 = ‘Volvo XC60’;

var answer1 = “It’s alright”;

var answer2 = “He is called ‘Johnny'”;

var answer3 = ‘He is called “Johnny”‘;

 

document.getElementById(“demo”).innerHTML =

carName1 + ”
” +

carName2 + ”
” +

answer1 + ”
” +

answer2 + ”
” +

answer3;

</script>

 

</body>

</html>

 

 

 

 

 

জাভাস্ক্রিপ্ট নাম্বার (JavaScript Numbers)

জাভাস্ক্রিপ্টটে শুধু মাত্র এক প্রকারের নাম্বার আছে । নাম্বারগুলো ডেসিম্যাল এবং ডেসিম্যাল ছাড়াও লেখা হতে পারে ।

যেমনঃ

var x1 = 34.00;    [ডেসিম্যাল দিয়ে লেখা]
var x2 = 34;        [ডেসিম্যাল ছাড়া লেখা]

 

অতিরিক্ত বড় অথবা অতিরিক্ত ছোট নাম্বার গুলো e দ্বারা লেখা হয় ।

যেমনঃ

var y = 123e5;                [ এখানে 123e5;=12300000 হবে]
var z = 123e-5;               [এখানে 123e-5;= 0.00123 হবে]

 

নির্দিষ্ট নাম্বার এর পরে e5 দিলে অই নাম্বার এর পরে পাঁচটি ০ যোগ হবে আর  e-5 দিলে অযুত এর আগে পয়েন্ট হবে ।

 

কোড গুলো নিজে প্রয়োগ করুনঃ

DOCTYPE html>

<html>

<body>

 

<p id=”demo”></p>

 

<script>

var x1 = 34.00;

var x2 = 34;

var y = 123e5;

var z = 123e-5;

 

document.getElementById(“demo”).innerHTML = x1 + ”
” + x2 + ”
” + y + ”
” + z

</script>

 

</body>

</html>

 

 

জাভাস্ক্রিপ্ট বুলিয়ান (JavaScript Booleans)

বুলিয়ান এর শুধু দুইটি মান আছে ।  সত্য ও মিথ্যা ।

যেমনঃ

var x = true;
var y = false;

 

জাভাস্ক্রিপ্ট অ্যারে (JavaScript Arrays)

জাভাস্ক্রিপ্ট অ্যারে গুলো তৃতীয় বন্ধনী দ্বারা লেখা হয়।  জাভাস্ক্রিপ্ট অ্যারে আইটেম গুলো কমা দ্বারা আলাদা করা হয় ।

কোড গুলো দেখতে এরকম হয়ঃ

var cars = [“Saab”, “Volvo”, “BMW”];

 

জাভাস্ক্রিপ্ট  অবজেক্ট [JavaScript Objects]

জাভাস্ক্রিপ্ট অবজেক্ট গুলো দ্বিতীয় বন্ধনী দ্বারা লেখা হয়।  জাভাস্ক্রিপ্ট অবজেক্ট আইটেম গুলো কমা দ্বারা আলাদা করা হয় ।

কোড গুলো দেখতে এরকম হয়ঃ

var person = {firstName:”John”, lastName:”Doe”, age:50, eyeColor:”blue”};

এইচটিএমএল লিস্ট (HTML tag list)

Tamim Ikbal

HTML List ট্যাগ কি এবং এটা কিভাবে HTML এ কাজ করে ?

একটা ওয়েব পেজকে সুন্দর করে সাজানো এবং তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম পদ্ধতি লিষ্ট । HTML এর মাধ্যমে দুই ধরণের লিষ্ট তৈরি করা যায়, একটি হচ্ছে অর্ডার লিষ্ট এবং অপরটি হচ্ছে আনঅর্ডার লিষ্ট । অর্ডার লিষ্টে বিভিন্ন তথ্যকে পর্যায়ক্রমিকভাবে সাজিয়ে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রতিটা লাইনের শুরুতে ক্রমিক সংখ্যা থাকে। অন্যদিকে আন অর্ডার লিষ্টে প্রতিটা লাইনের সামনে ছোট বৃত্তাকার বা বর্গাকার চিহ্ন থাকে। HTML এর মাধ্যমে আন অর্ডার লিষ্ট তৈরি করার জন্য <ul></ul> এবং অর্ডার লিষ্ট তৈরি করার জন্য <ol></ol> ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।

Unordered List

এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় প্রফেশনালি। <ul></ul> এর ভিতরে রাখতে হবে এবং <li></li> এলিমেন্টের ভতর একটা একটা করে আইটেম রাখতে হবে। প্রদর্শন করবে তালিকা আকারে কোন নাম্বারিং থাকবেনা। বাই ডিফল্ট একটা গোল চিহ্ন প্রতিটি আইটেমের বাপাশে থাকে।

<html>

<head>

<title>your website name</title>

</head>

<body>

<ul>

<li>Bangla</li>

<li>English</li>

<li>Social Science</li>

<li>Mathemetaics</li>

</ul>

</body>

</html>

আপনার ওয়েব ব্রাউজার এ রান করার তার দেখতে নিচের মতো দেখতে পারবেন ।

  • Bangla
  • English
  • Social Science
  • Mathemetaics

Ordered List

কখনও নাম্বার দিয়ে তালিকা প্রয়োজন হতে পারে তখন <ol></ol> এর ভিতর li ট্যাগ দিয়ে বানাতে পারেন ।

<html>

<head>

<title>your website name</title>

</head>

<body>

<ol start=”10″>

2.<li>iPad</li>

3.<li>iPhone</li>

4.<li>MacBook Air</li>

5.</ol>

</body>

</html>

আপনার ওয়েব ব্রাউজার এ রান করার তার দেখতে নিচের মতো দেখতে পারবেন ।

  1. iPad
  2. iPhone
  3. MacBook Air

হয়তো ভাবছেন <ol start=”10″> লিখার পর বাকি সব গুল 10,11,12 তালিকা কি করে করলাম । একটু লক্ষ করেন <ol start=” পর আমি “10” লিখছি যার কারনে 10 থেকে তালিকা শুরু হইছে । আর তিনটি তালিকা থাকার কারনে ১০,১১,১২ পর্যন্ত প্রদশন করছেন । আপনারা যদি <ol start=” লিখার পরে “49” দিন এবং ট্যাগ শেষ করেন তাহলে ৪৯ থেকেই আপনার তালিকা শুরু হবে ।

মডেম কি?

মডেম হচ্ছে কম্পিউটার কম্মিউনিকেশন বা ইন্টারেনট ব্যবহােরর ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র । মডেম কম্পিউটার ও ইন্টারেনট লাইন এর মধ্যে সংেযাগ স্থাপন এর জন্য ব্যবহৃত হয় । মডেম মূলত কম্পিউটার ৈতির িডিজটাল সংেকত েটিলেফান লাইেনর উেপােযাগী এনালগ সংেকেত রুপান্তর কের এবং েটিলেফান লাইন হেত গৃহীত এনালগ সংেকতেক িডিজটাল সংেকেত রুপান্তর কের কম্পিউটার েপ্রণ কের । মডেম ব্যবহার করে সহেজই কম্পিউটার েথেক তথ্য পৃিথবীর এক প্রান্ত েথেক অন্য প্রােন্ত পাঠােনা যায় । সংেক্ষেপ মডেম মডুেলশন ও িডমডুেলশন এর কাজ করে থাকে । মডেম বিভিন্ন আকার ও ক্ষমতার হতে পারে । মডেম প্রিত সেকেন্ড-এ কি পরিমান তথ্য আদান প্রদান করতে পারে তার উপর ভিত্তি করে মডেম এর ক্ষমতা িনরুপন করা হয় । তাকে সংেক্ষেপ িবট প্রিতি সেকন্ড বা বিপিএস বলে ।

টেবিল ছাড়া হোম পেজ তৈরি করা।

টেবিল ছাড়া হোম পেজ তৈরি করা।
Notepad খুলুন এবং তাতে নিচের কোড গুলো লিখুন-

<html>
<head>
<style type=”text/css”>
div.container
{
width:100%;
margin:0px;
border:1px solid gray;
line-height:150%;
}
div.header,div.footer
{
padding:0.5em;
color:white;
background-color:gray;
clear:left;
}
h1.header
{
padding:0;
margin:0;
}
div.left
{
float:left;
width:160px;
margin:0;
padding:1em;
}
div.content
{
margin-left:190px;
border-left:1px solid gray;
padding:1em;
}
</style>
</head>
<body>

<div class=”container”>
<div class=”header”><h1 class=”header”>S-Softbd</h1></div>
<div class=”left”><p> S-Softbd brings the quickest solutions for you. No matter where you are in the world, we are committed to respond within maximum 72 hours and bring reliable solution for you and your problem.</p></div>
<div class=”content”>
<h2>Welcome!</h2>
<p> S-Softbd is a leading software development company in Bangladesh. Already it has earned vast popularity in Corporate Software Solutions. Our goal is to provide the best innovative and unique creative solutions to our valued customers. We mainly focus on web applications and management software according to meet our clients criteria.</p>

<div class=”footer”>Copyright | S-Softbd | 2014</div>
</div>

</body>
</html>

এবার ফাইলটিকে একটি নাম দিয়ে save করুন। এবার আপনার browser এ file টি open করে দেখুন।

অলৌকিক বস্তু’ গ্রাফিন

অলৌকিক বস্তু’ গ্রাফিন
টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় মিরাকল ম্যাটেরিয়াল বা ‘ অলৌকিক বস্তু’ গ্রাফিন এর ব্যবহার নাটকীয়ভাবে শতগুন বৃদ্ধি করবে ইন্টারনেটের গতি যা একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া গেছে।

ইউনিভার্সিটি অফ বাথ এবং এক্সেটর এর গবেষকরা প্রধমবারের মত গ্রাফিনের সাহায্যে ক্ষুদ্র অপটিক্যাল রেসপন্স তৈরি করেছেন যা টেলিকমিউনিকেশনের জন্য অবিশ্বাস্যও বটে।

প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ তথ্য প্রেরনের জন্য নানা রকমের অপটোইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যেমন অপটিক্যাল ফাইবার,ফটোডিটেক্টর, লেজার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া মুলত সম্পন্ন করা হয় তথ্যগুলোকে সংকেত আকারে ইনফ্রা-রে তরঙ্গদৈর্ঘ্যে ফোটন হিসেবে প্রেরণের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া মুলত সম্পন্ন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় অপটিক্যাল সুইচের মাধ্যমে আর গ্রাফিনের মুল কেরামতি এখানেই।

সাধারনত অপটিক্যাল সুইচের রেসপন্স রেট যেখানে কয়েক পিকোসেকেন্ড সেখানে গ্রিফিনের ব্যবহারে তা ফেমটো সেকেন্ডে নির্ধারিত হয় যা গতির হিসাবে প্রায় ১০০ গুন বেশী।
শক্ত, আলোকবাহিতা , নমনীয়তা , পরিবাহিতা এবং কম খরচের কারনে টেলিকমিউনিকেশন মার্কেটে এর প্রবেশাধিকার ত্বরান্বিত হচ্ছে।
উচ্চমাত্রার আলোক প্রতিক্রিয়ার কারনে এটি দ্বারা অপটোইলেকট্রিক ডিভাইসগুলোরও প্রচুর উন্নিত করা সম্ভব।শুধু তাই নয় টেলিযোগাযোগ নিরাপত্তা ও ঔষুধ শিল্পেও এটির ব্যবহার অনেক সুফল বয়ে আনবে বলে গবেষকদের ধারণা।শুধু তাই নয় এটির উপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় কোয়ান্টাম লেজার ত্বত্তেরও প্রভূত উন্নতি করা সম্ভব।
সেদিন আর বেশী দুরে নয় যখন টেলিকমিউনিকেশনের মুল প্লাটফর্ম হিসেবে অবস্থান নেবে কয়েক স্তরের গ্রাফিন।
এম কে পান্না।